নিজস্ব সংবাদদাতা।
কর্নাটকের উপনির্বাচনে বড়সড় জয়ে অক্সিজেন পেল বিজেপি (BJP)। উপনির্বাচনে ১৫টি আসনের মধ্যে ১২টি আসনে বিজেপি জিতেছে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা। ফলে ইয়েদুরাপ্পার সরকার টিকে থাকা নিয়ে আর কোনও সংশয় রইল না। উপনির্বাচনের পর ২২৪টি আসনের কর্ণাটক বিধানসভায় বিজেপি পৌঁছে গেল ১১৮-য়। যা ম্যাজিক ফিগার ১১৩-র চেয়ে অনেকটাই বেশি। আর এই জয়ের রেশে উজ্জীবিত ঝাড়খণ্ডের বিজেপি। দু’দফায় ভোট হয়ে গিয়েছে ওই রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গের তিন উপনির্বাচনে পরাজয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই ধন্দ তৈরি হয়েছিল কেন্দ্রীয় বিজেপির অন্দরে। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্যে যাতে কোনওভাবেই হারের প্রভাব না পড়ে যেই কারণে ঝাড়খণ্ডের ভোটে জোর প্রচার শুরু করে বিজেপি। তাতেও সেই শঙ্কা কাটেনি। কিন্তু, কর্ণাটক উপ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে।
কারণ এই ১৫ আসনের উপনির্বাচনের উপরই নির্ভর করছিল ইয়েদুরাপ্পা সরকারের ভবিষ্যৎ। ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে অন্তত ৬টি আসনে জিততেই হত গেরুয়া শিবিরকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে এই ১৫টি আসনই ছিল কংগ্রেস (Congress) ও জেডি(এস)-র JD(S) দখলে। পরে এই দুই দলের বিধায়করা বিজেপিতে যোগ দেন। যার ফলে, তাঁদের বিধায়কপদ বাতিল হয়ে যায়। মোট ১৭ জন বিধায়কের বিধায়ক পদ বাতিল হয়েছিল। ফলে, ওই আসনগুলিতে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
এই উপনির্বাচনে সবচেয়ে বেশি লোকসান হল কংগ্রেসের। আগে ১৫টি আসনের মধ্যে ১২টি কংগ্রেসের দখলে ছিল। মাত্র দুটি আসন ধরে রাখতে পেরেছে তারা। ১০টি কমেছে তাঁদের। জয়ের পর ইয়েদুরাপ্পা বলেছেন, “এই জয়ে আমি খুব খুশি। এবার কোনও বাধা বিপত্তি ছাড়াই আমরা জনমুখী সরকার চালাতে পারব।” এই যত না বেশি স্বস্তি দিল কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীকে, তার চেয়ে ঢের বেশি অক্সিজেন দিয়ে গেল ঝাড়খন্ড (Jharkhand) বিজেপিকে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news