Breaking News
Home / সান-ডে ক্যাফে / কবিতা (page 4)

কবিতা

‘বর্ষামঙ্গল’, উন্মাদ জলের ডায়েরি, যখন ‘বৃষ্টি আসলেই নিজেকে স্পষ্ট দেখা যায়!’

 সুভান বর্ষামঙ্গল – ২ তুমুল বৃষ্টি পড়ছে। রাতের দিকে এমন বৃষ্টি পড়লেই নিজেকে কেমন যেন আরও স্পষ্ট দেখা যায়। আরও স্বচ্ছ দেখা যায়। মায়ের গা থেকে আলো ছিটকে আসে। ঘর জুড়ে যদিও তীব্র অন্ধকার।পাড়ার একটা ফেজ উড়ে গেছে আর দুর্ভাগ্যবশত আমাদের বাড়িসহ দু-তিনটে বাড়িতে কারেন্ট নেই। অন্ধকার ঘরে মোমের আলোয় …

আরও পড়ুন »

কমলেশ পালের গুচ্ছ কবিতা, দিনান্তের নিমফুলগুলি ২

নিমফুল ১৫ জোস্নায় চাঁদের লাশ ভেসে আছে পুকুলের জলে থাকবো না এ অসহ্যে চলে যাবো নক্ষত্রমন্ডলে   নিমফুল ১৬ আমার ও আলেয়ার শয্যা এক, গ্যালাক্সি আলাদা। আমাদের একটাই দূরবিনে থাকে দুটি ধ্রুবতারা।   নিমফুল ১৭  পাথর গড়াতে চায়, গড়াতে পারছে না। শিকড়েরা আঁকড়ে রয়েছে… ঘিরে আছে ঘাসশিশু, ব্যাকুল লতাটি।   …

আরও পড়ুন »

আজ বাইশে শ্রাবণ: ‘চাপা কান্না ফুটেছে চাঁপার গায়ে, সারাদিন অফুরান বৃষ্টি হবে আজ’

 শাশ্বত কর:   বাইশে শ্রাবণ চাপা কান্না ফুটেছে চাঁপার গায়ে দুটো চারটে মাছ জলের আকাশ থেকে হাওয়ার আকাশে ঠোঁট পাতলো   ধুলোর দেশ আলগোছে চাপা পড়েছে শুভ্র টেবিল ক্লথে জানলায় বৃষ্টি ভেজা ঝাপসা আলো   ঝাপসা আলোয় একটা পথ থাকে পথ ধরে আনাগোনা চলে চেনা অচেনায়: অলিতে গলিতে মুখ, অজস্র …

আরও পড়ুন »

আজ বাইশে শ্রাবণ: ‘চুল্লিতে বাবাকে ঢোকানোর আগে রবীন্দ্রনাথের মুখাগ্নি করলাম আমি’

 কিশোর ঘোষ: বাইশে শ্রাবণ সেই রাতে যতদূর চোখ যায়… বাবার মুখাগ্নি, আর কেউ নেই মহাকাশে ধুপকাঠি তারা, কান্নার ম্যাটাডোর নিমতলাগামী   সেই অক্টোবরে শ্রাবণের বৃষ্টি, বিধবা আকাশ জলে ধুয়ে মার শাড়ি সাদা হয়ে গেল! চোখ মোছার চেয়েও কম সময়ে অতীতের শবদেহ শ্মশানে পৌঁছলো   চুল্লিতে বাবাকে ঢোকানোর আগে রবীন্দ্রনাথের মুখাগ্নি …

আরও পড়ুন »

আজ বাইশে শ্রাবণ: ‘তারচেয়ে বুকে রবীন্দ্রনাথ জড়িয়ে, ছেঁড়া শহরে ইতস্তত’

 সৈকত ঘোষ:   বাইশে শ্রাবণ ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনে কিছু রোবট পাশাপাশি, মিনিস্কার্টে রবীন্দ্রসদন প্রতীক্ষা ছিনিয়ে নিয়েছে কক্ষচ্যুত উপগ্রহ আপাতত কে সবচেয়ে বড় শ্রেণিশত্রু সেই নিয়ে একটা র‌্যাপিড-ফায়ার হতে পারে অথবা ঘন্টাখানেক তুমুল বৃষ্টি শনিবারের বারবেলা নয়, রবিবারের মধ্যরাতও নয়: পুরকিবাজির কোনও সময় হয় না। অন ইজ অন তারচেয়ে বুকে রবীন্দ্রনাথ …

