চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
সময়ের অভাবে সোমেন মিত্রকে (Somen Mitra) শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ! বিধানসভায় এসেও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর মরদেহে মাল্যদান না করেই নবান্নে রওনা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিধান ভবনে অনুগামীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেরী করায় কংগ্রেস সভাপতির নিথর দেহ বিধানসভায় পৌঁছাতে বেশ কিছুক্ষণ দেরী হয় । সূত্রের খবর, মরদেহ আসার আগেই বিধানসভা ছেড়ে চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলে যান, “আমার কাজ আছে। আর কতক্ষণ অপেক্ষা করব!” এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ বিধানসভায় আসেন মুখ্যমন্ত্রী। মিনিট ২৫ অপেক্ষা করার পরও সোমেন মিত্রের মরদেহ না আসায় আর সেখান থেকে রওনা দেন তিনি। রাজ্যের তিন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, তাপস রায় এবং নির্মল মাজি ও সভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে পুষ্প স্তবকটি দিয়ে মমতা নির্দেশ দিয়ে যান, তাঁরা যেন মুখ্যমন্ত্রীর হয়ে সোমেন মিত্রকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে দেন। সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান, বাম পরিষদীয় দলের নেতা সুজন চক্রবর্তী, আমতার কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মিত্র ও জলপাইগুড়ির কংগ্রেস বিধায়ক সুখবিলাস বর্মা প্রমুখ।
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সোমেন মিত্রের রাজনৈতিক উচ্চতা অনেক বেশি। তাই মুখ্যমন্ত্রী চেয়েছিলাম নিজের হাতে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কংগ্রেসের ছোড়দাকে। কারণ, ৭০-এর দশক থেকে শুরু করে রাজ্য রাজনীতির বহু চড়াই উৎরাই পাড় করেছিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সোমেন মিত্র পরস্পরের সঙ্গে কংগ্রেস ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দীর্ঘ সময়। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৃথক রাজনৈতিক দল গড়ে রাজনীতি করলে সেই দলে যোগ দিয়েছিলেন সোমেন মিত্র। ২০০৯ সালে ডায়মন্ড হারবার থেকে তৃণমূলের প্রতীকে সংসদে হয়েছিলেন তিনি। কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের জেরে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিলেন । শেষ পর্যন্ত সময় হবে তা সম্ভব হলো না। মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ ও ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পূর্বসূরিকে রাজ্যসভার সংসদ সদস্য শান্তনু সেন মারফৎ একটি ছোট্ট পাঠান বিধান ভবনে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news