Breaking News

কবিতা

কাঁদবেন বলে ছুটি চাইলেন কবি! ধর্ষিত বিষাদ-অক্ষর কিশোর ঘোষের কলমে

 কিশোর ঘোষ কান্নাবান্না কী সব ঘটে যায়, অফিসের দিকে তাকিয়ে ভাবি, অফিস আমার দিকে কড়কড়ে হাসে, কী সব ঘটেই চলে… হলুদ রাস্তা প’ড়ে রাস্তার পাশে, রাস্তা পায়নি বলে ‘কী সব’ ঘটিয়ে ফেলেছে! ফুল তুলতে আসা সাজি, ধর্ষণ করল পুজোকে, দুঃখের সিন্দুক থেকে দু’ফোটা চোখ ঝরে পড়ল শহরে দু’দিনের জন্যে! # …

আরও পড়ুন »

‘মুখে মুখ দিয়ে ছিনিয়ে নিচ্ছি চুম্বন আর ভাত’, কবিতাগুচ্ছ, সবর্না চট্টোপাধ্যায়

 সবর্না চট্টোপাধ্যায় খিদে কিছুটা স্তব্ধ হলে ভাবি কিভাবে কেটে যাচ্ছে রাত। মুখে মুখ দিয়ে ছিনিয়ে নিচ্ছি চুম্বন আর ভাত! আচমকা ধাক্কা দিলে যতটা চমকে উঠি, তুমি যেদিন অস্বীকার করেছিলে, ভূমিকম্পে চূর্ণ হল মাটি। অথচ কিভাবে ফ্যাকাশে হতে হতে আমিও বুঝে নিলাম আসলে যৌনতা কী! কিছুটা বর্গক্ষেত্রের ভুলে পরিসীমা আর ক্ষেত্রফলের …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, কমলেশ পাল

 কমলেশ পাল:   কী জানি চন্দনচুয়া কী জানি চন্দনচুয়া চুনেতে খয়ের চুমুতে নারীকে আর রাঙাতে পারি না জাঁতি ভোঁতা, পুরুষাঙ্গ কুচাতে পারি না আদরিনী পানপাতা ভালবাসা চায় চুনখয়েরের সাথে জর্দা গুয়া চায় না পেয়ে বিক্ষুব্ধা নারী যজ্ঞে চলে যায় কী যে করি? বৃদ্ধদশা সুপারি বর্তুল শঙ্খফুঁকে যতো পারো প্ররোচিত করো …

আরও পড়ুন »

কবির প্রলাপ! ‘জেন্ডারলেস পৃথিবীর দর্শন’

 সৈকত ঘোষ   জেন্ডারলেস পৃথিবীর দর্শন সিঁড়ি ভাঙা অঙ্কগুলো ফ্যাকাসে বেগুনি কিংবা লাল। লালচে সকাল পেরিয়ে নেশাবন্ধনী, আগুন ছুঁয়েছে অসম নীলাচল। জানলায় বিমূর্ত কন্টিনিউয়াস। আমি সমুদ্র খুঁজেছি। সেলুলয়েডে চোখের নুন। যেটুকু তোমার ভাস্কর্য, যেটুকু উজান দু-এক দানা চিনি আপাত মিছিল থেকে খুঁটে নেয় হাইব্রিড শিরোনাম # আমি রোদ চিনেছি, সম্পর্ক …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, মিহির সরকার

 মিহির সরকার মৃত  চন্দ্রবোড়া তখন আমাদের নিত্য-নতুন ভাঙা-গড়ার খেলা আমাদের নিয়ে বাতাসে বাতাসে রঙিন গল্প-বেলা আমরা বায়ু, আমরা আগুন, আমরা নতুন প্রথা দিগন্তজুড়ে ধানক্ষেত আর ঘরের অন্নদাতা। রাক্ষস তাড়াই, ভাঙি রোজ, ভূতের যত ঘর আমরা তখন ভগবানেরও ভীষণ ভয়-ডর আলোর রথে, আঁধার-ঘোড়ায় আমরা যাযাবর গভীর রাতে দুনিয়া কাঁপানো আমরা তুফান-ঝড় …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, দীপান্বিতা সাধুখাঁ

