Breaking News
Home / সান-ডে ক্যাফে

সান-ডে ক্যাফে

কাঁদবেন বলে ছুটি চাইলেন কবি! ধর্ষিত বিষাদ-অক্ষর কিশোর ঘোষের কলমে

 কিশোর ঘোষ কান্নাবান্না কী সব ঘটে যায়, অফিসের দিকে তাকিয়ে ভাবি, অফিস আমার দিকে কড়কড়ে হাসে, কী সব ঘটেই চলে… হলুদ রাস্তা প’ড়ে রাস্তার পাশে, রাস্তা পায়নি বলে ‘কী সব’ ঘটিয়ে ফেলেছে! ফুল তুলতে আসা সাজি, ধর্ষণ করল পুজোকে, দুঃখের সিন্দুক থেকে দু’ফোটা চোখ ঝরে পড়ল শহরে দু’দিনের জন্যে! # …

আরও পড়ুন »

‘মুখে মুখ দিয়ে ছিনিয়ে নিচ্ছি চুম্বন আর ভাত’, কবিতাগুচ্ছ, সবর্না চট্টোপাধ্যায়

 সবর্না চট্টোপাধ্যায় খিদে কিছুটা স্তব্ধ হলে ভাবি কিভাবে কেটে যাচ্ছে রাত। মুখে মুখ দিয়ে ছিনিয়ে নিচ্ছি চুম্বন আর ভাত! আচমকা ধাক্কা দিলে যতটা চমকে উঠি, তুমি যেদিন অস্বীকার করেছিলে, ভূমিকম্পে চূর্ণ হল মাটি। অথচ কিভাবে ফ্যাকাশে হতে হতে আমিও বুঝে নিলাম আসলে যৌনতা কী! কিছুটা বর্গক্ষেত্রের ভুলে পরিসীমা আর ক্ষেত্রফলের …

আরও পড়ুন »

বাংলা কবিতার চার গ্র্যান্ড কবির একজন, মাতৃভাষার আয়ু বাড়াতে এসেছিলেন শক্তি

 কিশোর ঘোষ: বাংলা ভাষায় হাতে গোণা গ্র্যান্ড কবি, তাঁদের একজন শক্তি। শক্তি চট্টোপাধ্যায়। আসলে প্রত্যেক ভাষায় মাঝেসাঝে এমন একেকজন আসেন, যাঁরা আসেন বলে সেই ভাষার আয়ু আরও পঞ্চাশ কী একশো বছর বেড়ে যায়। কেন বাড়ে? কারণ তাঁর লেখার শক্তিতে, সামর্থে সেই ভাষার কাছে আসতে বাধ্য হয় হাজার হাজার, কখনও বা …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, কমলেশ পাল

 কমলেশ পাল:   কী জানি চন্দনচুয়া কী জানি চন্দনচুয়া চুনেতে খয়ের চুমুতে নারীকে আর রাঙাতে পারি না জাঁতি ভোঁতা, পুরুষাঙ্গ কুচাতে পারি না আদরিনী পানপাতা ভালবাসা চায় চুনখয়েরের সাথে জর্দা গুয়া চায় না পেয়ে বিক্ষুব্ধা নারী যজ্ঞে চলে যায় কী যে করি? বৃদ্ধদশা সুপারি বর্তুল শঙ্খফুঁকে যতো পারো প্ররোচিত করো …

আরও পড়ুন »

ধারাবাহিক ‘ভাষার ভাসান’, আজ ‘পেটকাটা মূর্ধন্য ষ’, ‘খিঁয়, ‘ঋ-ফলা’ কোথাকার!

 সংকল্প সেনগুপ্ত: বাংলা ভাষা জীবনানন্দে (দাশ) যা সতীনাথে (ভাদুড়ী) তা না, হুতুমে যেমন তার থেকে বহু গুণে আলাদা ত্রৈলোক্যনাথের  (মুখোপাধ্যায়) বাক্য সমন্বয়। এইরকম করে শক্তি (চট্টোপাধ্যায়) থেকে কমলকুমার (মজুমদার) আলাদা, শিবরাম (চক্কোত্তি) থেকে হিমানীশ (গোস্বামী), তারাপদ (রায়) থেকে শীর্ষেন্দু-সুনীল-উৎপল-জয়-মৃদুল-সুবোধ, কিংবা স্বদেশ থেকে নবারুণ (ভট্টাচার্য) ঘুরে কমল (চক্রবর্তী) হয়ে হাল আমলে …

