Breaking News
Home / TRENDING / পাড়ায় পাড়ায় ‘সমাজ বন্ধু’র খোঁজে তৃণমূল

পাড়ায় পাড়ায় ‘সমাজ বন্ধু’র খোঁজে তৃণমূল

সূর্য সরকার।

আইনি সমস্যা? হাতের নাগালেই ‘বন্ধু’। এলাকায় কোথাও জমা জল থেকে ডেঙ্গু ছড়াচ্ছে? মুশকিল-আসান আছে সেই ‘বন্ধু’। ভোটার লিংকে সমস্যা হোক কিংবা হঠাৎ ডাক্তারের দরকার আছেন তিনিই। ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করা বা পুরসভার ট্যাক্স দিতে হবে হয়রানি হচ্ছে, আছেন সেই ‘বন্ধু’। শহর কিংবা মফস্বল পাড়ায় পাড়ায় এমন পরোপকারী ‘বন্ধু’র দেখা মেলে। এমনই মুশকিল আসান খুঁজছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। ‘সমাজ বন্ধু’র খোঁজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তারা কেউ হতে পারেন প্রাক্তন বিচারপতি কিংবা প্রাক্তন আমলা কিংবা দুঁদে আইনজীবী! আবার কেউ প্রাক্তন শিক্ষক বা সমাজের অন্য কোনও ক্ষেত্রের বিশিষ্ট। সূত্রের খবর আগামী এপ্রিল-মে মাসে রাজ্যের ১০৭টি পৌরসভা নির্বাচন। যার মধ্যে রয়েছে কলকাতা (Kolkata), হাওড়া, আসানসোল ও শিলিগুড়ির মত বড় পৌরনিগম। একুশের ভোটের আগে যা রাজ্যের মিনি বিধানসভার ভোটও বটে। তাই বিহারী ভোট গুরু প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) কথায় তৃণমূল নেতৃত্বের এমন কৌশল নিচ্ছে বলেই খবর।

কিন্তু সব পাড়ায় যে বিশিষ্ট দেখা মিলবে তা তো নয় সেক্ষেত্রে পাড়ায় পাড়ায় মানুষ মান্যিগন্যি করে এমন অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পাওয়া যায় প্রয়োজনে তারাও থাকবে এই তালিকায়। পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এমনই মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে এসে তাদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ স্থাপন করতে চায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দল। সারা রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন গায়ে গঞ্জে অলিতে-গলিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এমন কিছু মানুষ যারা প্রতিবেশীর বিপদে-আপদে যখন তখন এগিয়ে এসেছে এবার তাদেরকে একত্রিত করে কোথাও সমাজের সঙ্গে দলের দলের একটা যোগসূত্র তৈরিতে ইচ্ছুক তৃণমূল। ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে সমস্ত ব্লক প্রেসিডেন্টদের এমনই ২০ জন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের নামের তালিকা, ফোন নম্বর, রাস্তার নাম- ঠিকানা সহ একটি তালিকা তৈরি করে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে। উদ্দেশ্য অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদি! কিন্তু আদতে লক্ষ্য সামনের পুরভোট।

সূত্রের খবর, পুরভোটের আগে বিভিন্ন এলাকায় এমনই বিশিষ্টদের মত শুনতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব। বলা যেতে পারে পুরভোটের আগে এক ধরনের সমীক্ষা। একদম নিচের তলায় দলের জনপ্রতিনিধিদের ভাবমূর্তি কেমন, তাদের কি পরিচয়, মানুষ কি তাঁকে চাইছেন? নাকি সেই জাযগায় অন্য কাউকে প্রার্থী করলে ভালো হয়, এই সবকিছু নিয়েই একটা সমীক্ষা করতে চায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দল। কিন্তু এসবের এসবের বাইরে আরও একটি বড় ক্ষেত্র তৈরির তাগিদ রয়ছে তৃণমূলের। কি সেই ক্ষেত্রে? অনেক সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে এলাকায় অসন্তোষ, অভিযোগ থাকে। কখনও জনপ্রতিনিধিকে বারবার জানিয়েও তাঁকে দিয়ে কোনও কোন কাজ হয় না। সেক্ষেত্রে দল, প্রশাসন এবং আমজনতা সঙ্গে এক নিবিড় যোগসূত্র রাখতে এদেরকে কাজে লাগানো যেতে পারে।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *