চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ত্রাণ নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। সম্প্রতি এমনই অভিযোগ উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে চিঠি পাঠিয়েছেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান ও বাম পরিষদীয় দলের নেতা সুজন চক্রবর্তী। একই অভিযোগ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে। দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র পরিবার পিছু ১৯ কেজি করে চাল বিনামূল্যে দিলেও রাজ্য মানুষকে দিচ্ছে অনেক কম চাল। তা-ও দেওয়া হচ্ছে তৃণমূলের স্টিকার লাগিয়ে।

বৃহস্পতিবার রাতে এক ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে আব্দুল মান্নান অভিযোগ করেছেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী, করোনার মত মহামারীকে সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করতে বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে গত সপ্তাহে সোমবার নবান্নের সভাগৃহে একটি সর্বদলীয় সভা আহ্বান করেছিলেন। আহুত সব দলের প্রতিনিধিরা দলমত নির্বিশেষে একসুরে আপনাকে সব রকম সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন পর্যন্ত আমরা আমাদের সাধ্যমত সাহায্য ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলেছি। মহামারী প্রতিরোধের এই লড়াই খুবই কঠিন। মারণরোগের আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য জনতার এই সর্বাত্মক লড়াইয়ে কোথাও কোথাও কিছু ভুল ত্রুটি হতেই পারে।” তিনি আরও বলেন, “সঙ্কটময় এই মূহুর্তে বিতর্ক তুলে জনতার লড়াইকে দূর্বল করার অভিপ্রায় কখনো কারও কাম্য নয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় দেশের মানুষ যখন এই মারণরোগের মুখে অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তখন দেশের সরকারের ভুমিকা দেশের কোটি কোটি অসহায় মানুষের এই প্রবাদ বাক্যটি কারও পোষ মাষ, কারও সর্বনাশ ” মনে পড়ছে। তা না হলে কখনও সরকারের দেওয়া ত্রাণ সামগ্রী অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছানোর সময় প্যাকেটের উপর দলীয় নির্বাচনের প্রতীক সহ নেতা, নেত্রীর ছবি ছাপিয়ে বিতরণের মত ঘৃণ্যতম কাজ কেউ করতে পারেন ?”

অন্যদিকে, বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, “সরকারের তরফে মানুষকে পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের সাংসদ, বিধায়ক সহ সব স্তরের জনপ্রতিনিধিদের ব্রাত্য করে রাখা হয়। কেবল মাত্র সরকারি দলের প্রতিনিধিরা এমনকি দলীয় কর্মীরা দলীয় পতাকা নিয়ে এই জঘন্যতম কাজ কি করে করতে পারেন?”

Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news