চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
আমফান ঘূর্ণিঝড়ের (Amphan Cyclone Strom) প্রভাবে বিধস্ত সুন্দরবন (Sundarban)। তার ওপর আজ শুক্রবার পূর্ণিমার ভরা কোটালে ফের অশনি সংকেত। তাই ভরা কোটালের মোকাবিলায় কোমর বেঁধে নামছে রাজ্য সরকার। বসিরহাট মহকুমার মিনাখাঁ ব্লকের আঁটপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কোকিলপুরে বুড়ি নদীর বাঁধে প্রায় ১০০ ফুট ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। পাশাপাশি সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, মিনাখাঁ, হাড়োয়া সহ সুন্দরবন লাগোয়া ব্লকগুললিতে এখনও অসংখ্য নদীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত, বহু গ্রাম জলবন্দি, ত্রাণ শিবিরে লক্ষাধিক মানুষ। সব মিলিয়ে আগামীকাল শুক্রবার ভরা কোটালে নতুন আতঙ্কের ছায়া দেখছে সুন্দরবনের মানুষ।
চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ। কোনওরকমে খড়কুটোর মতো এক জায়গায় ঘর বাঁধার চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি বহু গবাদি পশুও এখনও জলবন্দী অবস্থায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগণা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নারায়ন গোস্বামী, মিনাখাঁর বিধায়ক উষারানী মন্ডল, মিনাখাঁ বিধানসভার চেয়ারম্যান মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল, উত্তর ২৪ পরগণা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সুরজিৎ মিত্র, মিনাখাঁর বিডিও শেখ কামরুজ্জামান ও সেচ দপ্তরে আধিকারিকরা বাঁধ পরিদর্শনে যান। তারা ভাঙা বাঁধের সরেজমিনে পরিদর্শনে যান। ইতিমধ্যে বিডিওর তরফে নদীর বাঁধে বালির বস্তা ফেলে আটকানোর চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে, ত্রাণ শিবিরে আশ্রিত দুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবারের ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। ১৫ দিন কেটে যাওয়ার পরেও আমফান ঘূর্ণিঝড়ের দগদগে ঘা এখনও মানুষের মধ্যে রয়েছে। যত সময় যাচ্ছে ধ্বংসাত্মক ছবি পরিস্কার হচ্ছে। তারপর ভরা কটাল নতুন আতঙ্কের সুন্দরবনের মানুষ প্রহর গুনছে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news