Breaking News
Home / সান-ডে ক্যাফে (page 3)

সান-ডে ক্যাফে

রবিবারের গল্প, ‘মেরা মেহেবুব আয়া হ্যায়’

 সীমিতা মুখোপাধ্যায়   মেরা মেহেবুব আয়া হ্যায় “দিদিমুনি ও দিদিমুনি, দরজা খোলো!” হরিকাকার গলা। হরিকাকা এ-বাড়িতে আছে বাহারের জন্মের আগে থেকে। কোথায় তার দেশ, কে কে ছিল তার পরিবারে এ-সব কথা হরিকাকা নিজেই আজ বিস্মৃত। বাহার যখন দুধের শিশুটি, হঠাৎই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে বাহারের মা ইহলোক ছেড়ে চলে যান। তারপর …

আরও পড়ুন »

২৩ অক্টোবর, সুনীলদার শবযাত্রা, মৃত্যুর দিক

 অভিজিৎ বেরা একটা মৃত্যু তোমাকে কী কী এনে দিতে পারে? কী আবার! একটা আদিগন্ত শূন্য মাঠ। একলা হয়ে যাওয়া একটা রোববারের সকাল। একটা যাত্রীবিহীন ট্রাম। তার ঘন্টা বেজে চলেছে তো চলেইছে। তবু কেউ উঠছে না। একটা শহর যেখানে মড়ক না কী যেন লেগেছে। কোনও জনমানবের চিহ্ন পর্যন্ত নেই। আর আমি …

আরও পড়ুন »

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্য গল্প, দ্বারকানাথের মেজদাদু

 দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়:   দ্বারকানাথের মেজদাদু দ্বারকানাথ ভূতে বিশ্বাস করেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বিশ্বাস আবার কী? এ তো উপলব্ধি। উপলব্ধিটাই আসল।’ তবে দ্বারকানাথ ভূত-প্রেত সম্পর্কে যা বলেন তা কেবল উপলব্ধি বা অনুমানেই আটকে নেই। বরং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা! তিনি নিঃসন্দেহ যে তিনি আত্মা দেখতে পান। এই বিষয়ে তাঁর বলার ধরনটাও …

আরও পড়ুন »

‘ভাষার ভাসান, বাংলাবাজি’, সংকল্প সেনগুপ্তর নতুন ধারাবাহিক

 সংকল্প সেনগুপ্ত: বাংলা ভাষা জীবনানন্দে (দাশ) যা সতীনাথে (ভাদুড়ী) তা না, হুতুমে যেমন তার থেকে বহু গুণে আলাদা ত্রৈলোক্যনাথের  (মুখোপাধ্যায়) বাক্য সমন্বয়। এইরকম করে শক্তি (চট্টোপাধ্যায়) থেকে কমলকুমার (মজুমদার) আলাদা, শিবরাম (চক্কোত্তি) থেকে হিমানীশ (গোস্বামী), তারাপদ (রায়) থেকে শীর্ষেন্দু-সুনীল-উৎপল-জয়-মৃদুল-সুবোধ, কিংবা স্বদেশ থেকে নবারুণ (ভট্টাচার্য) ঘুরে কমল (চক্রবর্তী) হয়ে হাল আমলে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, দীপান্বিতা সাধুখাঁ

 দীপান্বিতা সাধুখাঁ:   শুভ জন্মদিন প্রিয়, কেমন আছো? ভালো থাকো সব সময় এই কামনা করি। চিঠি লিখছি আজ একটা বিশেষ দিন। তোমার জন্মদিন। শুভেচ্ছা নিও আমার। আজ হৃদয়ের ভিতর থেকে দীর্ঘশ্বাস আমাকে ধাক্কা দিচ্ছে। কেন জানো ? এমন দিনে তোমার পাশে আমি থাকতে পারিনি বলে। নীশিথের জ্যোৎস্না আমাকে অনেক কাছে …

আরও পড়ুন »

