Breaking News
Home / সান-ডে ক্যাফে (page 6)

সান-ডে ক্যাফে

রবিবারের কবিতা, সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

 সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায় তোমার গায়ের রঙ দিল্লি ইউনিভার্সিটির নর্থ ক্যাম্পাসে, শ্রিয়া মিশ্রা মার্গ পেরিয়ে ছিপছিপে হাওয়ার মত যে মেয়েটি হেঁটে যেত পড়ন্ত বিকেলে তার নাম ছিল রাধা, একদিন তুমি তাকে বৃন্দাবনের টিকিট এগিয়ে দিয়েছিলে, মনে পড়ে? আজ এক আলোযুগ পরে, গোধূলির পাখিরা ঠোঁটে করে খবর নিয়ে এল দিক ভুল করে সে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের গুচ্ছ কবিতা, সবর্না চট্টোপাধ্যায়

 সবর্না চট্টোপাধ্যায়   কবি জন্ম   জলটুকু ঘিরে যেটুকু রহস্য ছিল, তপ্ত বালির ওপর মরিচিকা হয়ে ভেসেছে তার ছাপ। দূর থেকে দেখেছি…   ভাঙনের পর ক্রমশ শহর গড়তে গড়তে আবার ক্লান্ত হয়ে নড়ে গাঁথনির ইঁট। বুলিয়ে চলে বিশল্যকরণী। বুকে তার নীলদীঘি… শালুক ফুটলে ধাঁধাঁ লেগে যায় চোখে!   প্রতিবার পাথরপুজোর …

আরও পড়ুন »

রবিবারের গল্প, ‘গেম’

 তন্ময় কোলে গেম সরোজ অভীকের ছেলেবেলার, মানে সেই স্কুলবেলার বন্ধু। এখন চাকরি সূত্রে কানাডা থাকে। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। আজ সরোজ কয়েক বছর পর বন্ধু অভীকের বাড়ি এসেছে। —কত বছর পর আসলি বল তো? চায়ে চুমুক দিতে দিতে অভীক প্রশ্ন করে। —তোদের বাড়ি এসেছি লাস্ট তোর বৌভাতের অনুষ্ঠানে। ছ’ বছর হয়ে গেল …

আরও পড়ুন »

রবিবারের গল্প, ‘সানাইবাদক’

 উত্তম বিশ্বাস: সানাইবাদক সুধন্য সাধুখাঁ মস্ত বড় সানাইবাদক। এই কথাটি সে পৃথিবীর পূর্ব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ সবখানেই ছড়িয়ে দিতে চায়। সে কারণে তার সানাই মোটে থামায় না সে। বিবাহ নয়, কোনও মাঙ্গলিক আচার আহ্নিকও নয় সে কেবল সুরের আনন্দেই সারাক্ষণ সানাই বাজায়। জীবনে আর কিছুই শেখেনি সুধন্য। তাকে থামাতে পারে …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়

 অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়: নীরবতা মাখা উপত্যকা নীরবতা মাখা উপত্যকায় ‎একা ওই চাঁদ  ছাড়া আর কেউ আসে না ‎ একা ওই নদী ছাড়া আর কেউ বয় না, গায় না ‎সেগুন শিমুলেরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে ‎কীভাবে জলে ছায়া এসে মেশে ‎রোদ্দুর খেলে চিকচিকে শুকনো বিকেল ‎শীতল হতে হতে ‎কীভাবে ‎কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয় ‎ …

আরও পড়ুন »

রবিবারের কবিতা, পার্থসারথি পাণ্ডা

 পার্থসারথি পাণ্ডা: তুমি অন্দরে, নাকি দরজায় ছুঁয়েছিলে, নাকি ছোঁয়াচ নিয়েছ? নিক্তিটা কাঁপে তর্জায়; আঙিনায় বাও ঘুরপাক খায়– তুমি অন্দরে, নাকি দরজায়?   ভেসে যায় ছেঁড়া চাঁদমালা, দিন নিগূঢ় খড়ের পাঁজরায়; চুপকথা শুধু ঝিঁ ঝিঁ হয়ে বাঁচে অন্ধকারের পর্দায়!

