Breaking News
Home / সান-ডে ক্যাফে / গল্প / গল্প, মিহির সরকার

গল্প, মিহির সরকার

 মিহির সরকার:

দিন যায় মৃত্যু—অরণ্যের ডাকে

যখন গুছিয়ে কিছুই লিখতে পারি না তখন কোনো এক কাল্পনিক নারীকে চিঠি লিখি। এই করতে করতে এক সময় একটা – দু’টো কবিতা লিখে ফেলি।

গত রোববার একটা কবিতা চার লাইন লেখার পর আর লিখতে পারছিলাম না। তখন লিখলাম, গতকাল অফিস যাওয়ার পথে বাসে এক সুন্দরী যুবতীর পাশে বসতে পেয়েও মন খচ খচ করছিল। কারণ, একটু সুন্দরী মেয়েদের পাশে যত সাবধানে বসুন সে একবার টিপ্পনি কেটে বলবেই- ঠিক করে বসুন। এই কথাটা শুনতে সত্যি খারাপ লাগে। সম্মানেও লাগে। ভাবটা এমন যেন তাঁর শরীরে একটু ছোঁয়া লাগলে পাহাড়ী ধসের মতো তার শরীরে ধস নামতে পারে। অথবা সমাজ তাকে নষ্ট মেয়ে বলতে পারে, আবার গায়ে ঢলে পড়াও বলতে পারে।

এ ব্যাপারে সুমনার মতামত জানতে চেয়েছিলাম। সুমনা বরাবরের অভ্যাস মতো হাল্কা কথা বলে উড়িয়ে দিয়ে বলল, তুমি না হয় সাধু পুরুষ, সবাই তো আর তা নয়। অনেক পুরুষ আছে যারা মেয়েদের শরীরের নানা জায়গা ছোঁয়ার চেষ্টা করে। যেন নারী শরীর ছুঁলে পুণ্যি হবে। কই মেয়েরা তো পুরুষ শরীর ছোঁয়ার জন্য ছোক ছোক করে না।

খানিক থেমে দম নিয়ে সুমনা বলল, তাই আমাদের রাস্তা-ঘাটে সর্বদা সাবধানে থাকতে হয়। অরন্যে যেমন হরিণী। বুঝলেন মশাই।

মেয়েদের শরীরে কী আছে তা মেয়েরাই ভাল করে জানে না। বলতেও পারে না।

এতটা লেখার পর মনে হল, আর তেমন কিছু লেখার নেই। লিখতেও আর ভাল লাগছে না। এমন সময় বিনুর ফোন এল।
-বল বিনু কেমন আছিস?
– ভাল আছি দাদা। একটা সুখবর দিই। বোনের বিয়ে, সামনের মাসে দশ তারিখে। তোমার আসা চাই। না এলে খুব খারাপ হবে।
– দারুণ খবর। ছেলে কী করে?
– চাকরি করে। মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে। মালকড়ি ভালই পায়।
-খুব ভাল। যাব।

বিনুর বোন চারুলতা। ক্লাশ নাইন থেকেই পেকে গিয়েছিল। কী সাংঘাতিক মেয়ে! একদিন আমাকে চোখ মেরে অকপটে জানতে চেয়েছিল, কী ঠিক আছে তো?
আমি হাসব না রাগ করব ঠিক করতে পারছিলাম না। আমার গম্ভীর মুখ দেখে চারুলতা বলেছিল, প্র‍্যাক্টিস করছি। তোমাকে দিয়ে শুরু করলাম।

– খুব পেকেছিস। তোর বাবাকে সব বলে দেব।
– বলে দেখতে পার। বাবা বিশ্বাস করবে না
– ঠাস করে একটা চড় মারব যেদিন সেদিন বুঝবি।
– জেলে যাবার খুব ইচ্ছে হলে একটা কেন দশটা চড় মারতে পারো।
বলেই চারুলতা খিল খিল করে হাসতে হাসতে দে দৌড়। যেতে যেতে বলেছিল, সে হিম্মত তোমার নেই।

