নীল বণিক:
এআইসিসির উল্টো পথে বিধান ভবন। চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা রাজ্যের শাসক দলের পক্ষে দাঁড়াতে নারাজ। ফলে বুধবার চিটফান্ডে প্রতারিতদের টাকা ফেরানোর দাবিতে শহরে মিছিল করলেন প্রদেশ সভাপতি সোমেন মিত্র।
কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে কেন্দ্রের মোদী সরকার, এই অভিযোগ সামনে রেখে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে অবস্থানে বসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছিলেন দেশের বিজেপি বিরোধী তাবড় নেতারা। মমতাকে ফোন করে সমর্থন করেছিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গাঁধীও। আর সেই কংগ্রেসেরই পশ্চিমবঙ্গ শাখার নেতারা উল্টো পথে গিয়ে মমতার অবস্থান আন্দোলন নিয়ে সোচ্চার হলেন একেবারে রাস্তায় নেমে। মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান প্রত্যাহারের পরদিনই একই জায়গায় সভা করল প্রদেশ কংগ্রেস। এই সভায় মমতার আন্দোলনের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সোমেন মিত্র। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর ছুটে যাওয়া নিয়েও আক্রমণ করেন তিনি। তবে সোমেন জানিয়ে দিয়েছেন, রাহুল গাঁধী কখনই সিবিআই ইস্যুতে মমতার অবস্থানকে সমর্থন করেননি। দেশে বিজেপি বিরোধী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন রয়েছে রাহুল গাঁধীর, এই অবধি।
উল্লেখ্য, চিটফান্ড কেলেঙ্কারির যথাযথ তদন্ত দ্রুত শেষ করে বিচারের ব্যবস্থা এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে বুধবার পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের ডাকে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মহামিছিল সংগঠিত হয়। এই মিছিলে যোগ দিয়ে সারধা- নারদা সহ সমস্ত আর্থিক কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। নেতৃত্ব দেন প্রদেশ সভাপতি সোমেন মিত্র। মিছিল শেষে মেট্রো চ্যানেলে সংক্ষিপ্ত সভায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান আন্দোলন নিয়ে সোচ্চার হন প্রদেশ কংগ্রেসের ছোট বড় সব নেতারাই।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news
তৃণমূলের বহু মানুষ মমতার এই কাজ সমর্থন করে না, আবার তারা সি পি এম কেও সমর্থন করবে না, এই অবস্থায় কংগ্রেস তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে এবং আন্দোলনের রাস্তায় থাকলে তারা কংগ্রেস এর দিকেই আসবে, নাহলে এই অংশ বিজেপি র দিকে যাবে