আরও পড়ুন »

‘বর্ষামঙ্গল’, উন্মাদ জলের ডায়েরি, যখন ‘বৃষ্টি আসলেই নিজেকে স্পষ্ট দেখা যায়!’

 সুভান বর্ষামঙ্গল – ২ তুমুল বৃষ্টি পড়ছে। রাতের দিকে এমন বৃষ্টি পড়লেই নিজেকে কেমন যেন আরও স্পষ্ট দেখা যায়। আরও স্বচ্ছ দেখা যায়। মায়ের গা থেকে আলো ছিটকে আসে। ঘর জুড়ে যদিও তীব্র অন্ধকার।পাড়ার একটা ফেজ উড়ে গেছে আর দুর্ভাগ্যবশত আমাদের বাড়িসহ দু-তিনটে বাড়িতে কারেন্ট নেই। অন্ধকার ঘরে মোমের আলোয় …

আরও পড়ুন »

রবিবারের গল্প: ব্ল্যাক সোয়ান

 সীমিতা মুখোপাধ্যায়: – “আপনার নাম হংসিনী দাশগুপ্তা! ইন্টারেস্টিং!” – “ইন্টারেস্টিং? ও।” – “না … মানে এই নাম আগে কখনও শুনিনি।” – “আসলে ওই একটা গান আছে, না- “ও হান্সিনি, মেরি হান্সিনি …” – “হ্যাঁ, কিশোর কুমারের বিখ্যাত গান।” – “আমার বাবার খুব প্রিয় গান। ছোটোবেলায় বাবা আমাকে এই গানটা গেয়ে …

আরও পড়ুন »

কমলেশ পালের গুচ্ছ কবিতা, দিনান্তের নিমফুলগুলি ২

নিমফুল ১৫ জোস্নায় চাঁদের লাশ ভেসে আছে পুকুলের জলে থাকবো না এ অসহ্যে চলে যাবো নক্ষত্রমন্ডলে   নিমফুল ১৬ আমার ও আলেয়ার শয্যা এক, গ্যালাক্সি আলাদা। আমাদের একটাই দূরবিনে থাকে দুটি ধ্রুবতারা।   নিমফুল ১৭  পাথর গড়াতে চায়, গড়াতে পারছে না। শিকড়েরা আঁকড়ে রয়েছে… ঘিরে আছে ঘাসশিশু, ব্যাকুল লতাটি।   …

আরও পড়ুন »

আজ বাইশে শ্রাবণ: ‘চাপা কান্না ফুটেছে চাঁপার গায়ে, সারাদিন অফুরান বৃষ্টি হবে আজ’

 শাশ্বত কর:   বাইশে শ্রাবণ চাপা কান্না ফুটেছে চাঁপার গায়ে দুটো চারটে মাছ জলের আকাশ থেকে হাওয়ার আকাশে ঠোঁট পাতলো   ধুলোর দেশ আলগোছে চাপা পড়েছে শুভ্র টেবিল ক্লথে জানলায় বৃষ্টি ভেজা ঝাপসা আলো   ঝাপসা আলোয় একটা পথ থাকে পথ ধরে আনাগোনা চলে চেনা অচেনায়: অলিতে গলিতে মুখ, অজস্র …

আরও পড়ুন »

আজ বাইশে শ্রাবণ: ‘চুল্লিতে বাবাকে ঢোকানোর আগে রবীন্দ্রনাথের মুখাগ্নি করলাম আমি’

 কিশোর ঘোষ: বাইশে শ্রাবণ সেই রাতে যতদূর চোখ যায়… বাবার মুখাগ্নি, আর কেউ নেই মহাকাশে ধুপকাঠি তারা, কান্নার ম্যাটাডোর নিমতলাগামী   সেই অক্টোবরে শ্রাবণের বৃষ্টি, বিধবা আকাশ জলে ধুয়ে মার শাড়ি সাদা হয়ে গেল! চোখ মোছার চেয়েও কম সময়ে অতীতের শবদেহ শ্মশানে পৌঁছলো   চুল্লিতে বাবাকে ঢোকানোর আগে রবীন্দ্রনাথের মুখাগ্নি …

আরও পড়ুন »

