Breaking News
Home / পার্বণী / পার্বণী কবিতা (page 2)

পার্বণী কবিতা

সুদীপ্ত দাশের কবিতা

 সুদীপ্ত দাশ   মেঘ আর ওষ্ঠ বাগিচা প্রতিরাতের মতো আজকেও বেঁচে ফেরা। অথচ না ফিরলেও চলতো! এভাবে মরা সাহেবের মতো মরে-বেঁচে কার ভালো লাগে? কে চায় নিজেকে ছেড়ে আমাকে বাঁচাতে! অথচ ঘুমের সময় হলে আমাকেই প্রতিরাতে ভাবে। যে কোনও জোনাকি জোছ্না আর কতদিন ভালো লাগে ? পশম খোলসে মোড়া প্রতিটা …

আরও পড়ুন »

দু’টি কবিতা, দেবরাজ চক্রবর্তী

 দেবরাজ চক্রবর্তী   অজাতক ধুলো মেখে দাঁড়িয়েছে ক্ষমাহীন প্রাণ বীরের হাতের থেকে অস্ত্র খসে পড়ে শিয়রে শমন নিয়ে ঘুম ভাঙে ভোর প্রতিবাদ ছুটে আসে নগরে নগরে নিরুপায় জননীর কলঙ্কবোধ ভাসিয়েছে সন্তান অন্তহীন দেশে পুরাকাল থেকে বীর মার নিয়ে ঘোরে কখনো দেবতা আসে ব্রাহ্মণের বেশে।   প্লাবন সভ্যতা দুলে ওঠে পৃথিবীর …

আরও পড়ুন »

কমলেন্দু সরকারের কবিতা

 কমলেন্দু সরকার অন্ধকারের বীজ অন্ধকারের বীজ, ছেঁড়া চাদরে লেগে মোহিনী আড়াল করেছে নির্জন বিষ চারিদিকে ফ্যাকাশে রঙের চোরাগলি পেরিয়ে হেঁটেছি আগুনে রাস্তায়। সিঁড়ি থেকে গড়িয়ে যেতে দেখেছি আপেল দেখেছি ঢেউ। রোদ বৃষ্টি সঙ্গে নিয়ে হেঁটেছি ভালবাসার গন্ধে শালিক উড়ে গ্যাছে খিদের ভিতর চিত হওয়া স্বপ্নের ভিতর। জোনাক পোকা লেগেছে চাঁদের …

আরও পড়ুন »

বিভাস রায়চৌধুরীর কবিতা

 বিভাস রায়চৌধুরী   ভালবাসা একজন-দু’জন করে অন্ধকারে মিশে যাও… যেন কেউ জানতে না পারে! # পৃথিবীতে ভালবাসা নেই পৃথিবীতে ভালবাসা নেই # —এই কথা আমরা মানি না! # লুকিয়ে পড়ি গে, চলো, চুম্বনের বাদামপাহাড়ে…

আরও পড়ুন »

তীর্থঙ্কর মৈত্র-এর কবিতা

 তীর্থঙ্কর মৈত্র   আমার আলো যে তুমি, রানু  ।।১।। রানু, ফাল্গুন এসেছে ফের! কত পাতা ঝরে আছে, নতুন পাতায় ভরা ডালে এখনও দুই একটি পাতা থেকে গেছে ,তারা চুপি চুপি ঝরে পড়ে হাওয়া লেগে । নীচে গাছতলা ভরা পাতা । ওরাও মিশছে তাদের দলে । দুপুরের অবসরে বসে ঝুলবারান্দায়—দেখি এই …

আরও পড়ুন »

কবিতাগুচ্ছ, সুব্রত রায়চৌধুরী

 সুব্রত রায়চৌধুরী   ঈশ্বর সন্ধ্যার এক কোণে কুপি আড়ালে উনুন। এখানে কাঠ, ঘুঁটে, কেরোসিন তিন দিন আগুন জ্বলেনি। সন্ধ্যার এক কোণে কুপি আগুন জ্বালাবার ঈশ্বর ঘুমিয়েছে সেইখানে।   তর্পণ এই কার্তিকের উঠোনে একা শুয়ে আছো। পায়ের গোড়ালি ছুঁয়ে শেষ চরণামৃত ঝরে পড়ছে মাটিতে। অগ্নিস্নানে চলে গেলে তুমি… সেই থেকে কুশ …

আরও পড়ুন »

স্বপন রায়ের কবিতা

 স্বপন রায় উদাসীন মল্ট পাঁজর ফুঁড়ে বেরিয়ে যাওয়ার আগে, বুলেটবেগানা কোথায় যায় রোদ সরোদ অব্দি যায়,  নাকি সামান্য স্রোত চোখের যেখানে কুহকমেশা চা নির্ভারচিত মেয়েটির হাতে তুচ্ছ বারুদ পাঁজর খুলছে ঘি ঘি টিশার্ট সয়ে যাওয়া ফুল বয়ে যাওয়া নদীর তাকে ভাসবে যখন বুলেটও আর্দ্র হল ফুঁড়ে যাওয়া কী অবাক ফুটে …

আরও পড়ুন »

সুমন গুণের কবিতা

 সুমন গুণ দেবীপক্ষ দূরের বারান্দা থেকে মাঝেমাঝে হাত নেড়ে, একটু দাঁড়িয়ে, তারপরে, ঘরে চলে যেতে। আলো জ্বলে উঠত ঘরে। চারপাশে সুধা ছিল, দেবীপক্ষ ছিল। মাঝে মাঝে বিত্ত ও ব্যঞ্জনা নিয়ে সর্বার্থে প্রস্তুত ছিল ধ্বনি ও তৈজসপত্র, বিপন্ন লেঠেল। এসবই কল্পনামাত্র, কল্পনার মধ্যে আরও কিছু ঘর থাকে, ঘরের অধিক কিছু আন্দোলন …