 দীপান্বিতা সাধুখাঁ:   শুভ জন্মদিন প্রিয়, কেমন আছো? ভালো থাকো সব সময় এই কামনা করি। চিঠি লিখছি আজ একটা বিশেষ দিন। তোমার জন্মদিন। শুভেচ্ছা নিও আমার। আজ হৃদয়ের ভিতর থেকে দীর্ঘশ্বাস আমাকে ধাক্কা দিচ্ছে। কেন জানো ? এমন দিনে তোমার পাশে আমি থাকতে পারিনি বলে। নীশিথের জ্যোৎস্না আমাকে অনেক কাছে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, বিশ্বজ্যোতি সুর

 বিশ্বজ্যোতি সুর   নতজানু ছোট ছোট লড়াই হেরে গেছি প্রচুর, বারংবার নতজানু হয়েছি উদ্গ্রীব অশ্বের সম্মুখে। তুমিই তো শিখিয়েছ কিভাবে মেনে নিতে হয় ভাঙচুর, তবে কেন আজও বলো ইশারায় পার হতে সমুদ্র বহুদূর? আবছা কুয়াশা ভেবে যেখানে রেখেছি হাত, অন্ধকার চুপিসারে হেঁটে আসে—বিকেল চলে গেছে এই ভ্রুকুটিতে থেমে যেতে বলে। …

আরও পড়ুন »

দীর্ঘ কবিতা, কিশোর ঘোষ

 কিশোর ঘোষ   নীল পরির গল্প কিছু গুহ্যকথা, এলোমেলো… কতো দুপুরের বাথরুমে ফোটা ফোটা মাফিয়া-স্নানের চিহ্ন পড়ে আছে… লাজুক অন্তর্যামীর ফসলে ভরা, সে অন্য জগৎ সেই অতৃপ্ত-পৃথিবীর আত্মা দেখেছি আমি আধমরা রাত্রির নদীর চরে— মানুষের অসমাপ্ত প্রতিলিপি পোড়াচ্ছে আরেক মানুষ! এসো, মন দিয়ে সেই ইতিহাস খুঁড়ি বেদনার সঙ্গে চেতনার অস্থি-কঙ্কালের …

আরও পড়ুন »

অরুণাভ রাহারায়-এর কবিতা

 অরুণাভ রাহারায়   উড়ান সে জানে রাত্রির গুহা, স্রোতের তপস্যা জল ছাড়া কেউ বুঝি হাসি হতে পারে! সে কেবল বইতে জানে, জেগে ওঠে চরে। বৃষ্টির আবহ তাকে ধাতু জ্বেলে দেয় নদীতে বিষণ্ণ ভাসে মাছের করোটি এই রাতে ভালো নয় কাদের চরিত্র? কাদের কাদের সঙ্গে সন্ধ্যার সাঁতার? খুব বেশি দূরে নয় …

আরও পড়ুন »

অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

 অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় লেখবুদ্ধ প্রত্যেক মানুষের গভীরতম অরণ্যে বসে আছি নির্জনহৃদয়ের বোধিবৃক্ষের নিচে করি ধ্যান অপটু সাধক। চক্ষু নাই, মুখ বেঁকে যায়, চোয়ালের হাড়ে জঙ ধরে দিনে দিনে কখনও মনে হয়, ডান উরুর ওপর দিয়ে চলেছে সারিবদ্ধ পিঁপড়ে শৃঙ্খল। কিন্তু নড়ি না। কখনও মনে হয়, সাপের ঠান্ডা খোলোস পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে উঠছে …

আরও পড়ুন »

