চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো:
একটিও গুলি চলেনি, হয়নি কোনও বোমা বর্ষণ, অথচ ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর সংঘর্ষে ২০ জওয়ান শহীদ হয়েছেন। সংঘর্ষ যখন শুরু হল তারপর ভারতীয় সেনারা কেন অস্ত্রের ব্যবহার করলেন না। এবার এই প্রশ্ন তুললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। অন্যদিকে সরকারের যুক্তি, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অস্ত্র ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত আগে থেকে চলে আসছে।
আজ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গাঁধী এক ভিডিও বার্তায় প্রশ্ন তোলেন, “যখন হামলা হল ভারতীয় জওয়ানরা কেন অস্ত্রের ব্যবহার করলেন না? অস্ত্র ছাড়া কে তাঁদের সীমান্তে পাঠাল? কেন পাঠাল? এখন এর দায় কে নেবে?” রাহুলের সুরেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংহ বলেন, যখন দুই বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হচ্ছিল, তখন ভারতীয় সেনারা অস্ত্রের ব্যবহার করতে পারত। কংগ্রেস নেতৃত্বের এই প্রশ্নের পরেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর টুইট করে জানান, ১৯৯৬ ও ২০০৫ সালে ভারত ও চিনের মধ্যে চুক্তি বলা হয়েছিল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর কেউ অস্ত্র ব্যবহার করবে না। সেইমতো ভারতীয় জওয়ানরা অস্ত্র ব্যবহার করেননি।
একইসঙ্গে এই ঘটনার জন্য চিন নিয়ে মোদী সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন রাহুল। তিনি বলেন, “জেনে বুঝে হামলা চালিয়েছে চিন। মোদী সরকার ঘুমিয়ে ছিল। তার মূল্য সেনাবাহিনীকে দিতে হল।” রাহুলের এই মন্তব্যের পরেই পাল্টা আসরে নামে বিজেপি শিবির। বিজেপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, “দায়িত্ব জ্ঞানহীন মন্তব্য রাহুল গাঁধীর। ভারত-চিন চুক্তি অনুযায়ীই সেনাবাহিনী কাজ করেছে। সেনার কাজের ওপর ভরসা রাখা উচিত কংগ্রেসের। এই সময় রাজনীতি করা উচিত নয়।” পাশাপাশি রাহুলের এই অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বিভিন্নমহলে। ১৫ জুন সংঘর্ষ হয়েছে অথচ এতদিন চুপ ছিলেন রাহুল। আজ সর্বদলীয় বৈঠকের দিন তিনি হঠাৎ কেন সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন। পুলওয়ামার মতো এখানেই কী রাজনৈতিক অস্ত্র ব্যবহার করতে চাইছেন রাহুল? উল্লেখ্য, আজ চিন নিয়ে আলোচনার জন্য সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কংগ্রেস সহ সমস্ত বিরোধীরা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news