নীল রায়। এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নেত্রীদের সন্তান-সন্ততিরা! অর্থাৎ এই ইস্যুতৈ বেজায় চাপে পড়েছে বাংলার শাসক দলের সব বড় নেতারা। ঘরেই তাঁরা বিদ্রোহ সামাল দিতে ব্যর্থ । পিজি হাসপাতালে জুনিয়র চিকিৎসকদের হুমকি দিয়ে কার্যত রাজ্য জুড়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তিনিই না, সেই তালিকায় রয়েছে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও বারাসাতে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তারদের সমর্থনে মিছিলে হেঁটেছেন। সেই ছবি প্রকাশ পেয়েছে সংবাদ মাধ্যমে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র আবেশ। বাবা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, আবেশকে কখনও সক্রিয়ভাবে রাজনীতির মঞ্চে দেখা যায়নি। এই প্রথম কোনও প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিতে দেখা গেল সদ্য কেপিসি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক শাস্ত্র পাস করা আবেশকে। ফেসবুকে দুটি পোস্ট করে জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ফিরহাদ হাকিম কন্যা শাববা। তাঁর কথায়, “আমি তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হয়েও বলছি চিকিৎসক হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব রয়েছে। একজন চিকিৎসকের অবস্থান থেকেই আমি জুনিয়র ডাক্তারদের সমর্থন জানিয়েছি।” আবার কাকলি ঘোষ দস্তিদার এর চিকিৎসা পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার ফেসবুকের বেশ কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করে এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন। নিজের পোস্টের গোড়াতেই বৈদ্যনাথ লিখেছেন, “আমি এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আছি, ভার মে যায় রাজনীতি!” সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ করে লিখেছেন, “২০০ জন উর্দুভাষী মানুষ এসে হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের উপর হামলা চালাল । আর গ্রেপ্তার করা হল মাত্র ৫ জনকে।” মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতারা জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে আক্রমণ করছে। কিন্তু তাদের সন্তান সন্ততিরা প্রকাশ্যেই সেই জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন জানানোয় অন্দরে অন্দরে বেজায় চাপে পড়েছে তারা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news