রঙ্গীত মিত্র পরিত্যক্ত পুকুর ——————– ভাঙা পাঁচিলের পিছনের অতীত মধ্যরাতে বাদুড়ের সঙ্গে কথা বলে। বাস্তুসাপ মেপে নেয় ছায়ার দূরত্ব যদিও ছায়ার কোনও রং থাকে না। শুধু হারিয়ে যাওয়া কোনও নির্বোধ হাত তাকে ঠেলে ফেলে দিয়েছিল, পুকুরে। এখনো কান পাতলে আর্তনাদ শোনা যায় বড় দেরি হয়ে গিয়েছিল। পরিত্যক্ত পুকুর …
আরও পড়ুন »আজ লোকটার ভেতরে শীত, বাইরে পৌষ, সব্যসাচী হাজরা’র কবিতা
সব্যসাচী হাজরা লোকটা-১ দঙ্গলভাইরা কোথাও জেগে থাকে শ্মশানের ম্যাপে আগুনের ভাইহো চলার হুবহু বলো থাকেনা থাকেনির বিয়েতে আমাদের পোড়ানো হ’লে লিঙ্গছাই লাগানোভস্ম উপহারে পাবে দাঁত পর্যন্ত কাটা পড়লো লোকটার হাসি- লোকটার হারানো মহারাজ রোজকার ঘন মানুষে আলো ফোটানোর কারসাজি আমরা মানুষটানা প্রকৃতি দেখে গাছ লাগাতে পারি এক শ্রাবণ বাজানো বাজ …
আরও পড়ুন »রবিবারের কবিতা, কিশোর ঘোষ
কিশোর ঘোষ চলুন বেড়িয়ে আসি ছুটি কি শালুকফুলের মূল? পিংলার পলিউশনহীন তারা? রাতের মতোন দিন পার হয়ে যে রাতে পৌঁছলাম আমরা! এখানে চাঁদই ছাঁদ, জ্যোৎস্নার ডানায় পাখি উড়ে বসে গতজন্মে… আর মাটির আজানের মতো সহজ মসজিদ সকাল ওড়ায় হাওয়ায় দুই শিশু-ঘুড়ি এবং হাঁস ডুব দিল জলে, জল ডুব দিল হাঁসে …
আরও পড়ুন »রবিবারের কবিতা, কমলেশ পাল
কমলেশ পাল করবীকে দেখো করবী সকল পাতা হলুদ বানিয়ে বসে আছে। আমি যে কালকে ওকে সবুজ রঙের সতেরোটা অ্যাক্রেলিক টিউব দিলাম… সেগুলো কি হতচ্ছারি হারিয়ে ফেলেছে? নাকি ওকে বদরাগি চাঁড়াল সূর্যটা ঠাসঠাস করে কটা থাপ্পড় মেরেছে অকারণ… নাকি ঘূর্ণি খামচে ছিঁড়েছে ওর চুল? করবীর অভিমান বিমর্ষ-হলুদ চিরদিন। কন্যার বিমর্ষ ধুতে …
আরও পড়ুন »রবিবারের গল্প: ত্রি
সীমিতা মুখোপাধ্যায়: ত্রি দু’ঘন্টা ধরে তিনটি মেয়ে গাড়ির মধ্যে বন্দি। বাইরে প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তীব্র বেগে হাওয়া বইছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি, ঘনঘন বজ্রপাত। পেখম, মেখলা আর মাটিল্ডা— প্রবাসী বাঙালি, কানপুরে থাকে। ওরা নিজেদের মধ্যে বাংলাতেই কথা বলে। যখন কোনও অবাঙালির সঙ্গে কথা বলার দরকার পড়ে তখন লোক বুঝে যোগাযোগের মাধ্যম …
আরও পড়ুন »‘অফুরান গোলাপ নিয়ে চুলের ফিতে বুনছি’, ৩টি কবিতা, মৌমিতা পাল
মৌমিতা পাল: মওকা বুঝে এসেণ্সবুড়ি ফুটপাথে ঘুমোক ভালোবাসা নিপাত যাক দৃশ্যত কামাতুর রাতে দূরত্বে প্রেম কাছে এলে অর্গাজম বাজে বচ্ছরকার বেনো জলে প্রেমিকের নাটুকে প্রেমে সোনার ল্যাজ গড়ে প্রেমিকের প্রেমিকার মুখ আয়নাকে অতিক্রম করতে করতে লম্বা চিঠি লিখেই দেব ,মনোটনি প্রস্তুত হও প্রিয়তম ,প্লেটোকেও চিনে রাখো পারলে সম্ভব হলে মেট্রোর …