আরও পড়ুন »

ধারাবাহিক কাহিনি, ‘কাশীনাথ বামুন’, আজ শেষ পর্ব

 সৌমিককান্তি ঘোষ গত সংখ্যার পর… তার ভরন্ত ফরসা মুখে দীঘল কালো চোখ, বাঁ ঠোঁটের নীচে কালো তিল। তাড়াতাড়ি চোখ নামিয়ে নেয় কাশীনাথ। ঘটি নিয়ে আলগোছে জল খেয়ে বাঁ হাতের চেটো বুকের উপর রেখে হাঁফ ছাড়ে নাসিফা। ডুকরে উঠে বলে, “আব্বু আমাকে আর ঘরে তুলবেনি, জাহান্নামে বাস হবে গো আমার।” আবার …

আরও পড়ুন »

কবির প্রলাপ! ‘জেন্ডারলেস পৃথিবীর দর্শন’

 সৈকত ঘোষ   জেন্ডারলেস পৃথিবীর দর্শন সিঁড়ি ভাঙা অঙ্কগুলো ফ্যাকাসে বেগুনি কিংবা লাল। লালচে সকাল পেরিয়ে নেশাবন্ধনী, আগুন ছুঁয়েছে অসম নীলাচল। জানলায় বিমূর্ত কন্টিনিউয়াস। আমি সমুদ্র খুঁজেছি। সেলুলয়েডে চোখের নুন। যেটুকু তোমার ভাস্কর্য, যেটুকু উজান দু-এক দানা চিনি আপাত মিছিল থেকে খুঁটে নেয় হাইব্রিড শিরোনাম # আমি রোদ চিনেছি, সম্পর্ক …

আরও পড়ুন »

ধারাবাহিক কাহিনি, ‘কাশীনাথ বামুন’

 সৌমিককান্তি ঘোষ   কাশীনাথ বামুন গত সংখ্যার পর—   ২ “ঠাকুর এসেছে গো” উঠোন থেকে সদানন্দের বউ হাঁক দেয়, “টিনের দোরে আসনটা দাও, বসুক ওখানে, আমি আসছি”, মাথায় কাপড় দিয়ে ঘর সংলগ্ন টিনের ছাউনির তলায় আসন বিছিয়ে দেয় সদানন্দের বৌ। “ঠাকুর এইখানে বসুন, ও আসছে,” ধুতির কোঁচা সামলে কাশীনাথ মুখে …

আরও পড়ুন »

ধারাবাহিক ‘ভাষার ভাসান’, আজ ‘ভটভটিতে ভটচাজের বউ, আর্যর বাংলায় আগমন’

 সংকল্প সেনগুপ্ত: বাংলা ভাষা জীবনানন্দে (দাশ) যা সতীনাথে (ভাদুড়ী) তা না, হুতুমে যেমন তার থেকে বহু গুণে আলাদা ত্রৈলোক্যনাথের  (মুখোপাধ্যায়) বাক্য সমন্বয়। এইরকম করে শক্তি (চট্টোপাধ্যায়) থেকে কমলকুমার (মজুমদার) আলাদা, শিবরাম (চক্কোত্তি) থেকে হিমানীশ (গোস্বামী), তারাপদ (রায়) থেকে শীর্ষেন্দু-সুনীল-উৎপল-জয়-মৃদুল-সুবোধ, কিংবা স্বদেশ থেকে নবারুণ (ভট্টাচার্য) ঘুরে কমল (চক্রবর্তী) হয়ে হাল আমলে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, মিহির সরকার

 মিহির সরকার মৃত  চন্দ্রবোড়া তখন আমাদের নিত্য-নতুন ভাঙা-গড়ার খেলা আমাদের নিয়ে বাতাসে বাতাসে রঙিন গল্প-বেলা আমরা বায়ু, আমরা আগুন, আমরা নতুন প্রথা দিগন্তজুড়ে ধানক্ষেত আর ঘরের অন্নদাতা। রাক্ষস তাড়াই, ভাঙি রোজ, ভূতের যত ঘর আমরা তখন ভগবানেরও ভীষণ ভয়-ডর আলোর রথে, আঁধার-ঘোড়ায় আমরা যাযাবর গভীর রাতে দুনিয়া কাঁপানো আমরা তুফান-ঝড় …

আরও পড়ুন »

ধারাবাহিক কাহিনি, ‘কাশীনাথ বামুন’