তন্ময় মণ্ডলের কবিতা

 তন্ময় মণ্ডল ছায়া নদীর জলে ভেসে থাকে যে ছায়া, আমি তাকে সমর্পিত আত্মা বলি। কত জল বয়ে যায়… পাড় ভাঙে বাঁধ ভাঙে… বেঁচে থাকে, থাকার চেষ্টা করে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ছায়া কত জল শুষে নেয় কালের প্রলেপ। রঙ লাগে, ফিকে হয়… নিয়তিই শেষ কথা বলে সময় সবটা জানে। ভেসে থাকা ডুবে …

আরও পড়ুন »

সৈকত ঘোষ-এর কবিতা

 সৈকত ঘোষ   বিসর্জনের ক্রিয়াপদ একা মাইল-ফলক জানে অপেক্ষার দুটো হাত থাকে। অপেক্ষা শিউলি ঝরা ভোর, অপেক্ষা চাঁদের ভরাট বুকে আলো-আঁধারি ডুবে যাওয়া। যে হাত বসে আছে না ছোঁয়া দূরত্বে তারও একটা জানলা আছে, আছে প্রায় মুছে যাওয়া একটা চিলেকোঠা। ওয়াচ টাওয়ার থেকে যতটা দূরত্ব বোধিবৃক্ষের, যতটা হাজার খণ্ড জুড়ে …

আরও পড়ুন »

সুদীপ চক্রবর্তী’র কবিতা

  সুদীপ চক্রবর্তী সহজে সিদ্ধিলাভ  এবছর ভালোই ছিল চোরাচালানের বাজার সীমান্তে দাঁড়িয়ে আছে ট্রাক, বেশ চাহিদা ছিল গাঁজার, মদের আয়ই শ্রেষ্ঠ আয় প্রমাণ করেছে রাজ্য। এখন বন্ধুবান্ধবদের মধ্যেই কেউ কেউ অ্যাসাইলামে যায়, আমরাও তো বেশ কেটে যাচ্ছে লোন শোধ আর টাকা জমাবার অঙ্গীকার নিয়ে। দেশ সম্পর্কে জরুরি মতামত দিই ঠেকে …

আরও পড়ুন »

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

 সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়   এক একটা খুন থাকে সমুদ্রে দলবেঁধে বেড়াতে যায় লোকে সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে তবু প্রত্যেকে অসামান্য একা হয়ে যায় “ওশেনিক টিউলিপ” রিসর্টের মাথায় চাঁদ ওঠে, ঝাউবনে জেগে ওঠে অজানা মাছের কঙ্কাল লোনাজল, লং ড্রাইভ, লোনা ঠোঁটের দিন শেষ হয়ে আসে, বালিতে পড়ে থাকে বিষণ্ণ ভদকা ও গোলাপি চটির …

আরও পড়ুন »

সৌম্যজিৎ আচার্য-এর কবিতা

 সৌম্যজিৎ আচার্য   এখানে কোনও বাধানিষেধ নেই প্রতি ছাদে মেলা আছে লোক প্রতিটা জানলায় ঝুলছে তরুণীরা তুমি চাইলে যাকে ইচ্ছে বেছে নিতে পারো এ শহরে কোনও বাধানিষেধ নেই এখানে বাড়ির দালানে বয়স্কদের গমের মতো শুকতে দিয়েছে কেউ তাদের কাছে গল্পের জন্য যাও এ গাছ থেকে অন্য গাছে চলে গেছে তার …

আরও পড়ুন »

সুমন মল্লিকের কবিতা

 সুমন মল্লিক   স্বপ্নভঙ্গ কীভাবে কুরে কুরে খায় বুকের মাটি ফুলে ওঠে অভিমানে, কিছুটা ঘোরতর অনুশোচনায় ৷ কেউ নয়, শুধু অঙ্গ জানে স্বপ্নভঙ্গ কীভাবে কুরে কুরে খায় ৷ রাতের সংসার এলোমেলো, দিনে তরীখানি টেনে উপভোগ করি না কিছুই, অধর্মে পালন করি ভিখু মনের উপবাস– কখনও কখনও নিমেষে আলো হয়ে দেখা …

আরও পড়ুন »