Breaking News
Home / সান-ডে ক্যাফে (page 10)

সান-ডে ক্যাফে

রবিবারের কবিতা

 হিন্দোল ভট্টাচার্য   রাইনার মারিয়া রিলকে–র প্রতি   পাথরের গায়ে ফুটে যে ভাস্কর্য আজ, সে সাধনা বোঝে— অথবা সে সাধনায় ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে হেমন্তের ক্ষত; ‘পাতা ঝরে, পাতা ঝরে’; অন্ধ তার অন্ধকার খোঁজে। তরুণ কবিকে লেখা চিঠিগুলি উড়তে থাকে, জীর্ণ তথাগত ভাবেন, কোথায় ছিল এই ধ্যান, আমাদের শান্ত কারাগারে? …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা

  শাশ্বত কর   বিমল আনন্দে জাগো রে   একটু আগে ভোর হয়েছে। অনেক দিনের রাত। এ ক’দিনের তুলির টানে       মানে এবং অভিমানে হাত ছেড়েছে রাত। এবং হাত ছুঁয়েছে হাত।   ঘাসের দেশে জ্বলন্ত ভোর না জানি তার নাম বুকের ভিতর টগবগে চাঁদ       আয়না ভরা জোছন পাহাড় আকুল …

আরও পড়ুন »

রবিবারের অনুগল্প

 মধুমঙ্গল বিশ্বাস   অনগ্রসর সংসারের অসুখ বড় নির্দয়, দিবানিশি ধিকিধিকি জ্বলে। বড়ন্তির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যায় সে অনলে। একমাত্র ছেলের কীর্তিতে বিরক্ত নির্মল ও অমলা বলে, আমাদের সন্তান হয়ে তুই কিনা শিখছিস মোবাইল রিপেয়ারিং! তোর সাথে সাঁওতাল বাগদিদের কী ফারাক থাকল? এখানে জানলার সাথে ফিশফিশ কথা বলে গঙ্গোরি পাহাড়। …

আরও পড়ুন »

জীবন সায়হ্নে কিশোরী মাকে খুঁজেছিলেন বুদ্ধদেব বসু

পার্থসারথি পাণ্ড: মায়ের সঙ্গে আলাপ হয়নি বুদ্ধদেবের। ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর ষোলো বছরের কিশোরী বিনয়কুমারী জন্ম দিয়েছিলেন তাঁকে। কিন্তু ছেলেকে জন্ম দেওয়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই তিনি মারা গেলেন ধনুষ্টঙ্কারে। সন্তান জন্ম দেওয়ার পর ভগবান বুদ্ধের মা-ও মারা গিয়েছিলেন, তাই বিনয়কুমারীর সন্তানের নাম রাখা হয়েছিল ‘বুদ্ধদেব’। মাকে চেনার মতো অবসর হয়নি …

আরও পড়ুন »

দিদির পুতুল (গল্প)

 সীমিতা মুখোপাধ্যায়   ১ আজ দুপুর থেকে পামেলির মনটা বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে। চারদিন হল, কুয়াশার পুরু মোড়কে মুড়ে দিল্লি শহরটা বড় বিষন্ন হয়ে আছে। সব সময় যেন একটা দম আটকানো ভাব। পামেলি এ অবশ্য নতুন দেখছে না। প্রত্যেক বার নভেম্বর পড়তে না পড়তেই শুরু হয় এই বিকট কুয়াশার উপদ্রব। পামেলির …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা

  সীমিতা মুখোপাধ্যায়   ইস্তারহা আশিকি কা   তুমি কি জানতে, মরা সারস ঠিক কীভাবে কাঁদে? তোমাকে শামুকখোল চেনানো হল না, মাথার ওপরে যে বৃদ্ধ হুতুম, তুমি দেখলে না… তোমার প্রতিটি হা হা-তে খসে গেল একটি একটি করে আমার হাতের সব আঙুল, সরোবরের লাল রক্তে সন্ধ্যা নামছে তখন, অচেনা পথিক …

আরও পড়ুন »

সাঁকো ও পতনকালীন ইন্দ্রজাল

 সরোজ দরবার   সাঁকোটা যে ছিল, তা তো সকলেই জানত। আর নিচে জল, মূলত নোংরা জল বইছে তাও জানা কথাই। কিন্তু এ দুয়ের মধ্যেই যে ইন্দ্রজালের শক্তি আছে, তা কেউ জানত না। সাঁকো থেকে জল, এই দূরত্বে বা বলা যায় এই ফাঁকা জায়গাতেই আছে ম্যাজিক। বার্তাটি ক্রমে রটে গেল। সৌজন্যে …

আরও পড়ুন »

অলৌকিক চম্বলে, আমি আর মৃদুল দাশগুপ্ত

 সৌগত রায়বর্মন   ডাকু, মতান্তরে ‘বাগী’র দেশ চম্বলে সেবার আমরা। আমরা বলতে কবি মৃদুল দাসগুপ্ত। আমি তখন সদ্য চিত্র সাংবাদিকের পেশায়। আসল কথা হল সেবার প্রচুর কুখ্যাত ডাকুর সঙ্গে মোলাকাত হয়েছিল তো বটেই। সেইসঙ্গে ‘অলৌকিক’ চম্বলের মুখোমুখী হয়েছিলাম। চম্বল একটি নদী। মূলত তিন রাজ্য ঘুরে চম্বল প্রবাহিত। এই নদীর উপত্যকায় …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা

