সায়ন্তনী সেনগুপ্ত :
করোনা তো কি? শেষ পাতে মিষ্টি না হলে চলে!
জলের মত নষ্ট হচ্ছে দুধ। মিষ্টির দোকান না খুললে চলে?
যাই হোক। এইসব অকাট্য যুক্তির মান রাখতে
মঙ্গলবার থেকে শহরে খুলে গেল মিষ্টির দোকান।
লকডাউনের পর থেকে বন্ধই ছিল দোকানগুলি। ঘোষিত লকডাউনের মধ্যে হঠাৎ দোকান খুলে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। এরই মধ্যে সাবধানবাণীও শোনাচ্ছেন ডাক্তারবাবুরা। চিকিৎসকদের মতে মিষ্টির মধ্যে ড্রপলেট মিশে থাকার প্রচুর সম্ভাবনা থাকে। কাজেই এই সময়ে মিষ্টি খাওয়ার জন্য উতলা না হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অমিতাভ নন্দীর মতে যে মিষ্টি হাতে গড়া হয় অর্থাৎ সন্দেশ, লাড্ডু এই জাতীয় মিষ্টি এখন না খাওয়াই ভাল। কারণ করোনা থেকে বাঁচতে স্পর্শ থেকে বাঁচা জরুরি।

স্পর্শের মাধ্যমেই আসতে পারে করোনার ড্রপলেট। যা রোগ ছড়াতে আদর্শ। যিনি মিষ্টি তৈরি করছেন তিনি যদি আক্রান্ত হন তাহলে তাঁর হাঁচি কাশি থেকে নির্গত ভাইরাস সহজেই লেগে যেতে পারে হাতে। এক্ষেত্রে গ্লাভস পরে মিষ্টি বানালেও কাজে দেবে না, কারণ গ্লাভসেও লেগে থাকতে পারে ড্রপলেট। মিষ্টি যদি একান্তই খেতে হয় তাহলে রসগোল্লা বা পান্তুয়া জাতীয় রসের মিষ্টি তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকারক হতে পারে বলে মনে করছেন অমিতাভ নন্দী। যেহেতু রসগোল্লা তৈরি করে গরম চিনির শিরায় দেওয়া হয় তাতে জীবানুনাশ হয়। তবে রসের মিষ্টি তৈরি হবার পর মিষ্টি রাখার বড় পাত্র, সেখান থেকে সোকেসে রাখার ছোটপাত্র, তারপর চিমটা। এত কিছু থেকে করোনা বাঁচিয়ে নবীন দাসের সৃষ্টিটি যদি আপনার পাতে পড়ে তাহলে আপনি নিশ্চিন্ত।
অন্তত এমনটাই মত চিকিৎসকদের।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news