তামাকপাতার দেঁজাভু সম্মাননা

 সীমিতা মুখোপাধ্যায়: হরেন দে ওরফে এবং হৃদয় এখন একজন মস্ত বড় কবি। তো দীর্ঘদিন কবিগিরি করার পর এবং হৃদয়ের মনে হল এবার একটা কাগজ (লিটিল ম্যাগাজিন) না করলে ঠিক মান থাকছে না। লিটিল ম্যাগাজিন করতে হলে সবার আগে চাই একটা যুৎসই নাম। কিছুদিন আগে হলেও এ-ব্যাপারে পাড়ার বাবলু বোসের শরণাপন্ন …

আরও পড়ুন »

বামেশ্বরের সেকেন্ড ম্যারেজ

 নীলার্ণব চক্রবর্তী রোজই দ্বিপ্রহরে ঝিলে স্নান করতে যান বামেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার পিছন পিছন ধাওয়া করে তিনটে মেয়ে চোর। বামেশ্বরের বয়স পঞ্চাশ পেরিয়েছে। কিন্তু তার রূপে চোখ ধাঁধিয়ে ওঠে সব বয়সের রমণীরই। ফর্সা টুকটুকে তার রং। শরীরের পেশীগুলিতে এতটুকু শিথিলতার চিহ্ন নেই। আবার বেশি বেশি পেশীও নয়, যেখানে যতটুকু দরকার, …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, বিশ্বজ্যোতি সুর

 বিশ্বজ্যোতি সুর   নতজানু ছোট ছোট লড়াই হেরে গেছি প্রচুর, বারংবার নতজানু হয়েছি উদ্গ্রীব অশ্বের সম্মুখে। তুমিই তো শিখিয়েছ কিভাবে মেনে নিতে হয় ভাঙচুর, তবে কেন আজও বলো ইশারায় পার হতে সমুদ্র বহুদূর? আবছা কুয়াশা ভেবে যেখানে রেখেছি হাত, অন্ধকার চুপিসারে হেঁটে আসে—বিকেল চলে গেছে এই ভ্রুকুটিতে থেমে যেতে বলে। …

আরও পড়ুন »

লাল ডায়রি, দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প

 দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় লাল ডায়রি  অফিসে পৌঁছে রিসেপসনে রোজই খানিকটা সময় কাটায় মেঘ। রিসেপসনিস্ট রায়না, ওর সঙ্গে গল্প করে। রায়না মেয়েটি সুন্দরী। এক ধরনের পবিত্র সৌন্দর্য আছে ওর চেহারায়। মেঘ যা করে, সেটাকে গল্প না বলে ফ্লার্টও বলা যায়। রায়না বিষয়টা ভালোই বোঝে। তবে ও জানে, মেঘের ওই পর্যন্তই। এমনিতে সে …

আরও পড়ুন »

দীর্ঘ কবিতা, কিশোর ঘোষ

 কিশোর ঘোষ   নীল পরির গল্প কিছু গুহ্যকথা, এলোমেলো… কতো দুপুরের বাথরুমে ফোটা ফোটা মাফিয়া-স্নানের চিহ্ন পড়ে আছে… লাজুক অন্তর্যামীর ফসলে ভরা, সে অন্য জগৎ সেই অতৃপ্ত-পৃথিবীর আত্মা দেখেছি আমি আধমরা রাত্রির নদীর চরে— মানুষের অসমাপ্ত প্রতিলিপি পোড়াচ্ছে আরেক মানুষ! এসো, মন দিয়ে সেই ইতিহাস খুঁড়ি বেদনার সঙ্গে চেতনার অস্থি-কঙ্কালের …

আরও পড়ুন »

অরুণাভ রাহারায়-এর কবিতা

 অরুণাভ রাহারায়   উড়ান সে জানে রাত্রির গুহা, স্রোতের তপস্যা জল ছাড়া কেউ বুঝি হাসি হতে পারে! সে কেবল বইতে জানে, জেগে ওঠে চরে। বৃষ্টির আবহ তাকে ধাতু জ্বেলে দেয় নদীতে বিষণ্ণ ভাসে মাছের করোটি এই রাতে ভালো নয় কাদের চরিত্র? কাদের কাদের সঙ্গে সন্ধ্যার সাঁতার? খুব বেশি দূরে নয় …

