প্রসেনজিৎ মাহাতো:
কয়েকদিনের মধ্যে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ভাসবে বিশ্ব! শত ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করা চাই–ই–চাই। রাত জেগে টিভির সামনে বসে বিরাট কোহলির দলকে সমর্থন করা চাই। বিরাটের দলে এবারে ভারসাম্য রয়েছে, কাপ জেতার সম্ভাবনাও দেখছেন কিংবদন্তিরা।
সুরজিৎ সেনগুপ্ত: বিশ্বকাপে ফেবারিটের তালিকায় এক নম্বরে ভারত। কোহলির দল যে ফর্মে রয়েছে, এবারে ভারতই ফেবারিট। বিরাটের তুখোড় ফর্ম দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। ভারতীয় দলে ধোনির অভিজ্ঞতা, বিরাটের নেতৃত্ব আর তরুণ ব্রিগেডের লড়াইয়ের ক্ষমতা—এই তিনের মিশ্রণ দেখার জন্য আগ্রহী।
শীর্ষেন্দু মুখার্জি: ক্রিকেট আমি বরাবরই দেখি। এবারে বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে ভারসাম্য রয়েছে। তবে, টিমে একটু গণ্ডগোল রয়েছে বলে আমি মনে করি। ঋষভ পন্থকে কেন নেওয়া হল না বুঝলাম না। ওকে এই টিমে খুবই দরকার ছিল। ধারাবাহিক পারফরমেন্স করেছে ছেলেটা। ঋষভকে মূল দলে সুযোগ না দেওয়া আমি মেনে নিতে পািরনি। বিশ্বকাপ জেতার ভারতের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে, কিন্তু, ম্যাচের দিন কেমন পারফরমেন্স করে তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের সব ম্যাচই দেখব। আশা নিয়েই টিভির সামনে বসব।
পি সি সরকার (জুনিয়র): এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও প্ল্যান করিনি, তবে কাজের মাঝেও খেলা দেখার সময় ঠিক বের করে নেব। বিশ্বকাপ দেখার জন্য আলাদা করে প্ল্যান করার দরকার হয় না, ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। ভারত চেষ্টা করলে এবারের কাপ জিততেই পারে। অন্যান্য টিমগুলোর সঙ্গে ভারতও সমান শক্তিশালী। অধীর আগ্রহে টিভির সামনে বসব, বিরাটের হাতে কাপ দেখতে চাই।
ইমন চক্রবর্তী: ইন্ডিয়ার খেলা একটাও মিস করব না। রাত জাগতে তৈরি। কিন্তু, আমি ফুটবলকে বেশি ভালবাসি। ক্রিকেট বিশ্বকাপে আমাদের দেশ খেলে, ক্রিকেট পছন্দ না করলেও দেখতে হবে। এবং অবশ্যই চাইব, এবারে ভারত কাপ জিতুক। আরও একটা জিনিস চাইব, পাকিস্তানকে হারাক বিরাট কোহলিরা। বরাবরের জন্য আমি ধোনির ভক্ত। চাইব, বিশ্বকাপে ধোনি ভাল পারফরমেন্স করুক।
রাঘব চ্যাটার্জি: খুব খেলা পাগল লোক আমি নই। আমার যেটুকু খেলাধুলো পছন্দ হয়, সেটা হল ফুটবল। কিন্তু, আমার পরিবার ক্রিকেট পাগল। আমার বাবা (তড়িৎ চ্যাটার্জি) মোহনবাগানের ক্রিকেট টিমে খেলেছেন। আমার বাচ্চারাও ক্রিকেট ভালবাসে। মেয়েদের জন্যই ফুটবল ছেড়ে ক্রিকেট সমর্থক হয়ে উঠতে হয়। ভারতকে নিয়ে এবারে আশাবাদী। সকলেই বেশ ভাল পারফরমেন্স করছে। দেখা যাক কী হয়।
যীশু সেনগুপ্ত: বিশ্বকাপ হবে, দেখবো না তা কী করে সম্ভব। ভারতের সবকটা ম্যাচই দেখব। অবশ্যই আশা করব বিলেত থেকে কাপ নিয়েই ফিরুক কোহলি।
গার্গী রায়চৌধুরি: সত্যি বলতে রাত জাগা একটু চাপের আমার কাছে। তবে, ভারতের সবকটা ম্যাচ দেখব। ইংল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচটা দারুণ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এবারে কাপ জেতার সুযোগ রয়েছে বিরাটদের।
আমার সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকার। তারপরে ভিভ রিচার্ডস। ভিভের অ্যাটিটিউড দারুণ লাগে। এই দুজনের পর শচীন তেন্ডুলকার, ধোনি এবং অবশ্যই বিরাট কোহলি আমার ফেবারিট।
অগ্নিমিত্রা পাল: ভারতের খেলা নিশ্চয়ই দেখব। আশা করি এবারে কাপটা আমাদের দেশে আসবে। টিম ইন্ডিয়া কাপ জেতার জন্য যোগ্য দল। সেইসঙ্গে বিরাটের ওপর আমাদের সকলেরই খুব আস্থা। ও থাকা মানে দলের শক্তি অনেকটাই বেড়ে যাওয়া। বিরাটের টিমের জন্য শুভেচ্ছা রইল।
পি কে ব্যানার্জি: ফুটবল আমার রক্তে থাকলেও ক্রিকেটও বেশ পছন্দ করি। বিশেষ করে এই জেনারেশনের মধ্যে বিরাট কোহলির আগ্রাসনকে তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করি। ওর জন্য গোটা ভারতীয় দলের সাহস এসেছে। কোনও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলতে ভয় পায় না আমাদের দেশ। চোখে চোখ রেখে লড়াই করে। আশা করি বিশ্বকাপেও ভাল ফল হবে।
বুলা চৌধুরি: রাত জাগা আমার একদম অভ্যাস নেই। ভোরবেলা ওঠার অভ্যেস। তবু, আমার দেশ যখন বিশ্বযুদ্ধে নামে, তখন চোখ বড় বড় করে হলেও রাত জাগার চেষ্টা করব। ভারতের সব ম্যাচগুলো দেখা চেষ্টা করব। চাইব, ভারত বিশ্বকাপ জিতুক।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news