নীল রায়।
২১ জুলাই শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো জানিয়েছেন ২০০৯ সালে তাঁর দল লোকসভায় ২৬টি আসন পেয়েছিল। আর ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে পেয়েছে ২৪টি। কিন্তু তথ্য পরিসংখ্যান সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। বাম জমানায় পরিবর্তনের লড়াই শুরু হয়েছিল মূলত ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করেই। সেবার নিজের দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে এসইউসিআই ও কংগ্রেসের জোট করে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন মমতা। প্রবল প্রতিষ্ঠান বিরোধী হওয়ায় রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে ১৯টি পেয়েছিলেন তৃণমূল। জয়নগর লোকসভা আসনে জয়ী হয়েছিলেন এস ইউ সি আই প্রার্থী ড: তরুণ মন্ডল। ৬টি আসনে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলায় বিজেপির জয়ের কৃতিত্বকে খাটো করতেই এমন ভুল তথ্য দিয়ে ফেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আলোকপাত করা যাক মাস দুয়েক আগে শেষ হওয়া লোকসভা ভোটের ফলাফলে। রাজ্যের রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়ে এবারের লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ১৮টি আসনে জিতেছে বিজেপি। ৩৪ আসন থেকে কমে তৃণমূলের হয়েছে ২২। গতবারের চারটির তুলনায় কেবলমাত্র বহরমপুর ও মালদা দুটি আসনেই ধরে রাখতে পেরেছে কংগ্রেস। বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী আবার কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতাও বটে। তাই এমন একজন প্রথমসারির কংগ্রেস নেতাকে নিজের দলের সাংসদ বলা মুখ্যমন্ত্রীর দাবি কতটা যুক্তিসঙ্গত হল, তা নিয়ে সন্দিহান রাজনৈতিক মহল। কিন্তু যে তথ্য একেবারে জনসমক্ষেই রয়েছে, তা নিয়ে এমন বিভ্রান্তিমূলক কথা প্রকাশ্যে জনসভায় বললেন কেন মুখ্যমন্ত্রী ? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এ প্রসঙ্গে বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কটাক্ষের সুরে আব্দুল মান্নান বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রীকে যে তৃণমূল সাংসদ বলেননি। এটাই রক্ষে!”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news