চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
চিনের আগ্রাসন নীতির বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দাঁড়াল আমেরিকা (USA)। ভারতের ভূখণ্ড দখল করতেই যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে পিপলস লিবারেশন আর্মি (People Liberation Army), তা প্রকাশ্যে জানিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার আমেরিকার পার্লামেন্টে বৈদেশিক নীতি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেনেটের মেজরিটি লিডার মিচ ম্যাককোনেল বলেন, “১৯৬২ সালের পর ভারত ও চিনের মধ্যে সবথেকে বড় সংঘর্ষের প্রধান কারণ হল জমি। ভারতের এলাকা দখলের জন্যই নিজেরা এগিয়ে এসে সংঘর্ষ করেছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি।” তিনিআরও বলেন, “আমেরিকা ও তার সহযোগী দেশগুলির সামনে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় শত্রুর নাম হল চিন। তারা চাইছে ধীরে ধীরে এভাবেই আগ্রাসন নীতি নিয়ে নিজেদের দেশের সীমানা বিস্তার করতে।”
মিচ ম্যাককোনেল বলেন, “এটা আলাদা করে বলার দরকার নেই যে প্রতিটি দেশ এই মুহূর্তে বিশ্বের দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের মধ্যে যে লড়াই চলছে সেদিকে নজর রেখেছে। কোনও ভাবেই এই সংঘাতের মাত্রা যেন খুব বেশি না হয়, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। সব দেশই চাইছে শান্তির মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হোক। কিন্তু গোটা বিশ্ব জানে, কী ভাবে নিজেদের সীমানার মধ্যে থাকা নিজেদের দেশের মানুষের বিরুদ্ধেই অত্যাচার করে পিপলস রিপাবলিক অফ চিন।” তিনি আরও বলেছেন, “সেক্ষেত্রে অন্য দেশের ক্ষেত্রে তো আরও বেশি হিংস্রতা তারা দেখাবেই। চিন চাইছে আন্তর্জাতিক দুনিয়ার মানচিত্রে বদল ঘটাতে। অন্য দেশের এলাকা নিজেদের দখলে নিয়ে এই কাজ করতে চাইছে তারা।”
প্রসঙ্গত, ৬ জুন সেনা পর্যায়ে বৈঠকের গান উপত্যকা থেকে সেনাবাহিনীর সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে সম্মতি জানালেও তেমনটা করেনি পিপলস লিবারেশন আর্মি। বরং লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনার ওপর পরিকল্পিত হামলা চালায় তারা। সেই হামলায় কুড়িজন ভারতীয় জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ভারতীয়দের মনে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে চিনের এই কার্যকলাপ সমর্থন পাবে না তা এদিন মার্কিন সিনেটের বুঝিয়ে দিয়েছে নিজের বক্তব্য।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news