নীল রায়। “মুকুল এফেক্টে” রুখতে ব্যারাকপুরে “ড্যামেজ কন্ট্রোল কমিটি” গড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার মধ্যমগ্রামের জেলা পার্টি অফিসে বৈঠকে বসেছিলেন জেলা তৃণমূল সর্বস্তরের নেতারা। ঘটনাচক্রে, এদিনই ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের নৈহাটি, ভাটপাড়া, কাঁচরাপাড়া ও হালিশহর পুরসভা হাতবদল হল বিজেপিতে। দিল্লিতে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের হাত ধরে তৃণমূলের তেরঙ্গা পতাকা ছেড়ে বিজেপির গেরুয়া ঝান্ডা তুলে নিয়েছেন এই চার পুরসভার কাউন্সিলরা। সঙ্গে ভাটপাড়ার লাগাতার অশান্তিও কিছুটা চাপে রেখেছে বাংলা শাসকদলকে। তাই গোটা ব্যারাকপুর এলাকায় বিজেপির মোকাবিলা করতে একটি কমিটি করা হয়েছে রাজ্যের প্রায় হাফ ডজন মন্ত্রীকে নিয়ে। এই কমিটির কথা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কমিটিতে রয়েছেন, উওর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, পরিষদীয় মন্ত্রী তাপস রায়, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, বিধানসভার মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষ, প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র, বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু, নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক ও মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষ। কিন্তু কীভাবে এই কমিটি কাজ করবে? সে বিষয়ে কোনও খোলসা করেনি তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল অর্জুন সিং ও মুকুল রায়ের মতো নেতাদের মোকাবিলা করার মতো রাজনৈতিক অস্ত্র এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে নেই। তাই হাফ ডজন মন্ত্রীকে ব্যারাকপুর লোকসভা এলাকায় পাঠিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কারণ, ব্যারাকপুর থেকে ভাঙনের বার্তা যদি গোটা বাংলায় একবার সংক্রমিত হতে শুরু করে, তাহলে তা রোখা মুশকিল হয়ে পড়বে। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। তাই “ড্যামেজ কন্ট্রোল কমিটি” গড়ে বিজেপিকে আটকানোর ছক তৃণমূল নেতৃত্বের।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news