আরও পড়ুন »

কবিতাগুচ্ছ, সবর্না চট্টোপাধ্যায়

 সবর্না চট্টোপাধ্যায়   মা আর আমি গায়ে জড়িয়ে দিচ্ছি চাদর ধীরে ধীরে উঠে বসে মা। কমে এসেছে দামোদরের জল পাতায় ক্লোরোফিল। হাঁ করে ওঠে কাঁপা দুটো ঠোঁট… আমি ঢেলে দিচ্ছি দুধ, দু’চামচ জল পিঠের ওপর যেন শতজন্মের পাহাড় গিরিখাদে লুকানো মেঘরাশি হাত বুলিয়ে দিই। মাথা নাড়ো। ঝাপসা চোখে তাকিয়ে থাকো, …

আরও পড়ুন »

কবিতাগুচ্ছ, শিমুল সালাহ্উদ্দিন

 শিমুল সালাহ্উদ্দিন   একা মানুষের চিঠি ক. এক বাক্যের দীর্ঘ চিঠি পাখি, হাহাকারের পৃষ্ঠা খোলা রাখি।   খ. এখনো রাত্রিতে, এখনো একলা, কান্না গলে নামে, আ-গলানাভীমূল আমারি ভুল ছিল তোমার চুল ছিল দিগন্ত ছাড়িয়ে স্বাপ্নিক উড্ডীন… তবুও দিনদিন ভুলেই যাওয়া গেছে, যা ছিলো ভুলবার, তোমার ও আমার তবুও কেনো যে …

আরও পড়ুন »

শ্বেতা চক্রবর্তীর কবিতা

 শ্বেতা চক্রবর্তী   দেবী তোমার সংসার বলেছে, তুমি সস্তার মানবী, তোমার সন্তান বলেছে, তোমার চোখের জলে গ্লিসারিন ঝরছে, তোমার মা বলেছে, তুমি গোলাপফুল, কিন্তু গোলাপ বলেই কাঁটা উদ্যত রাখতে হবে, তোমার বন্ধুরা বলেছে, একদিন তোমায় খরতোয়া নদীতে ফেলে দেখবে তুমি সাঁতার ভুলে গেছ কিনা, ছাতিমবীথি ধরে হাঁটতে হাঁটতে তুমি একলা …

আরও পড়ুন »

সুভানের কবিতা

সুভান আমার কবি যখন তোমার কবিতার গুণগানে শহরের সাহিত্য আসর ভরে উঠছে আমার কথা তুমি কখনও ভেবে দেখেছ সুভাষ? আমার কষ্ট থেকে উচ্চারণ থেকে সকলে কেমন ছিনিয়ে নিচ্ছে তোমায়, কিভাবে ফালিফালি মাটিরদর আর জমিনভাগ করে নিচ্ছে… ক্রমশ শূন্যতার মেঘের কাছে আমার বাইশটি শ্রাবণ নত হয়ে বসে আছে… যে অন্ধকারের কথা …

আরও পড়ুন »

সুবোধ সরকারের কবিতা

 সুবোধ সরকার কৃষ্ণ ভালবাসা ঘর পেলে, ভালবাসা আর অত ভালবাসতে পারে না। বারোশ স্ক্যয়ার ফিট তাকে খুন করে। কৃষ্ণ আজও পৃথিবীতে বৃষ্টি হয়ে ঝরে । আইন অমান্য করা যমুনার তীরে যে বাঁশি বাজিয়েছিলে তুমি সে বাঁশি এখনো শোনা যায় শহরে বন্দরে, গ্রামে, পার্ক স্ট্রিটে, গাছের তলায়। আমার ভেতরটা আজও কী …

আরও পড়ুন »

হিন্দোল ভট্টাচার্যের কবিতা

 হিন্দোল ভট্টাচার্য সবিনয় নিবেদন ১ যে কোনও চিঠির মানে বহুদূর নির্জনতাপ্রিয় একটি ঘর, এককোণে টেবিলের পাশে এলোমেলো একাকী কলম, যার কালি থেকে রক্ত ঝরে পড়ে। খোপ কাটা কাটা ঘর, সকলেই ভীষণ আলাদা ঈশ্বরবিশ্বাসী, তাই লণ্ডভণ্ড মুক্তি খুঁজে খুঁজে আসলে হয়রান, নিঃস্ব, বিষাদের দরজা খুলে দেয়। বিষাদ, আলোর ছোঁয়া দিলে, তবে …

আরও পড়ুন »

গুচ্ছ কবিতা, বুদ্ধদেব হালদার

 বুদ্ধদেব হালদার প্রথম কবিতা গুচ্ছ ১ সাদা নরম বেড়াল হয়ে উঠতে ইচ্ছে করে। এবং সাতমহলা কামুকী যোনির আঠায় শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে খুব, এবারের ডিসেম্বরে একটা গুচ্ছ-কবিতা লিখতে পারি। এবং বিনোদ ঘোষালের বাড়িতে গিয়ে চুরি করে ফেলতে পারি তাহার বাহান্ন বেদনা ও বিস্তর বাউল। বস্তুত এক প্রকাশক অদ্ভুত খচে গিয়েছিলেন …

আরও পড়ুন »