সেই চারু (এই নামেই বেশী ডাকতাম) র বিয়ে। মনের ভিতর শিহরণ খেলে গেল। কলেজে উঠে কত ছেলের যে মাথা চিবিয়ে খেয়েছে তা ভাবলে আর এক ধরনের শিহরণ গোটা শরীরে খেলে বেড়ায়।

এক সময় রোজ পোশাক বদলের মতো ছেলে বদল করা শুরু করল। আমি ধরে ফেলেছিলাম। যথারীতি বিনুকে খবর দিয়েছিলাম। বিনু সব শুনে মাথা নীচু করে বলেছিল, দাদা আমি সব জানি। কিন্তু কিছুই বলতে পারছি না। এই নিয়ে বাড়িতে খুব অশান্তি। দাদা, তোমার সঙ্গে তো চারুর সম্পর্ক অনেকটা বন্ধুর মতো। তুমি একবার মানা করে দেখ না কী বলে।

বলেছিলাম। চারুর মাথায় পিঠে হাত বুলিয়ে স্নেহের সুরে বলেছিলাম, চারু তুই আমার চাইতে মাত্র দু বছরের ছোট। তাই তোকে ঠিক ছোট বোন ভাবি না, বন্ধু ভাবি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কিছু কথা বলতে চাই শুনবি?
– বল শুনছি।
– তুই যা করে বেড়াচ্ছিস এটা ঠিক নয়। কেন এ সব করছিস? সব ছেলে সমান নয়। কে কোন আক্রোশে কী করে বসে, দিনকাল ভাল নয়। খবরের কাগজ তো পড়িস।

সব শুনে চারু হেসে খুন। এক সময় বলল, তুমি যে ভয় পাচ্ছ তা হবে না। আমি ছেলে বুঝে করি। আর কী বলব তোমাকে ছেলেগুলো যেমনি বোকা তেমনি হাবা। সব ব্যাপারে মিনমিনে। মেয়েদের কী যে ভাবে কে জানে। একটু হাতটা ছোঁয়ার জন্যে কতকিছু করে কতকিছু খাওয়ায়। আমার খুব হাসি পায়।
সব কথা শোনার পর গম্ভীর মুখে জানতে চেয়েছিলাম, আসলে তোর কেমন ছেলে ভাল লাগে? আমাকে নির্ভয়ে বলতে পারিস।
– তোমার মতো। তুমি আমাদের দূর সম্পর্কের আত্মীয় না হলে তোমার পেছনে লাইন দিতাম।

বিনুর ফোন রাখার পর চারুর স্মৃতি ছবির মতো ভেসে উঠল। চারুর প্রতি আমি কি একটু হলেও দুর্বল হয়েছিলাম। চারু কি বুঝতে পেরেছিল। মনে মনে বললাম, বিয়ে করে চারু সুখি হোক। একটি সরল প্রাণ সুখে থাক।

এখন মাঝে মধ্যে জাপানের সেই অরণ্যের কথা মনের ভিতর ভেসে বেড়ায়। জাপানের মাউন্ট ফুজির আওকিগহরা অরণ্য। যে অরণ্যে হতাশগ্রস্ত মানুষেরা যায় আর ফিরে আসে না। এই অরণ্যে একা একা ঘুরে বেড়ান গবেষক আজুসা হায়ানো। তিনি জানান এই অরণ্যে প্রতি বছর একশোর বেশি মানুষের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখা যায়। শান্ত এই অরণ্যে প্রতি পদে পদে ছড়ানো থাকে রাগ ক্ষোভ আর হতাশার চিহ্ন।

