নীল রায়।
প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) ও নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের পর বেজায় বিপদে পড়েছেন দেশের বামপন্থীরা। তাঁর নোবেল জয়ের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আহ্লাদিত ছিলেন দেশের বামপন্থী নেতৃত্ব। অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Avijit Binyak Banerjee) তাদের শিবিরের লোক বলে ব্যাপক প্রচার করেছিলেন কমরেডরা। তার সঙ্গে উৎসাহ জুগিয়েছিল বঙ্গের বিজেপি নেতাদের বেশকিছু অবিবেচক মন্তব্যও। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Pijush Goel) থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা রাহুল সিনহারা অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আক্রমন করে বামপন্থীদের সুযোগ দিয়েছিলেন বিজেপিকে আক্রমণের। এমন মোক্ষম সুযোগকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে ছাড়েননি দেশের বামপন্থীরা। মঙ্গলবার ৭ নম্বর লোক কল্যান মার্গের বাড়িতে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের মুখ খোলেন অভিজিৎ। নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলার পর তাঁর রাষ্ট্রপরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে। উনি বেশ অনেকটাই সময় দিয়েছেন। দেশের ব্যাপারে তিনি কী চিন্তাভাবনা করেন সেই কথা আমাকে বলেছেন। তাঁর ভাবনাচিন্তা সত্যিই অনন্য। তিনি তাঁর প্রশাসন পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে কথা বলেন।”
এমন ঘটনার পরেই দেশ তথা বাংলার বামপন্থী নেতারা একেবারে চুপসে গিয়েছেন। সীতারাম ইয়েচুরি (Sitaram Yechuri) থেকে বৃন্দা করাট, সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে মহম্মদ সেলিমরা নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের পাশে দাঁড়ানোর অছিলায় গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণের কৌশল নিলেও এক্ষেত্রে তারা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakroborty) কোনও মন্তব্য করতে চাননি। সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এছাড়াও দেশের অন্য কোনও বামপন্থী নেতা এপ্রসঙ্গে মুখ খুলতে নারাজ! এমনটা প্রত্যক্ষ করে খানিক অবাকই হয়েছেন তারা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news