নীল রায়।
প্রশান্ত কিশোরের নির্দেশে “দিদিকে বলো” কর্মসূচিতে কর্মীদের বাড়িতে রাতে খাওয়া ও পড়ে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, শনিবার রায়দিঘির বিজেপি অঞ্চল কমিটির সদস্য তপন কপাটের বাড়ি গিয়ে কব্জি ডুবিয়ে খেয়ে এলেন মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়া। তাঁর সঙ্গে দলের আরও কিছু কর্মী ছিলেন। সবাই মিলে বিজেপি কর্মীর বাড়িতেই দুপুরের খাওয়া দাওয়া করেন। এলাকার কী সমস্যা আছে, তা নিয়ে কথাও হয় তপনের সঙ্গে কথাও হয় তৃণমূল সাংসদের।
সূত্রের খবর, বিজেপি নেতা তপন তাঁকে জানিয়েছেন, এলাকার রাস্তাঘাট বেহাল। হাসপাতালেও ডাক্তার নেই। একজন ডাক্তার আছেন, তাঁর পক্ষে সবদিক সামলানো সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয় ব্রিজের অবস্থাও খুব খারাপ। রাস্তার ঢালাই উঠে গিয়ে জায়গায় জায়গায় গর্ত হয়েছে। এই সব দিকে সাংসদকে নজর দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
বিজেপির তপন কপাটকে প্রশ্ন করা হয়, বিজেপি কর্মী হয়ে তৃণমূল সাংসদের এ ভাবে বাড়ি আসাকে কীভাবে দেখছেন? উত্তরে তিনি বলেন, “আমি সাধারণ মানুষ। উনি আমাদের এমপি। এমপি হিসেবেই আমি ওনাকে গ্রহণ করেছি। অতিথি হিসেবেই উনি আমার বাড়িতে এসেছেন। আমি ওনাকে আপ্যায়ণ করেছি।” এ প্রসঙ্গে চৌধুরী মোহন জাটুয়ার বলেন, “সাংসদ হিসেবে আমি কোনও দল দেখি না। আমি দু’লক্ষের বেশি ভোটে জিতেছি। তাই সবাইকে আমি আমার কাছের লোক মনে করি। এখানেও আমি কোনও দল দেখে আসিনি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে এলাকার সমস্যা শুনতে এসেছি।” প্রসঙ্গত মথুরাপুর এলাকা থেকে তিনবার সাংসদ হয়েছেন এই প্রাক্তন আই পি এস অফিসার। অভিযোগ, তা সত্বেও এলাকায় পর্যাপ্ত সময় দেন না তিনি। সঙ্গে এলাকার সমস্যার প্রতি ও তাঁর দৃষ্টি নেই। তবে তাঁর এই আচমকা বিজেপি কর্মীর বাড়িতে এসে খাওয়া দাওয়া প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শেই কিনা, তা নিয়ে মুখ খোলেননি চৌধুরী মোহন জাটুয়া।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news