হায়ানো জানিয়েছন, কোনো মৃতদেহ দেখে তার এমনও মনে হয়েছে, মানুষটি দীর্ঘদিন ধরে লাঞ্চনা ও গঞ্জনার শিকার। যার পরিণামে এই মৃত্যু। এই মৃত্যুই তাকে সব অত্যাচার, যন্ত্রনা, লাঞ্চনার হাত থেকে বাঁচায়। এই সব দেখে হায়ানোর কৌতুহল বেড়েছে এবং মনে মনে প্রশ্ন করেছেন, জীবন থেকে পালানোর এই প্রবণতা কেন? হায়ানোকে এই অরণ্যে একা একা ঘুরে বেড়াতে অনেকে মানা করেছে। কিন্তু তাঁর কৌতুহল তাঁকে বার বার এই মৃত্যু-অরণ্যে বার বার ডেকে নিয়ে যায়। তার প্রশ্ন একটাই- কেন মানুষ এ ভাবে মরতে চায়? হতাশা, যন্ত্রণা, অত্যাচার প্রায় সব মানুষের কপালে লেখা আছে, তবে কেন কিছু মানুষ আয়কিগহরা অরণ্যে যায়? মৃত্যুকে খুঁজে পেতে? সত্যি কি তাই? না কি অন্য কোনো রহস্য আছে।

এতদিনে আজ হঠাৎ মনে হল, কিছু কথা লিখে রাখি। হয়ত সে সবই আমার মনের গোপন কথা। লিখলাম – হায়ানোর ঠিকানা আমার চাই। আমিও আজুসা হায়ানোর সঙ্গে ঘুরে বেড়াব। খুব কাছ থেকে দেখব রহস্য জাল কী ভাবে ছড়ানো। হতাশা, যন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচতে মানুষ শান্ত প্রকৃতির কোলে কী ভবে হারিয়ে যায়, তারপর একদিন ঘুমিয়ে পড়ে চির ঘুমে। অনেকে বলেছেন এও এক ধরনের আত্মহত্যা। এই অরন্যে ওই সব মানুষ যে ক’টা দিন বাঁচে, মনে হয় অন্য কোনো জগতের ঠিকানা পেয়ে যায়। সেই শান্তির জগতে পৌছতে হয় মৃত্যুর পথ ধরে হেঁটে। যেখানে নারীর শরীর নিয়ে পুরুষের লোভ লালসার নিষ্ঠুর খেলা নেই।

সোমবার অফিসে কাজের চাপে যখন হাবু- ডুবু খাচ্ছি তখন ফোন এল সুমনার।
– তোমার কোনো ফোন নেই কেনো? বউ খুব আদর যত্ন করছে বুঝি।
– বউ সব সময় বকছে আবার সময় মতো আদর যত্নও করছে। যাক সে কথা। এদিকে অফিসের কাজে হাবু- ডুবু খাচ্ছি। তুমি কেমন আছ বল?
– ছাড়, আমি ফোন করলেই তোমার ঢং বেড়ে যায়। আমি একদম ভাল নেই।
– কেন কী হল? শরীর খারাপ না মন খারাপ?
– ফোনে বেশী কথা বলব না তুমি আজ এসো। ও এখন তিনদিন আসানসোলে থাকবে, অফিসের কাজে। তুমি আসছো তো?
– যাব। তবে রাতে থাকতে পারব না।
– তোমাকে থাকতে দিলে তো। ভাল কথা রাতে রুটি চিলি চিকেন আর স্যালাড চলবে?
– মেনুতে আর কিছু নেই? ব্যাস এইটুকু! ইচ্ছে করেই ঠাট্টা করলাম।
– হ্যাঁ মশাই এইটুকু। চলে এসো।

সুমনাকে আমার এই জন্যে ভাল লাগে। কথা-বার্তায় খুল্লাম খুল্লা । শরীর নিয়ে কোনো ছ্যুতমার্গ নেই। প্রথম আলাপ বইমেলায়। এক সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে আমার শরীর ওর বুকে ধাক্কা মারে। অনিচ্ছাকৃত ধাক্কা। সঙ্গে সঙ্গে সরি (sorry) বলে উঠি। সুমনা মুচকি হেসে বলেছিল, সরি বলার কী আছে। শুনুন মশাই আজ মরলে আজ অথবা কাল এ শরীর ছাই হয়ে যাবে। আমি শরীরের ছোঁয়া ছুঁয়ি নিয়ে অত ভাবি না। সেদিন আমার শরীর জুড়ে রিমঝিম বৃষ্টির নাচ শুরু হয়েছিল।
এর পরে সুযোগ পেলে সুমনা আমার সঙ্গে দেখা করেছে। দু’জনে একসাথে সিনেমা নাটক দেখেছি।

