নীল রায়।
“দিদিকে বলো” নিয়ে প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শে নিজের ভাবমূর্তির রি-ব্র্যান্ডিং শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন উদ্যোগকে কর্পোরেটাইজেশন বলে মানতে নারাজ তিনি। মমতা মতে, “তৃণমূলের আধুনিকীকরণ শুরু হল বলতে পারেন”। সোমবার গাঢ় নীল কাপড়ে ঘেরা অস্থায়ী সাংবাদিক সম্মেলনের মঞ্চে বেশ অচেনা লাগছিল দিদিকে। উধাও তাঁর চারপাশের ঘনিষ্ঠদের বৃও, নেই নিরাপত্তারক্ষীদের বাড়াবাড়ি। মঞ্চে একা বসে মমতা বলেন, “সাধারণ মানুষের সঙ্গে তৃণমূলের বন্ধন আরও জোরদার করতে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি চালু করতে চলেছে তৃণমূল। এই কর্মসূচির অধীনে প্রকাশ করা হয়েছে একটি ফোন নম্বর ও একটি ওয়েবসাইট। থাকছে একটি ওয়েবসাইটও। সেখানে নিজেদের অভাব অভিযোগ বিস্তারে জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ।” ৯১৩৭০৯১৩৭০ নম্বরে ফোন করে বা www.didkebolo.com-এ গিয়ে জানানো যাবে অভিযোগ।
এছাড়া কর্মসূচির আওতায় আগামী ১০০ দিনে রাজ্যের প্রতিটি গ্রামে গ্রামে যাবেন তৃণমূল নেতারা। নিজের নির্বাচনী এলাকায় একটি গ্রামে রাত কাটাবেন তাঁরা। গ্রামেই পতাকা উত্তোলনও করবেন। কে কোন গ্রামে যাবেন তা ঠিক করবে দলীয় নেতৃত্ব। গ্রামে গিয়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা। মিশে যাবেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে। কথা বলবেন গ্রামের বিশিষ্ট মানুষজনেদের সঙ্গে। রাতে কোনও দলীয় কর্মীর বাড়িতে সদলবলে রাতের খাবার খাবেন তাঁরা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনের এখনো বাকি ২০ মাস। প্রায় পৌনে দুই বছর। তাই এখনই নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন না তাঁরা।” তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে নবান্নে একটি গ্রিভেন্স সেল তৈরি করেছি। সেখানে সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে।”
হোল টাইমার নিয়োগের খবর প্রকাশ পাওয়ায় বেজায় বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল গরিবদের দল। তাই আমাদের বিজেপি, সিপিএমের মতো হোল টাইমার রাখার সামর্থ নেই। দলীয় কর্মীরাই সব কাজ করবেন।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news