চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
ভাঙড়ে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থামার কোনও লক্ষণ নেই। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া গোলমাল চলেছে রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত। সোমবার সকালেও থমথমে ভাঙড়-১ নম্বর ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ভাঙড়-১ (Bhangore-1) নম্বর ব্লকের নেতা কাইজার আহমেদ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি তথা ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক সওকত মোল্লার অনুগামীরাদের মধ্যে এলাকা দখল ঘিরেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলেই জানিয়েছে, ভাঙড়ের একটি স্থানীয় সূত্র। সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন ভাঙড়-১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি মোল্লা, তৃণমূল নেতা আয়নাল মোল্লা-সহ আট জন।
শনিবার রাতের অশান্তির ঘটনায় বোমার আঘাতে বাদল মোল্লার পেটের নীচে গুরুতর আঘাত লাগে। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার এক হাসপাতালে। গত শনিবার থেকে চলা সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো কোনও গ্রেফতারি হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। যদিও ভাঙ্গড় থানার পুলিশ জানিয়েছে দুষ্কৃতীদের ধরতে এলাকাজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে তারা। কিন্তু প্রকাশ্যে বোমাবাজি করে কিভাবে শাসকদলের দুষ্কৃতীরা পার পেয়ে যাচ্ছেন তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পুলিশ। কারণ এবার বোমাবাজি হয়েছে বাসন্তী হাইওয়ে লাগোয়া এলাকায়। যা কিনা সুন্দরবন যাওয়ার অন্যতম পথও বটে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ সংলগ্ণ এলাকায় বোমাবাজির পর পুলিশ কিভাবে দুষ্কৃতীদের ধরতে অসমর্থ হয় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলছিলই। শনিবার সেই লড়াই প্রকাশ্যে চলে আসে। কাদের ত্রাণ দেওয়া হবে তা নিয়ে তালিকা বানানো হচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই দুপক্ষের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। স্থানীয় সূ্ত্রে খবর, শনিবার রাতে গোবিন্দপুরের দলীয় কার্যালয়ে লক্ষ্য করে চলে ইট বৃষ্টি। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। এমনকী যুব তৃণমূলের অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news