এরই মাঝে একদিন সুমনাকে বলেই ফেললাম, সুমনা আমার ছেলে মেয়ে বউ সবই আছে।
সুমনার স্মার্ট জবাব, আছে থাকুক। তাই বলে কী সুমনা নামে একটি মেয়েকে মনের এক কোণে লুকিয়ে রাখতে নেই?

এ কথার কোনো জবাব দিতে পারিনি।
শুধু মনে পড়লো একদিন সুমনাকে কী কারণে যেন হঠাৎ বলেছিলাম, জানো সুমনা ঠাকুর রামকৃষ্ণের একটা কথা আছে – স্ত্রীলোক কীরূপ জানো? যেমন আচার তেতুলের, মনে করলে মুখে জল সরে।

হাসতে হাসতে সুমনা একটা পাখি হয়ে উড়ে গেল দূর আকাশে। আবার এক সময় নেমে এল মাটিতে। তারপর পাখিটা সুমনা হয়ে বলল, ঠাকুরের কথা অমৃত সমান।

একটু থেমে দম নিয়ে সুমনা বলল, ঠাকুরের এ কথাও বলা উচিত ছিল, মেয়েদের মুখেও জল সরে, যখন তার মনের মানুষের কথা মনে পড়ে। কাছে পায়। সত্যি বলছি, তোমাকে দু’দিন না দেখলে ফোনে কথা না বললে আমার মন খারাপ হয়ে যায়। তোমাকে ঠিক বোঝাতে পারবো না।
আমি বললাম, আর একটা কথা কি জানো? – – – কী কথা?

– সব মেয়ের কাছেই সব পুরুষ ছেলেমানুষ, মানে যাদের তারা ভালবাসে। কথাটা মানো?
সুমনা বিস্ময়ের চোখে আমাকে দেখতে দেখতে বলল, এটা কি তোমার কথা?
আমি মুচকি হেসে বললাম, আমি এত গভীর মর্মের কথা বলতে পারি? এটা রবি ঠাকুরের কথা।
সুমনা খিল খিল করে হেসে বলেছিল, এমন কথা রবি ঠাকুরই বলতে পারেন, আমার আগেই বোঝা উচিত ছিল। কিন্তু ছেলেমানুষি করতে তুমি ভালই জান।

আমি চোখ কপালে তুলে বলেছিলাম, আমি আবার ছেলেমানুষির কী করলাম!
– মনে নেই সেদিনের কথা, সেদিন আমার বাড়িতে আমাকে নির্জন ঘরে পেয়ে কী ছেলে মানুষিটা না করেছিলে! মনে পড়ছে?
প্রশ্ন করেই সুমনা আমার দিকে কটমট করে তাকিয়ে ছিল।
আমি ব্যাপারটাকে উড়িয়ে দিতে বলেছিলাম- আসলে মেয়েদের কাছে কোনটা ছেলেমানুষি আর কোনটা বড়োমানুষি আমার আজো বোধগম্য নয়। তবে সেদিন তুমিও বড্ড মেয়েমানুষি করেছিলে।
– তার মানে?
– বলতে পারব না।
আমার ছোট্ট উত্তর শুনে সুমনা আমার বুকে হাত রেখে বলেছিল – তোমাকে কাছে পেলে আমার এমনই হয়।
– তোমার স্বামী যদি কোনোদিন এ সব কথা জানতে পারে কী হতে পারে ভেবেছ?
– জানবে। সেও কম নয়। আমি সব জানি। হাতে প্রমাণ আছে।
আমি ভেতরে ভেতরে কেঁপে উঠলেও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারিনি।

