Breaking News
Home / সান-ডে ক্যাফে (page 5)

সান-ডে ক্যাফে

সুমন গুণের কবিতা

 সুমন গুণ দেবীপক্ষ দূরের বারান্দা থেকে মাঝেমাঝে হাত নেড়ে, একটু দাঁড়িয়ে, তারপরে, ঘরে চলে যেতে। আলো জ্বলে উঠত ঘরে। চারপাশে সুধা ছিল, দেবীপক্ষ ছিল। মাঝে মাঝে বিত্ত ও ব্যঞ্জনা নিয়ে সর্বার্থে প্রস্তুত ছিল ধ্বনি ও তৈজসপত্র, বিপন্ন লেঠেল। এসবই কল্পনামাত্র, কল্পনার মধ্যে আরও কিছু ঘর থাকে, ঘরের অধিক কিছু আন্দোলন …

আরও পড়ুন »

কবিতাগুচ্ছ, সবর্না চট্টোপাধ্যায়

 সবর্না চট্টোপাধ্যায়   মা আর আমি গায়ে জড়িয়ে দিচ্ছি চাদর ধীরে ধীরে উঠে বসে মা। কমে এসেছে দামোদরের জল পাতায় ক্লোরোফিল। হাঁ করে ওঠে কাঁপা দুটো ঠোঁট… আমি ঢেলে দিচ্ছি দুধ, দু’চামচ জল পিঠের ওপর যেন শতজন্মের পাহাড় গিরিখাদে লুকানো মেঘরাশি হাত বুলিয়ে দিই। মাথা নাড়ো। ঝাপসা চোখে তাকিয়ে থাকো, …

আরও পড়ুন »

কবিতাগুচ্ছ, শিমুল সালাহ্উদ্দিন

 শিমুল সালাহ্উদ্দিন   একা মানুষের চিঠি ক. এক বাক্যের দীর্ঘ চিঠি পাখি, হাহাকারের পৃষ্ঠা খোলা রাখি।   খ. এখনো রাত্রিতে, এখনো একলা, কান্না গলে নামে, আ-গলানাভীমূল আমারি ভুল ছিল তোমার চুল ছিল দিগন্ত ছাড়িয়ে স্বাপ্নিক উড্ডীন… তবুও দিনদিন ভুলেই যাওয়া গেছে, যা ছিলো ভুলবার, তোমার ও আমার তবুও কেনো যে …

আরও পড়ুন »

শ্বেতা চক্রবর্তীর কবিতা

 শ্বেতা চক্রবর্তী   দেবী তোমার সংসার বলেছে, তুমি সস্তার মানবী, তোমার সন্তান বলেছে, তোমার চোখের জলে গ্লিসারিন ঝরছে, তোমার মা বলেছে, তুমি গোলাপফুল, কিন্তু গোলাপ বলেই কাঁটা উদ্যত রাখতে হবে, তোমার বন্ধুরা বলেছে, একদিন তোমায় খরতোয়া নদীতে ফেলে দেখবে তুমি সাঁতার ভুলে গেছ কিনা, ছাতিমবীথি ধরে হাঁটতে হাঁটতে তুমি একলা …

আরও পড়ুন »

সুভানের কবিতা

সুভান আমার কবি যখন তোমার কবিতার গুণগানে শহরের সাহিত্য আসর ভরে উঠছে আমার কথা তুমি কখনও ভেবে দেখেছ সুভাষ? আমার কষ্ট থেকে উচ্চারণ থেকে সকলে কেমন ছিনিয়ে নিচ্ছে তোমায়, কিভাবে ফালিফালি মাটিরদর আর জমিনভাগ করে নিচ্ছে… ক্রমশ শূন্যতার মেঘের কাছে আমার বাইশটি শ্রাবণ নত হয়ে বসে আছে… যে অন্ধকারের কথা …

আরও পড়ুন »

সুবোধ সরকারের কবিতা

 সুবোধ সরকার কৃষ্ণ ভালবাসা ঘর পেলে, ভালবাসা আর অত ভালবাসতে পারে না। বারোশ স্ক্যয়ার ফিট তাকে খুন করে। কৃষ্ণ আজও পৃথিবীতে বৃষ্টি হয়ে ঝরে । আইন অমান্য করা যমুনার তীরে যে বাঁশি বাজিয়েছিলে তুমি সে বাঁশি এখনো শোনা যায় শহরে বন্দরে, গ্রামে, পার্ক স্ট্রিটে, গাছের তলায়। আমার ভেতরটা আজও কী …

আরও পড়ুন »

হিন্দোল ভট্টাচার্যের কবিতা

 হিন্দোল ভট্টাচার্য সবিনয় নিবেদন ১ যে কোনও চিঠির মানে বহুদূর নির্জনতাপ্রিয় একটি ঘর, এককোণে টেবিলের পাশে এলোমেলো একাকী কলম, যার কালি থেকে রক্ত ঝরে পড়ে। খোপ কাটা কাটা ঘর, সকলেই ভীষণ আলাদা ঈশ্বরবিশ্বাসী, তাই লণ্ডভণ্ড মুক্তি খুঁজে খুঁজে আসলে হয়রান, নিঃস্ব, বিষাদের দরজা খুলে দেয়। বিষাদ, আলোর ছোঁয়া দিলে, তবে …

আরও পড়ুন »

গুচ্ছ কবিতা, বুদ্ধদেব হালদার

 বুদ্ধদেব হালদার প্রথম কবিতা গুচ্ছ ১ সাদা নরম বেড়াল হয়ে উঠতে ইচ্ছে করে। এবং সাতমহলা কামুকী যোনির আঠায় শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে খুব, এবারের ডিসেম্বরে একটা গুচ্ছ-কবিতা লিখতে পারি। এবং বিনোদ ঘোষালের বাড়িতে গিয়ে চুরি করে ফেলতে পারি তাহার বাহান্ন বেদনা ও বিস্তর বাউল। বস্তুত এক প্রকাশক অদ্ভুত খচে গিয়েছিলেন …