আজ বাইশে শ্রাবণ: ‘তারচেয়ে বুকে রবীন্দ্রনাথ জড়িয়ে, ছেঁড়া শহরে ইতস্তত’

 সৈকত ঘোষ:   বাইশে শ্রাবণ ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপনে কিছু রোবট পাশাপাশি, মিনিস্কার্টে রবীন্দ্রসদন প্রতীক্ষা ছিনিয়ে নিয়েছে কক্ষচ্যুত উপগ্রহ আপাতত কে সবচেয়ে বড় শ্রেণিশত্রু সেই নিয়ে একটা র‌্যাপিড-ফায়ার হতে পারে অথবা ঘন্টাখানেক তুমুল বৃষ্টি শনিবারের বারবেলা নয়, রবিবারের মধ্যরাতও নয়: পুরকিবাজির কোনও সময় হয় না। অন ইজ অন তারচেয়ে বুকে রবীন্দ্রনাথ …

আরও পড়ুন »

‘এখন সময় শুধু পাতা ওড়াবার’, অরুণাভ রাহারায়ের কবিতা

অরুণাভ রাহারায়: বিস্ময় এতটা প্রেমিকা তুমি! কবিতা এতটা! মানালি আসোনি তবু এসেছো কলমে। ফুটেছো টবের ফুলে, স্রোতের কিনারে… আমাকে বিনম্র করো। বেশি রাত জেগে তোমাকে লেখার জন্য বসে আছি হোটেলের ঘরে বেড়াতে এসেছে যারা, কেউ তো জানে না এখানে তুমি যে রোজ খাদ থেকে তুলে সূর্যকে জ্বেলে দাও পাহাড়শিখরে…   …

আরও পড়ুন »

‘বাড়ির ভেতর একচোখা চাঁদ, বাসি ম্যাক্সির স্ট্র্যাপ চিবায়’, প্রত্যূষা সরকারের কবিতা

 প্রত্যূষা সরকার: আনবাটন কপাল থেকে নুন ঝরে পড়লে তোমার চকচকে গালে আফটার সেভ হয়ে যাই গা বেয়ে নামতে থাকে আবিরে ধোঁয়া সম্পৃক্ত বসন্ত কুঁচকানো ক্রোড়পত্রে লিখে দেয় আমাদের খোলামেলা অভিযোগ মই বেয়ে ঢলে পড়ে আগুন বাড়ির ভেতর একচোখা চাঁদ বাসি ম্যাক্সির স্ট্র্যাপ চিবায় আমি কখনোই লেট নাইট মুভি দেখিনি লেট …

আরও পড়ুন »

রবিবারের গল্প: কোহল সন্ধান

 সীমিতা মুখোপাধ্যায়: যাদবপুর এইট-বি বাস স্ট্যান্ডের এত কাছে মাসে মাত্র সাত হাজার টাকায় দু-কামরার ফ্যাট ভাড়া পাওয়া আর স্বর্গ হাতে পাওয়া একই ব্যাপার। এলাকাটা বেশ পশ। লোকজনও ভালো। এইট-বি থেকে কোহলের অফিস অবধি ডিরেক্ট বাস। তাছাড়া, বাবা-মায়ের সঙ্গে আর থাকা যাচ্ছিল না। বিয়ে বিয়ে করে তাঁরা বড্ড পিছনে পড়েছিলেন। কোহলের …

আরও পড়ুন »

সৌম্যজিৎ আচার্য’র কবিতা, ‘সমুদ্রের নীচে একটা লোক বেলুন বিক্রি করছে….

 সৌম্যজিৎ আচার্য সাঁতারু সমুদ্রের নীচে একটা লোক বেলুন বিক্রি করছে ছোট বড় সেসব বেলুন কিনে নিচ্ছে মাছরা এ সমুদ্রে কোনও মাছই সাঁতার জানে না তাই প্রত্যেকটা মাছ বেলুনে চেপে ঘুরছে এ দৃশ্য ওপর থেকে দেখছে একজন সেই এ পৃথিবীর শেষ সাঁতারু কেন কে জানে, সে সাঁতার কাটতে পারছে না মাছ …

আরও পড়ুন »