সেই সুমনা আবার ডাকছে। ঘরে স্বামী নেই। সেই নির্জন ঘর। আমার যদি আবার ছেলেমানুষি থুরি পুরুষমানুষিতে পেয়ে বসে? হঠাৎ সুমনার উপর রাগ হলো। এ ভাবে কেন ডাকে? আমাকে কী ভাবে চরিত্রহীন নারী লোলুপ পুরুষ? শুধু সুমনাকে দোষ দিচ্ছি কেন, সব মেয়েরাই বোধহয় পুরুষকে নিয়ে এমন খেলা খেলতে চায়। একটি তৃতীয় পক্ষ সব সময় রাখতে চায়।।
মনে মনে ভাবলাম, সুমনাকে ফোন করে বলে দিই, বউ-এর শরীর খারাপ। আজ কোথাও যেতে পারব না
ডাহা মিথ্য কথাটাই বলতে হবে। কারণ সুমনা যখন শরীর দিয়ে ডাকে তখন নিজেকে বড্ড ছোট মনে হয়।
একান্ত যদি যেতেই হয়, যাব চা- বিস্কুট খেয়ে বউ-এর শরীর খারাপের অজুহাত দেখিয়ে চলে আসব। আর চা পান করতে করতে জাপানের মৃত্যু অরণ্যের গল্পটা করব।

বাড়ি ফিরতে একটু রাত হল। হাত- মুখ ধুয়ে ফ্রেস হয়ে সোফায় বসতেই বউ অলকা ডাকে আসা একটা লিটল ম্যাগ হাতে ধরিয়ে বলল, তোমার গল্পটা পড়েছি। বেশ ভাল লাগল। চা করি?
কর।
ছোট্ট উত্তর।
অলকা কিচেনে। ঠিক সেই মুর্হূতে ফোন এল। সুমনার।
– তুমি এলে না? চিবিয়ে চিবিয়ে বলল সুমনা।
বেশি কথা এড়াতে বললাম, কাল যাব। আজ আমার শরীরটা ভীষন খারাপ।
– একথাটা তো ফোন করে জানাতে পারতে।
আবার চিবিয়ে কথা সুমনার।
বিশ্বাস কর ক’ দিন একটানা কাজের চাপের মধ্যে থেকে আজ খুব ক্লান্ত লাগছিল। তাই তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে এলাম।
– আমার কাছে আসলে আমি তো ক্লান্তিটা দূর করে দিতে পারতাম। সেই সুযোগটা দিলে না।
– কাল যাব। কিথা দিলাম।

চা পর্ব শেষ করে পড়ার ঘরে এলাম । কবিতার খাতা বের করে লিখলাম,
কাল এক মৃত্যু- অরণ্যে যাব। আমি যাব গভীর হতাশা আর এক মিথ্যে জীবন থেকে মুক্তি পেতে। এই অরণ্যের নাম, আওকিগহরা।
না না এই অরণ্যের নাম সুমনা হলে মন্দ কী?

Spread the love

Check Also

ধারাবাহিক কাহিনি, ‘কাশীনাথ বামুন’

 সৌমিককান্তি ঘোষ   কাশীনাথ বামুন কাশীনাথ দরজা খুলতেই পশ্চিমের পড়ন্ত আলোয় মায়ের মুখটা চিক্ চিক্ …

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্য গল্প, দ্বারকানাথের মেজদাদু

 দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়:   দ্বারকানাথের মেজদাদু দ্বারকানাথ ভূতে বিশ্বাস করেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বিশ্বাস …

তামাকপাতার দেঁজাভু সম্মাননা

 সীমিতা মুখোপাধ্যায়: হরেন দে ওরফে এবং হৃদয় এখন একজন মস্ত বড় কবি। তো দীর্ঘদিন কবিগিরি …

One comment

  1. Rajarshi Bardhan

    অখাদ্য গল্প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!