প্রসেনজিৎ মাহাতো:
শানে এ মহমেডানে সম্মানিত ভিক্টর অমলরাজ। উত্তরীয় পরিয়ে, হাতে স্মারক, এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন সুব্রত ভট্টাচার্য, ক্লাব সচিব কামারউদ্দিন, কলকাতার মেয়র ববি হাকিম, রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। এছাড়াও, হাজির ছিলেন ফেডারেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত, সাংসদ সুদীপ ব্যানার্জি, সাংসদ সাজদা আহমেদ, ফুটবলার কাম বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস, বিধায়ক নয়না ব্যানার্জি–সহ অনেকে। অমলরাজ বলেন, ‘এই ক্লাবে খেলে দাদা জন অনেক নাম করেছিলেন। স্বীকৃতিও পেয়েছিলেন। মনে হত একদিন আমাকেও সম্মান দেবে ক্লাব। সেটা হওয়ায় মহমেডান ক্লাব কর্তাদের কাছে প্রচণ্ডভাবে কৃতজ্ঞ।’ ১৯৭৮–এ কলকাতায় আসার পর ১৪ বছর টানা খেলেছিলেন। ৬ বছর মহমেডানে, ৫ বছর মোহনবাগানে, ২ বছর ইস্টবেঙ্গলে। একটা বছর যুগশান্তিতে খেলে এফসিআইয়ের কর্মী অমলরাজ হায়দরাবাদ ফিরে যান পারিবারিক কারণে। এখন ওখানে একটি স্কুলের ফুটবল কোচিং ক্যাম্পে অ্যাডভাইসার হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। অমলরাজ জানান, মহমেডানে তাঁর সেরা সময় অধিনায়ক হিসেবে ৮০ সালে। ৬ বছরে জিতেছিলেন অনেক বড় ট্রফি। তবে অমলরাজের আপসোস, তাঁর রাজ্যে দুটো ফুটবল সংস্থার দলাদলি না থাকলে অনেক ফুটবলার উঠত অতীতের মতো। অমলরাজ চান আই লিগ আর আইএসএল মিলিয়ে একটাই লিগ হোক দেশে। সুব্রত ভট্টাচার্যের প্রতিক্রিয়া, ‘অমলরাজ ভাল ফুটবলার ছিল। নিখুঁত পাস দিত। গোলটাও চিনত।’
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news