নিজস্ব প্রতিনিধি।
কংগ্রেসকে সাইনবোর্ড করতে না পারার হতাশায় ভুল বকছেন মুখ্যমন্ত্রী। এভাবেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) আক্রমণ করলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। শনিবার বিধান ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “তৃণমূল নেত্রী কংগ্রেসকে সাইনবোর্ড করে দেওয়ার চেষ্টা গত ১৯৯৮ সাল থেকেই করছেন। এখন ব্যর্থ হয়ে বিধানসভাতেও একই কথা বলছেন। তীব্র হতাশায় কংগ্রেস – বামপন্থীদের জোটের বিরুদ্ধেও কটাক্ষ করছেন।” সোমেন আরও বলেন, “তৃণমূল নেত্রীর নিজের জোট রাজনীতির নৈতিকতা ও সততা সবাই জানেন, আমরা কেবল তা একবার স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।”
সারধা নারদা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এদিন প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) সভাপতি বলেছেন, “সারা দেশে বিজেপি’র ঘৃণার বিরুদ্ধে লড়ছে কংগ্রেস। সেই লড়াইকে দুর্বল করতেই কি কংগ্রেসকে আক্রমণ?” তাঁর আরও সংযোজন, “আমাদের সিবিআই -এর ভয় নেই, তাই আমরা নরেন্দ্র মোদি – অমিত শাহ’দের সাথে একাকী দেখা করতে যাই না। পি.চিদাম্বরমকে ধরতে সিবিআই যে অতিসক্রিয়তা দেখিয়েছিলো সেটা নারদ এবং সারদা তদন্তে সেটা কোথায়? বিজেপি নেতার ‘গোলি মারো’ স্লোগান আর জলঙ্গীতে তৃণমূলের গুলি চালনা –দুটোই তো একই বন্ধনীতে।”
সোমেন মিত্র (Somen Mitra) বলেছেন, “আমরা ২০১৬ সালে সি পি এমের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। মাত্র ৩০ লক্ষের কিছু ভোট বেশি পেয়ে তৃণমূল সরকার গঠন করে।” তিনি আরও বলেন, “বিজেপি’র ভোট এরাজ্যে তলানিতে চলে যায়। আমাদের দুর্ভাগ্য এই জোট আমরা রাখতে পারিনি। আমরা এবার জোট শুধু ভোটের নিরিখে করিনি, মানুষের দাবী নিয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করছি, একদম বুথস্তর পর্যন্ত এই জোটের শিকড় পৌঁছাতে চাই। আমাদের জোট নিয়ে তৃণমূলের দুশ্চিন্তা বাড়ছে বলেই মুখ্যমন্ত্রীর রোষ বাড়ছে।”
অন্যদিকে, এদিন বিধান ভবনে সোমেন মিত্রর হাত কলকাতা পুরসভার ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর বিনোদ পাশোয়ান প্রায় শতাধিক কর্মী সমর্থক সহ আজ তৃণমূল থেকে কংগ্রেসে যোগদান করেন। তৃণমূল যুবা’র নেতা গৌতম সাহার নেতৃত্বে কলকাতা পুরসভার ১৩০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রচুর তৃণমূল কর্মী কংগ্রেসে যোগ দেন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news