 সৌমিককান্তি ঘোষ   কাশীনাথ বামুন কাশীনাথ দরজা খুলতেই পশ্চিমের পড়ন্ত আলোয় মায়ের মুখটা চিক্ চিক্ করে উঠলো। “কী রে বেটি তোর রাগ হয়েছে নাকি? সকালে আসতে পারিনি,, শরীরটা ভালো নেই, ঠিক যুত পাচ্ছি না।” নিজের মনেই বিড়বিড় করতে থাকে কাশীনাথ। চাবি যুদ্ধ তালাটা ভিতরের জানলার নিচে রাখে। হাঁটুতে চাপ দিয়ে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের গল্প, ‘মেরা মেহেবুব আয়া হ্যায়’

 সীমিতা মুখোপাধ্যায়   মেরা মেহেবুব আয়া হ্যায় “দিদিমুনি ও দিদিমুনি, দরজা খোলো!” হরিকাকার গলা। হরিকাকা এ-বাড়িতে আছে বাহারের জন্মের আগে থেকে। কোথায় তার দেশ, কে কে ছিল তার পরিবারে এ-সব কথা হরিকাকা নিজেই আজ বিস্মৃত। বাহার যখন দুধের শিশুটি, হঠাৎই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে বাহারের মা ইহলোক ছেড়ে চলে যান। তারপর …

আরও পড়ুন »

২৩ অক্টোবর, সুনীলদার শবযাত্রা, মৃত্যুর দিক

 অভিজিৎ বেরা একটা মৃত্যু তোমাকে কী কী এনে দিতে পারে? কী আবার! একটা আদিগন্ত শূন্য মাঠ। একলা হয়ে যাওয়া একটা রোববারের সকাল। একটা যাত্রীবিহীন ট্রাম। তার ঘন্টা বেজে চলেছে তো চলেইছে। তবু কেউ উঠছে না। একটা শহর যেখানে মড়ক না কী যেন লেগেছে। কোনও জনমানবের চিহ্ন পর্যন্ত নেই। আর আমি …

আরও পড়ুন »

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্য গল্প, দ্বারকানাথের মেজদাদু

 দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়:   দ্বারকানাথের মেজদাদু দ্বারকানাথ ভূতে বিশ্বাস করেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বিশ্বাস আবার কী? এ তো উপলব্ধি। উপলব্ধিটাই আসল।’ তবে দ্বারকানাথ ভূত-প্রেত সম্পর্কে যা বলেন তা কেবল উপলব্ধি বা অনুমানেই আটকে নেই। বরং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা! তিনি নিঃসন্দেহ যে তিনি আত্মা দেখতে পান। এই বিষয়ে তাঁর বলার ধরনটাও …

আরও পড়ুন »

‘ভাষার ভাসান, বাংলাবাজি’, সংকল্প সেনগুপ্তর নতুন ধারাবাহিক

 সংকল্প সেনগুপ্ত: বাংলা ভাষা জীবনানন্দে (দাশ) যা সতীনাথে (ভাদুড়ী) তা না, হুতুমে যেমন তার থেকে বহু গুণে আলাদা ত্রৈলোক্যনাথের  (মুখোপাধ্যায়) বাক্য সমন্বয়। এইরকম করে শক্তি (চট্টোপাধ্যায়) থেকে কমলকুমার (মজুমদার) আলাদা, শিবরাম (চক্কোত্তি) থেকে হিমানীশ (গোস্বামী), তারাপদ (রায়) থেকে শীর্ষেন্দু-সুনীল-উৎপল-জয়-মৃদুল-সুবোধ, কিংবা স্বদেশ থেকে নবারুণ (ভট্টাচার্য) ঘুরে কমল (চক্রবর্তী) হয়ে হাল আমলে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, দীপান্বিতা সাধুখাঁ

 দীপান্বিতা সাধুখাঁ:   শুভ জন্মদিন প্রিয়, কেমন আছো? ভালো থাকো সব সময় এই কামনা করি। চিঠি লিখছি আজ একটা বিশেষ দিন। তোমার জন্মদিন। শুভেচ্ছা নিও আমার। আজ হৃদয়ের ভিতর থেকে দীর্ঘশ্বাস আমাকে ধাক্কা দিচ্ছে। কেন জানো ? এমন দিনে তোমার পাশে আমি থাকতে পারিনি বলে। নীশিথের জ্যোৎস্না আমাকে অনেক কাছে …

আরও পড়ুন »