আরও পড়ুন »

‘এখন সময় শুধু পাতা ওড়াবার’, অরুণাভ রাহারায়ের কবিতা

অরুণাভ রাহারায়: বিস্ময় এতটা প্রেমিকা তুমি! কবিতা এতটা! মানালি আসোনি তবু এসেছো কলমে। ফুটেছো টবের ফুলে, স্রোতের কিনারে… আমাকে বিনম্র করো। বেশি রাত জেগে তোমাকে লেখার জন্য বসে আছি হোটেলের ঘরে বেড়াতে এসেছে যারা, কেউ তো জানে না এখানে তুমি যে রোজ খাদ থেকে তুলে সূর্যকে জ্বেলে দাও পাহাড়শিখরে…   …

আরও পড়ুন »

‘বাড়ির ভেতর একচোখা চাঁদ, বাসি ম্যাক্সির স্ট্র্যাপ চিবায়’, প্রত্যূষা সরকারের কবিতা

 প্রত্যূষা সরকার: আনবাটন কপাল থেকে নুন ঝরে পড়লে তোমার চকচকে গালে আফটার সেভ হয়ে যাই গা বেয়ে নামতে থাকে আবিরে ধোঁয়া সম্পৃক্ত বসন্ত কুঁচকানো ক্রোড়পত্রে লিখে দেয় আমাদের খোলামেলা অভিযোগ মই বেয়ে ঢলে পড়ে আগুন বাড়ির ভেতর একচোখা চাঁদ বাসি ম্যাক্সির স্ট্র্যাপ চিবায় আমি কখনোই লেট নাইট মুভি দেখিনি লেট …

আরও পড়ুন »

সৌম্যজিৎ আচার্য’র কবিতা, ‘সমুদ্রের নীচে একটা লোক বেলুন বিক্রি করছে….

 সৌম্যজিৎ আচার্য সাঁতারু সমুদ্রের নীচে একটা লোক বেলুন বিক্রি করছে ছোট বড় সেসব বেলুন কিনে নিচ্ছে মাছরা এ সমুদ্রে কোনও মাছই সাঁতার জানে না তাই প্রত্যেকটা মাছ বেলুনে চেপে ঘুরছে এ দৃশ্য ওপর থেকে দেখছে একজন সেই এ পৃথিবীর শেষ সাঁতারু কেন কে জানে, সে সাঁতার কাটতে পারছে না মাছ …

আরও পড়ুন »

কমলেশ পালের গুচ্ছ কবিতা, দিনান্তের নিমফুলগুলি

নিমফুল ১ পাখি উড়ে গেছে। বুকের উপরে তার একটি পালক শুয়ে আছে সন্ধ্যার মতন।   নিমফুল ৩ চাঁদনিতে নিজেরই ছায়াকে জড়িয়ে জাপটে পড়ে আছি… আহা রাস   নিমফুল ৪ সিবিচে একাকী সারারাত… নিজেকে উজাড় করে পান ক’রে চলি। সমুদ্র নিঃশেষ হয়ে যায়…   নিমফুল ৫ ঈষৎ রিরংসা ছাড়া পানসে মতন …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা: বুদ্ধদেব হালদারের দুঃস্বপ্নের ডায়েরি থেকে দু’টি

 বুদ্ধদেব হালদার   দৌড়াও ইঁদুর, দৌড়াও   এসব লিখে রাখছি আগেই। হয়তো পাগল হয়ে যাব একদিন। আজ ভোররাতে এক বহুতলের সিঁড়ি হারিয়ে ফেলেছিলাম আমি। আর সকলেই তখন নিজের কেরিয়ার নিয়ে ব্যস্ত, নিভা ব্যস্ত তার ছেলে আর বরকে নিয়ে। ফাহিমা ব্যস্ত তার ধর্ম নিয়ে। পশ্চিমবাংলার কবিরা ব্যস্ত ছিলেন কামড়াকামড়ি আর পুরষ্কার …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, ‘হিটলার সাদ্দাম নেপোলিয়ান বুদ্ধবাবুরও যা হয়েছিল!’

