চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
লকডাউন (Lockdown) খুলে দিয়ে কার্যত নভেল করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণ ও তার জেরে বেড়ে চলা মৃত্যুর সংখ্যায় রাশ টানতে কালঘাম ছুটছে রাজ্য সরকারের। বুধবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের নিরিখে বঙ্গে মৃত্যুহার ৫.৩০ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে মৃত্যুর হার কী ভাবে কমানো যায়, কোভিড ১৯ নিয়ন্ত্রণে সেটিই এখন স্বাস্থ্য দফতরের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, বারাসত হাসপাতালের মেডিসিনের সিস্টার-ইন-চার্জ গত ১ জুন মারা গিয়েছেন। নমুনা পরীক্ষার ফলে করোনার প্রমাণ মিলেছে। স্বাস্থ্য ও পুলিশি ব্যবস্থার মধ্যে ক্রমেই বেড়ে চলা কোন সংক্রমণ উৎকণ্ঠা বাড়িয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। এমতাবস্থায় কোন পথে চলে অর্থনীতিকে সক্রিয় রাখার পাশাপাশি কোভিদ সংক্রমণকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে সেদিকেই নজর স্বাস্থ্য ভবনের।
করোনা বুলেটিন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৯টি কোভিড হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। তাতে কোভিড শয্যার সংখ্যা ৮৭৮৫টি। আইসিইউ ৯২০। সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের কথা মাথায় রেখে আরও হাসপাতাল তৈরির পাশাপাশি আইসিইউয়ের সংখ্যাবৃদ্ধি এবং অক্সিজেন সরবরাহের পরিকাঠামোর উপরে জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্যভবনের চিন্তার পিছনে রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা ও হুগলি জেলার করোনা পরিসংখ্যান। বিশেষত কলকাতা। বুধবার পর্যন্ত কলকাতায় মোট
করোনা পজ়িটিভের সংখ্যা হল ২৩৯৪, মোট মৃত ১৭৭। শতাংশের বিচারে কলকাতার যা মৃত্যুহার ৭.৩৯। তা ঘটনাচক্রে এদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহারাষ্ট্র ৩.৪০, গুজরাত ৬.১৯, উত্তরপ্রদেশ ২.৬৫, মধ্যপ্রদেশ ৪.৩২ এবং রাজস্থানের ২.১৬ থেকেও বেশি। তাই এমন পরিসংখ্যান ঘুম কেড়েছে স্বাস্থ্য ভবনের শীর্ষ কর্তাদের।
সরকারের লক্ষ্য প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের এক পদস্থ কর্তা বলেছেন, ‘‘এখন সংক্রমণের সংখ্যা বাড়বে। তাতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমাদের এখন প্রধান লক্ষ্য মৃত্যুর সংখ্যা কমানো। মৃত্যু ঠেকাতে কোথায় কী ধরনের প্রোটোকল মেনে চিকিৎসা চলছে, সে সব বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এম আর বাঙুর আগের থেকে অনেক উন্নতি করেছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজও একটা জায়গায় চলে এলে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।’’
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news