আরও পড়ুন »কাঁদবেন বলে ছুটি চাইলেন কবি! ধর্ষিত বিষাদ-অক্ষর কিশোর ঘোষের কলমে
কিশোর ঘোষ কান্নাবান্না কী সব ঘটে যায়, অফিসের দিকে তাকিয়ে ভাবি, অফিস আমার দিকে কড়কড়ে হাসে, কী সব ঘটেই চলে… হলুদ রাস্তা প’ড়ে রাস্তার পাশে, রাস্তা পায়নি বলে ‘কী সব’ ঘটিয়ে ফেলেছে! ফুল তুলতে আসা সাজি, ধর্ষণ করল পুজোকে, দুঃখের সিন্দুক থেকে দু’ফোটা চোখ ঝরে পড়ল শহরে দু’দিনের জন্যে! # …
আরও পড়ুন »‘মুখে মুখ দিয়ে ছিনিয়ে নিচ্ছি চুম্বন আর ভাত’, কবিতাগুচ্ছ, সবর্না চট্টোপাধ্যায়
সবর্না চট্টোপাধ্যায় খিদে কিছুটা স্তব্ধ হলে ভাবি কিভাবে কেটে যাচ্ছে রাত। মুখে মুখ দিয়ে ছিনিয়ে নিচ্ছি চুম্বন আর ভাত! আচমকা ধাক্কা দিলে যতটা চমকে উঠি, তুমি যেদিন অস্বীকার করেছিলে, ভূমিকম্পে চূর্ণ হল মাটি। অথচ কিভাবে ফ্যাকাশে হতে হতে আমিও বুঝে নিলাম আসলে যৌনতা কী! কিছুটা বর্গক্ষেত্রের ভুলে পরিসীমা আর ক্ষেত্রফলের …
আরও পড়ুন »রবিবারের কবিতা, কমলেশ পাল
কমলেশ পাল: কী জানি চন্দনচুয়া কী জানি চন্দনচুয়া চুনেতে খয়ের চুমুতে নারীকে আর রাঙাতে পারি না জাঁতি ভোঁতা, পুরুষাঙ্গ কুচাতে পারি না আদরিনী পানপাতা ভালবাসা চায় চুনখয়েরের সাথে জর্দা গুয়া চায় না পেয়ে বিক্ষুব্ধা নারী যজ্ঞে চলে যায় কী যে করি? বৃদ্ধদশা সুপারি বর্তুল শঙ্খফুঁকে যতো পারো প্ররোচিত করো …
আরও পড়ুন »ধারাবাহিক ‘ভাষার ভাসান’, আজ ‘পেটকাটা মূর্ধন্য ষ’, ‘খিঁয়, ‘ঋ-ফলা’ কোথাকার!
সংকল্প সেনগুপ্ত: বাংলা ভাষা জীবনানন্দে (দাশ) যা সতীনাথে (ভাদুড়ী) তা না, হুতুমে যেমন তার থেকে বহু গুণে আলাদা ত্রৈলোক্যনাথের (মুখোপাধ্যায়) বাক্য সমন্বয়। এইরকম করে শক্তি (চট্টোপাধ্যায়) থেকে কমলকুমার (মজুমদার) আলাদা, শিবরাম (চক্কোত্তি) থেকে হিমানীশ (গোস্বামী), তারাপদ (রায়) থেকে শীর্ষেন্দু-সুনীল-উৎপল-জয়-মৃদুল-সুবোধ, কিংবা স্বদেশ থেকে নবারুণ (ভট্টাচার্য) ঘুরে কমল (চক্রবর্তী) হয়ে হাল আমলে …
আরও পড়ুন »ধারাবাহিক কাহিনি, ‘কাশীনাথ বামুন’, আজ শেষ পর্ব
সৌমিককান্তি ঘোষ গত সংখ্যার পর… তার ভরন্ত ফরসা মুখে দীঘল কালো চোখ, বাঁ ঠোঁটের নীচে কালো তিল। তাড়াতাড়ি চোখ নামিয়ে নেয় কাশীনাথ। ঘটি নিয়ে আলগোছে জল খেয়ে বাঁ হাতের চেটো বুকের উপর রেখে হাঁফ ছাড়ে নাসিফা। ডুকরে উঠে বলে, “আব্বু আমাকে আর ঘরে তুলবেনি, জাহান্নামে বাস হবে গো আমার।” আবার …
