Breaking News
Home / TRENDING / “দিদিকে বলো”-তে ফোন করে দুর্গাপুরে নেতাদের হাতে মার খেলেন এক তৃণমূল কর্মী

“দিদিকে বলো”-তে ফোন করে দুর্গাপুরে নেতাদের হাতে মার খেলেন এক তৃণমূল কর্মী

নীল রায়।

“দিদিকে বলো” কর্মসূচিতে সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে মার খেলেন দুর্গাপুরের এক তৃণমূল কর্মী। বিধায়ক ও বোরো চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগ “দিদিকে বলো”-র হেল্পলাইন নম্বরে জানিয়েছিলেন ওই তৃনমূল কর্মী। অভিযোগ দিদিকে বলো-তে ফোন করার পর প্রথমে স্থানীয় নেতাদের হুমকি, ও পরে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয় তাঁর। ফলে প্রশ্ন উঠেছে “দিদিকে বলো”-র উদ্যোগ নিয়ে।

কংগ্রেসের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল ও দুর্গাপুরের ৪ নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন দলেরই একনিষ্ঠ কর্মী টটোন দাস। ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় “দিদিকে বলো” শুরু করেন। দলের জেলা স্তরের নেতাদের দুর্নীতির কথা ফোন করে সরাসরি “দিদিকে বলো”-র হেল্পলাইনে জানান দুর্গাপুরের লেবারহাটের বাসিন্দা তৃনমূল কর্মী টটোন দাস। ওই তৃনমূল কর্মীর দাবি, হেল্পলাইন থেকেই তাঁকে বিষয়টি পুলিশকে জানাতে বলেন। সেই মতো টোটন যান পুলিশের কাছে। পুলিশ মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার জন্য দুপক্ষকে থানায় ডাকা হয়। কিন্তু অভিযোগ, সেই সময় ওই তৃনমূল কর্মীর ওপর হয় অতর্কিত হামলা। মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয় টটোনের। রক্তাক্ত অবস্থায় টটোন বলেন “দিদিকে বলো” –তে ফোন করার পরেই আমার এই পরিণতি। এমনকি আমার স্ত্রীকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, গত শনিবার দুর্গাপুর জেলা তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি ও দলের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল ও তাঁর ঘনিষ্ঠ দুর্গাপুরের ৪ নম্বর বোরো কমিটির চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী টোটন দাস ও নুরুল হুদা । তখন থেকেই গোলমালের সূত্রপাত। টোটন দাস ২০০৭ সাল থেকে বিশ্বনাথ পাড়িয়ালের সঙ্গেই তৃণমূল করতেন। ২০১৬ সালে টিকিট না পেয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিশ্বনাথ পাড়িয়াল কংগ্রেসে চলে যান। বিশ্বনাথ পাড়িয়াল তৃণমূল ছাড়লেও টোটন দাস ছাড়েননি। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই বিশ্বনাথ পাড়িয়াল আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। টোটন দাসের অভিযোগ, বিধায়কের নির্দেশ অমান্য করে তৃণমূল না ছাড়ায় বদলা নিতেই তাঁর বাবাকে ইন্ডিয়ান অয়েল বটলিং প্লান্টের চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হয়। টটোনের আরও অভিযোগ, তাঁর বাবার চাকরি কেড়ে নেওয়ার পেছনে বিশ্বনাথ পাড়িয়াল ও চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত রয়েছে। যদিও অভিযোগ প্রসঙ্গে চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ” টোটন মিথ্যা বদনাম করছে।”

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *