নীল রায়। একেই বলে, ঠেলার নাম বাবাজি! লোকসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের ধাক্কা সামলা দিতে নীচুতলার কর্মীদের অভাব অভিযোগ শুনতে তৎপর হল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। সম্প্রতি এক নির্দেশনামা জারি করেছেন তাঁরা। সেই নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, এবার থেকে পালা করে সপ্তাহে একদিন দুপুর ৩টে থেকে সন্ধ্যে ৭টা অবধি নেতারা তৃণমূল ভবনে বসতে হবে শীর্ষ নেতাদের। বসে তাদের শুনতে হবে নীচুতলার কর্মীদের মনের কথা। এই তালিকা মেনে সোমবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, মঙ্গলবার সুজিত বসু, বুধবার শুভেন্দু অধিকারী, বৃহস্পতিবার সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শুক্রবার শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রবিবার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্য দলের সদর কার্যালয়ে বসবেন। এছাড়াও প্রতিদিন সকালে ইন্দ্রনীল সেন ও পূর্ণেন্দু বসুকে তৃণমূল ভবনে বসে জনসংযোগ করতে বলেছেন ওপরতলার নেতারা। তৃণমূল নেতৃত্বের এমন দাওয়াইয়ে কতটা কাজ হবে তা নিয়ে ধন্দে কর্মীমহল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা ভবানীপুরের এক তৃণমূল কর্মীর কথায়, এখন আর নেতাদের তৃণমূল ভবনে বসে কিছু হবে না। যদি, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের মতো বুথে বুথে গিয়ে কর্মীদের মনের কথা জানতে পারেন নেতারা। তবেই ২০২১ সালে যে আশঙ্কার কথা তৃণমূল কর্মীরা ভাবতে শুরু করেছেন, তা আটকানো যাবে। ঘটনাচক্রে, যে সমস্ত তৃণমূল শীর্ষ নেতাদের ভবনে বসতে বলা হয়েছে, সেই তালিকায় নেই দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী ও মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এমনিতেই কর্মী মহলে খুব বেশি জনপ্রিয়তা নেই এই দুই নেতার। তাই দলের সিদ্ধান্ত জেনে কর্মী মহলে মস্করা, বক্সীদা ও পার্থদা শীর্ষ নেতৃত্বেরও ওপরে বিরাজ করেন। তাই দিদিও এদের তৃণমূল ভবনে বসার নির্দেশ দিতে পারেননি।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news