আরও পড়ুন »

হলুদ বসন্ত, তন্ময় কোলের গল্প

 তন্ময় কোলে   হলুদ বসন্ত ট্রেন ছুটছে। দৃশ্য গুলো পাল্টে যাচ্ছে প্রতি মূহুর্তে। পাশে বসে শেলি চঞ্চল হাতে তৃষানুর হাত ধরে।শেলির কানে হেডফোন।হেডফোনে চলছে মর্ডান গান। শেলির অনুরোধেই দ্বিতীয় বার বসন্ত উৎসবে যাচ্ছে তৃষানু। বসন্ত উৎসব! তৃষানুর কাছে বসন্ত উৎসব মানে মিতালি, গুঞ্জা, হলুদ শাড়ি, খোঁপায় পলাশ, “ওরে গৃহবাসী খোল …

আরও পড়ুন »

অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

 অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় লেখবুদ্ধ প্রত্যেক মানুষের গভীরতম অরণ্যে বসে আছি নির্জনহৃদয়ের বোধিবৃক্ষের নিচে করি ধ্যান অপটু সাধক। চক্ষু নাই, মুখ বেঁকে যায়, চোয়ালের হাড়ে জঙ ধরে দিনে দিনে কখনও মনে হয়, ডান উরুর ওপর দিয়ে চলেছে সারিবদ্ধ পিঁপড়ে শৃঙ্খল। কিন্তু নড়ি না। কখনও মনে হয়, সাপের ঠান্ডা খোলোস পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে উঠছে …

আরও পড়ুন »

তন্ময় মণ্ডলের কবিতা

 তন্ময় মণ্ডল ছায়া নদীর জলে ভেসে থাকে যে ছায়া, আমি তাকে সমর্পিত আত্মা বলি। কত জল বয়ে যায়… পাড় ভাঙে বাঁধ ভাঙে… বেঁচে থাকে, থাকার চেষ্টা করে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ছায়া কত জল শুষে নেয় কালের প্রলেপ। রঙ লাগে, ফিকে হয়… নিয়তিই শেষ কথা বলে সময় সবটা জানে। ভেসে থাকা ডুবে …

আরও পড়ুন »

সৈকত ঘোষ-এর কবিতা

 সৈকত ঘোষ   বিসর্জনের ক্রিয়াপদ একা মাইল-ফলক জানে অপেক্ষার দুটো হাত থাকে। অপেক্ষা শিউলি ঝরা ভোর, অপেক্ষা চাঁদের ভরাট বুকে আলো-আঁধারি ডুবে যাওয়া। যে হাত বসে আছে না ছোঁয়া দূরত্বে তারও একটা জানলা আছে, আছে প্রায় মুছে যাওয়া একটা চিলেকোঠা। ওয়াচ টাওয়ার থেকে যতটা দূরত্ব বোধিবৃক্ষের, যতটা হাজার খণ্ড জুড়ে …

আরও পড়ুন »

সুদীপ চক্রবর্তী’র কবিতা

  সুদীপ চক্রবর্তী সহজে সিদ্ধিলাভ  এবছর ভালোই ছিল চোরাচালানের বাজার সীমান্তে দাঁড়িয়ে আছে ট্রাক, বেশ চাহিদা ছিল গাঁজার, মদের আয়ই শ্রেষ্ঠ আয় প্রমাণ করেছে রাজ্য। এখন বন্ধুবান্ধবদের মধ্যেই কেউ কেউ অ্যাসাইলামে যায়, আমরাও তো বেশ কেটে যাচ্ছে লোন শোধ আর টাকা জমাবার অঙ্গীকার নিয়ে। দেশ সম্পর্কে জরুরি মতামত দিই ঠেকে …

আরও পড়ুন »