আরও পড়ুন »কবির প্রলাপ! ‘জেন্ডারলেস পৃথিবীর দর্শন’
সৈকত ঘোষ জেন্ডারলেস পৃথিবীর দর্শন সিঁড়ি ভাঙা অঙ্কগুলো ফ্যাকাসে বেগুনি কিংবা লাল। লালচে সকাল পেরিয়ে নেশাবন্ধনী, আগুন ছুঁয়েছে অসম নীলাচল। জানলায় বিমূর্ত কন্টিনিউয়াস। আমি সমুদ্র খুঁজেছি। সেলুলয়েডে চোখের নুন। যেটুকু তোমার ভাস্কর্য, যেটুকু উজান দু-এক দানা চিনি আপাত মিছিল থেকে খুঁটে নেয় হাইব্রিড শিরোনাম # আমি রোদ চিনেছি, সম্পর্ক …
আরও পড়ুন »ধারাবাহিক কাহিনি, ‘কাশীনাথ বামুন’
সৌমিককান্তি ঘোষ কাশীনাথ বামুন গত সংখ্যার পর— ২ “ঠাকুর এসেছে গো” উঠোন থেকে সদানন্দের বউ হাঁক দেয়, “টিনের দোরে আসনটা দাও, বসুক ওখানে, আমি আসছি”, মাথায় কাপড় দিয়ে ঘর সংলগ্ন টিনের ছাউনির তলায় আসন বিছিয়ে দেয় সদানন্দের বৌ। “ঠাকুর এইখানে বসুন, ও আসছে,” ধুতির কোঁচা সামলে কাশীনাথ মুখে …
আরও পড়ুন »ধারাবাহিক ‘ভাষার ভাসান’, আজ ‘ভটভটিতে ভটচাজের বউ, আর্যর বাংলায় আগমন’
সংকল্প সেনগুপ্ত: বাংলা ভাষা জীবনানন্দে (দাশ) যা সতীনাথে (ভাদুড়ী) তা না, হুতুমে যেমন তার থেকে বহু গুণে আলাদা ত্রৈলোক্যনাথের (মুখোপাধ্যায়) বাক্য সমন্বয়। এইরকম করে শক্তি (চট্টোপাধ্যায়) থেকে কমলকুমার (মজুমদার) আলাদা, শিবরাম (চক্কোত্তি) থেকে হিমানীশ (গোস্বামী), তারাপদ (রায়) থেকে শীর্ষেন্দু-সুনীল-উৎপল-জয়-মৃদুল-সুবোধ, কিংবা স্বদেশ থেকে নবারুণ (ভট্টাচার্য) ঘুরে কমল (চক্রবর্তী) হয়ে হাল আমলে …
আরও পড়ুন »রবিবারের কবিতা, মিহির সরকার
মিহির সরকার মৃত চন্দ্রবোড়া তখন আমাদের নিত্য-নতুন ভাঙা-গড়ার খেলা আমাদের নিয়ে বাতাসে বাতাসে রঙিন গল্প-বেলা আমরা বায়ু, আমরা আগুন, আমরা নতুন প্রথা দিগন্তজুড়ে ধানক্ষেত আর ঘরের অন্নদাতা। রাক্ষস তাড়াই, ভাঙি রোজ, ভূতের যত ঘর আমরা তখন ভগবানেরও ভীষণ ভয়-ডর আলোর রথে, আঁধার-ঘোড়ায় আমরা যাযাবর গভীর রাতে দুনিয়া কাঁপানো আমরা তুফান-ঝড় …
আরও পড়ুন »ধারাবাহিক কাহিনি, ‘কাশীনাথ বামুন’
সৌমিককান্তি ঘোষ কাশীনাথ বামুন কাশীনাথ দরজা খুলতেই পশ্চিমের পড়ন্ত আলোয় মায়ের মুখটা চিক্ চিক্ করে উঠলো। “কী রে বেটি তোর রাগ হয়েছে নাকি? সকালে আসতে পারিনি,, শরীরটা ভালো নেই, ঠিক যুত পাচ্ছি না।” নিজের মনেই বিড়বিড় করতে থাকে কাশীনাথ। চাবি যুদ্ধ তালাটা ভিতরের জানলার নিচে রাখে। হাঁটুতে চাপ দিয়ে …
আরও পড়ুন »
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news