 প্রবীর চক্রবর্তী   ঋ আলতো করে তোকে ধরলে যেন মনে হয় ব্রহ্মাণ্ড ধরেছি হাতে, অথবা গ্রিক পুরাণের সেই ভোর চারপাশে পবিত্র পবিত্র আলো- আমার খাটো শরীরের মেদ থেকে ঘাম চুঁইয়ে পড়ে, আবোল-তাবোল শব্দ শিখি প্রতিদিন, প্রতিদিন অফিস ফেরত লোকাল ট্রেন! অপেক্ষারা হেসে ওঠে- এই সময়টুকু আমার ঘোড়া হতে ভালো লাগে, …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা

 সীমিতা মুখোপাধ্যায়   সাদা পাতা আমি লিখতে পারি না— আনকোরা সুগন্ধির মতো কোনও বৃষ্টি-লেখা অথবা জল-ভরা মেঘের মাঠ ভর্তি আষাঢ়-গাঁথা। বুকের ভিতরে কে এক দুঃখ-কন্যা গেয়ে চলে তার গ্রীষ্মকালীন ব্যথা। মধ্যরাতের ট্রেন উড়ে যায় হুইসেল দিতে দিতে যেন সে দিগ্বিজয়ী পুরুষ, জিতে নেওয়া সাম্রাজ্য ছেড়ে ছুটে চলেছে নতুন চ্যালেঞ্জের দিকে। …

আরও পড়ুন »

বিসর্জনের বিষক্রিয়া, বিভূতিভূষণের ‘বন্দিনী স্বরস্বতী’

 সৌগত রায়বর্মন: প্রতিমা বিসর্জন মানে বেঁচেবর্তে থাকা নদ-নদীরও বিসর্জন! কতকটা জানা কথা। সেই জানা কথাকে অন্যভাবে দেখেছিলেন ‘পথের পাঁচালি’র জনক। তাঁর অপূর্ব এক ছোটগল্পে। তবে প্রত্যেক মহৎ কাহিনির অন্তরালে আরও এক কাহিনি থাকে। বিভূতিভূষণ বন্ধোপাধ্যায়ের ‘মেঘমল্লার’ এমনই এক ছোটগল্প। সম্ভবত কোনও এক সরস্বতী পুজোর বিসর্জনের পর লেখক দেখেছিলেন— দেবী প্রতীমা …

আরও পড়ুন »

কবিতা পার্বণ, কিশোর ঘোষ

 কিশোর ঘোষ   দশভূজা   প্যান্ডেলে ঢুকে আর চমকাই না কারণ জানি, এবারও সেখানে পূজিত হচ্ছেন আমার মা   পায়ের তলায় সিংহভূমি, পোষ মেনেছে বিষাক্ত সাপ তাঁর দুই পাশে আমরা চার সন্তান, আমাদের রক্ষকর্ত্রী তিনি বরাভয় আর ত্রিশূলের ধারে সংসার অসুরকে বধ করছেন অনন্ত ভূমিকায়… মায়ের মাথার উপরে যে মহাকাশ …

আরও পড়ুন »

কবিতা পার্বণ, সৈকত ঘোষ

 সৈকত ঘোষ   কলকাতার সেলফি ৪৭ কিছু ধারণা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় যেভাবে বুলেটপ্রুফ শহরে পায়ের পাতায় হেসে ওঠে অদৃশ্য বোঝাপড়া # জানি শুভ মহরতের আগে বুক থেকে ওড়নাটা খসে পড়বে বিকল্প মনখারাপ সবুজ ছটফটানির পর তুমি ব্যালেরিনা # আমি স্পর্শের অপেক্ষায় প্রিয় কফিমগ, জোনাকি, শাওয়ার গল্প # সমস্ত …

আরও পড়ুন »

কবিতা পার্বণ, অরুণাভ রাহারায়

 অরুণাভ রাহারায়   অসমাপ্ত অন্দরমহল শরতের ঝলমলে রোদে অগ্রজ কবির ঈর্ষা, অভিশাপ গায়ে এসে লাগে! ট্রেনের সামান্য গর্তে প্রাণ পড়ে থাকে। এইমাত্র আমি তার জিভ ধরে টানি… দেখি যে, আমার কথা বন্ধুরা শোনে। বন্ধুরা ঢেউ নিয়ে বাড়ি ফিরে যায়… পড়ন্ত জীবন থেকে আলো তুলে আনি। কলম রেখেছি ধুয়ে বহুদিন আগে। …

আরও পড়ুন »

কবিতা পার্বণ, তীর্থঙ্কর মৈত্র

 তীর্থঙ্কর মৈত্র   ফিরতে অঘ্রাণে   এলোচুল সরালে কি দেখা দেবে মুখে সূর্যোদয়? এই প্রশ্ন নিয়ে বসে, পাহাড় এল যে কল্পনায়; তার গায়ে ঝরণার ছোট ছোট বিনুনী ঝুলছে— অচেনা ফুলের ভ্যালি, কত পাখি, প্রজাপতি গাছে খেলছে আগের মতো—তুমি জিপের জানলায় আনমনা, যেন আজ দুটি চোখ অতীতে চরছে; যেন কালো ঘোড়া …

আরও পড়ুন »

কবিতা পার্বণ, হিন্দোল ভট্টাচার্য

 হিন্দোল ভট্টাচার্য   দুটি চতুর্দশপদী ১ একাকী লেখার পাশে বসে থাকে নগ্ন কাপালিক- ধুলোর সন্তান সেও, ধুলোতেই জীবন ফোঁপায়; কোথাও যাওয়ার নেই তাই তার শাস্ত্রের  অলীক অন্ধকারে শান্তি নেই, মৃত্যুর ভিতরে যৌনতায়   কে সন্তান হে অনাদি তুমি জানো, লেখা কি প্রকৃত? আদি যুগ থেকে যদি গান ভেসে আসে তার …

আরও পড়ুন »