  সৈকত ঘোষ   ফারিস্তা চৌকাঠে মৃত্যু এসে দাঁড়ালে তুমি কি অস্থির হবে না? চোখ ছলছল করবে না, ভেসে উঠবে না প্রিয় মানুষের মুখ? ফুলের কোনও ধর্ম নেই, শিশুর কোনও ধর্ম নেই অসহায় মানুষের কোনও ধর্ম নেই রাজনীতি নেই কার ওপর অভিমান করবে তুমি! পতনের আগে এরকমটা হয়, হিটলার সাদ্দাম …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, অসময়ের তর্পণ লিখলেন কিশোর ঘোষ

 কিশোর ঘোষ   তর্পণ   আমাদের কালো দিন, আমাদের কালো হাতে গড়া এই যে লোডশেডিঙ… আমরা নিভিয়েছি জোছনা আমাদের আলোদিন নিয়ে গেল লোভের শেয়ালে…   এই যে ছায়ার ঋণ, গাছ কেটে শোধ করি পাপ! অভাবে পাগল ছুট—মাথা ভরা অফিসের বাস এই যে জলের মাছ জলকে ভুলেই বাঁচে-মরে…   যেহেতু স্নানের …

আরও পড়ুন »

চেনা শরতের অজানা কাহিনি

পার্থসারথি পাণ্ডা :  তখন মাঝরাত। সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র ও তাঁর কাজের লোক রাধু বালিগঞ্জের রাস্তায় কুড়িয়ে পেলেন সদ্যজাত এক শিশুকে। কাপড়ে মুড়ে তাকে রাস্তার ধারে ফেলে গিয়েছিল কেউ, শরৎচন্দ্ররা যেই তার কাছাকাছি আসতেই প্রচণ্ড ক্ষিদেয় শিশুটি কেঁদে উঠেছিল। তার সেই কান্নার সুরে শরৎচন্দ্রের বুকের ভেতর কেমন যেন তোলপাড় করে উঠেছিল, সঙ্গে …

আরও পড়ুন »

শঙ্খ ঘোষ ও গনেশ হালুই প্রকাশ করলেন রণজিৎ-হিরণের যুগলবন্দি

কিশোর ঘোষ: ২৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সন্ধ্যায় গড়িয়াহাটের একটি ক্যাফেতে প্রকাশিত হল রণজিৎ দাশ ও হিরণ মিত্রের যুগলবন্দি ‘যখন কামনা জাগে’। বলা বাহুল্য এই বইতে আছে রণজিৎ-এর কবিতা ও হিরণের ছবি। বইটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন কবি শঙ্খ ঘোষ ও চিত্রি গনেশ হালুই। উল্লেখ্য, কবিতা ও চিত্রশিল্পের যুগলবন্দি বইটির দাম ১২০০ টাকা। …

আরও পড়ুন »

সৌম্যজিৎ আচার্যের ২টি কবিতা

সৌম্যজিৎ আচার্য   একটা ট্রেন,একটা রাত,এক আকাশ আর একটা লোক তারা ভরা আকাশের নীচে এক ট্রেন ট্রেনে এক যাত্রী… অন্ধকার রাত। কোনও এক প্রেমিকার ছড়ানো চুলের মতো… মাঝে মাঝে আলোর চিহ্ন যেন দূর আকাশের বিবাগী তারা অস্বীকার করছে আকাশের অসীমতা… লোকটা দেখছে রাতকে, রাত দেখছে আকাশকে, আকাশ ট্রেনকে- ট্রেনটা চলে …

আরও পড়ুন »

ছবি ও কবিতায় উত্তর শিলালিপির  বর্ষা শেষের সন্ধ্যা 

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ গত ৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় সল্টলেকের একটি ক্যাফেতে ছিল উত্তর শিলালিপির শেষ বর্ষার আয়োজন। যেখানে ছবি ও কবিতার সম্পর্ক নিয়ে বললেন শিল্পী শুভাপ্রসন্ন ও কবি সুমন গুন। আমরা জানি, বহু চিত্রকর কবিতা থেকে অনুপ্রাণীত হয়ে ছবি এঁকেছেন, তেমনি একজন কবিকে কবিতা লিখিয়ে নিয়েছে একটি অসামান্য ছবি। সে সব …

আরও পড়ুন »