আরও পড়ুন »

সম্পর্ক, সতীন্দ্র অধিকারীর অণুগল্প

 সতীন্দ্র অধিকারী সম্পর্ক গতকাল রাতে তৃণার বলে যাওয়া কথাগুলো এখনও মেনে নিতে পারছে না অমিত। মানুষের সীমা কতদূর… মুখে কি কিছুই আটকায় না আর! ঘুমচোখে পর্দাটা সরিয়ে চোখ মেলে অমিত। না, এখনও ঝিরঝির করে বৃষ্টিটা পড়ছে। দু-তিন বার মাথায় টোকা মারে অমিত। এখনও পুরো মাথাটা যেন ঝিম হয়ে আছে। কাল …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, শুভম চক্রবর্তী

 শুভম চক্রবর্তী   তোমাকে ‘আলিঙ্গন’ শব্দটির আশেপাশে যেসব বেড়ালেরা ঘোরাফেরা করে, তারা ভুল আদরজাতক। যেসব পুঁইমাচা ও খাঁচা বিষয়ে তোমার সঙ্গে আমার দীর্ঘ তর্ক ছিল… তারা কবেই চুকেবুকে গেছে। পুনরায় ইন্তিবিন্তি খেলব বললেই তো আর হয় না। কারণ আমিও পেরিয়ে এসেছি পথ। প্রতিটি তর্জমায় এখন নিজেকেই বড় বেশি চন্দ্রাহত বলে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, অপর্ণা বসু

 অপর্ণা বসু   স্বপ্নঝিনুক স্বপ্নঝিনুক ভাঙল যখন মুক্তোদানা চোখের জল ধরিয়ে দিয়ে আমার হাতে বললে তুমি, “বন্ধু চল “। চলতে সেদিন স্বপ্নাবেশে ধরেছিলাম তোমার হাত আজকে শুধুই ধূসর পথে চোখের জলে পিছল রাত। বন্ধু তবু স্বপ্ন বুনি রাতের শেষে আসবে ভোর নতুন দিনের আলোয় গাবে প্রজাপতি স্বপ্ন মোর । সে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়

 নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়: মনে পড়বে খুব ভালবাসার মতোই— যদি নাম দিতে তার হয়, এর বেশি আর বুঝি না তাই বুঝিয়ে বলার নয়। দুপাশে জল, মধ্যে একটা প্রাচীনমতো সাঁকো জোনাকিদের মতোই তুমি হঠাৎ জ্বলে থাকো। লতার মতো সহজ রাস্তা পাহাড় বেয়ে নামছে অনেক ঘুরে দিনের আলো এবার যেন থামছে। পাখিরা সব ফিরে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, দেবরাজ চক্রবর্তী

 দেবরাজ চক্রবর্তী অপত্য জননী এমন কথা শুনিনি কখনও কলঙ্ক দোষে দোষী তোমার সন্ততি আজন্ম রক্তের স্বাদ পেয়েছে যে জন নিঃশ্বাস বন্ধ রেখে মুছে দেয় রতি সে তোমারই ঈশ্বরের গর্ভজাত নাম হরিনামে ঢেকে দেয় তার রাঙা মুখ মরণ দুহাতে রাখে বিদ্যুতের মতো মাথায় আগুন রাখে, বর্শায় বুক।

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, সুদীপ্তা রায়চৌধুরী

 সুদীপ্তা রায়চৌধুরী তিনি ও তুই বৃষ্টি ধোয়া ফুটপাথ, তারা খসার আলো, তোর হেঁটে যাওয়া মন শরীরের অলি গলি, গবলেটে জমানো এক পেগ মেঘ, এই মর পৃথিবীর নাভিতে সমর্পণের আত্মজলে লেখে অবিনশ্বর ভালোবাসার ধারাবাহিক কাব্যকথা… তারপর? মৃত্যুর ঘ্রাণ এড়িয়ে ভুবনডাঙার মাঠ পেরোবে কালপুরুষ, এলোমেলো আলাপচারিতা জল মাখা সাদা কালো অলিন্দে পোড়াবে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, সতীন্দ্র অধিকারী

 সতীন্দ্র অধিকারী   ভৌতিক কখনোই চাইনি একটা কালো বিড়াল আমাকে প্রদক্ষিণ করুক সর্বক্ষণ! আর আমি একটা উঁই-লাগা তক্তাপোশের নিচে উবু হয়ে কাটিয়ে দিই সারাটা সকাল। আর ছটফটাক স্বর্ণ চালেরা… # মনে হয় কে যেন রবারের মতো লাথি মারতে মারতে আমাকে ঠেলে দিতে চায় মহাশূন্যের ভিতর! উঁচু সারসের মতো দু-হাত আঁকা অনন্ত …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, শ্রাবণী গুপ্ত

 শ্রাবণী গুপ্ত: অসুখ জীবন একলা বিকেল হলুদ আলোয়, অতর্কিতে প্রশ্ন তোলে… এই যে জীবন, কেমন আছি? একটা আঙুল আঙুল খোঁজে, নষ্ট শরীর কষ্ট বোঝে…. এই তো সময়, যেমন বাঁচি! অকালবোধন আকাশ জুড়ে, কিশোর আজও পাথর ছোড়ে… কি লাভ তবে? প্রবোধ মেনে স্বাধীনতা, পথ না চিনেই হাঁটতে থাকা…. শেষের সুদিন আসবে …

আরও পড়ুন »