নিজস্ব সংবাদদাতা:
হয় ব্রহ্মগুপ্ত অথবা আর্যভট্ট, ভারতীয়রা “শূন্য” আবিষ্কারের কৃতিত্ব পেয়েছেন। গণিত ও বিজ্ঞানের জগতকে সমৃদ্ধ করেছেন। মানব সভ্যতার অঙ্কের খাতার শ্রেষ্ঠ আবিস্কার ‘শূন্য’ নিয়ে এবার লেখা হল আস্ত উপন্যাস।
লিখেছেন সৎসঙ্গ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী এম। শ্রী এম জন্মগত নাম মুমতাজ আলি খান। এখন তিনি আধ্যাত্মিক নেতা ও যোগী। তাঁর ‘শূন্য’ উপখ্যানটি আধ্যাত্মিক দর্শনের বহিঃপ্রকাশ। এখানে চর্চা করা হয়েছে বৃহত্তর দুঃখের, পাশাপাশি ভারতীয় সমাজের কিছু সাম্প্রতিক ‘উন্নয়ন’ যা বর্তমান লেখককে বিরক্ত করে তাও প্রকাশ পেয়েছে।
লেখকের মত, “একটি দেশের জনগন, যাদের মূল দর্শন বিশ্বকে নিজের করা, তাদের মনে কেন এত রাগ, এত ঘৃণা, এতটা অসহিষ্ণুতা?” উপন্যাসের মৎস্যভুক নায়ক, কতকটা লেখকের মতোই যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গেছেন। এইসব সামাজিক সমস্যাগুলিকে নিজপথে সমাধানের চেষ্টা করছেন। স্বামীর জীবনযাত্রা থেকে আবির্ভূত হয়ে অদৃশ্য হয়ে যান তিনি। মাছ খান, একটি তাড়ির দোকানের পাশে থাকেন, হিন্দু ছেলে মুসলিম মেয়ের বিয়েতে যান্ত্রিক ভূমিকা পালন করেন ইত্যাদি। এক বিবেকবর্জিত ফাদার স্যামুয়েল আর তাঁর এজেন্ট জোসেফ এবং অন্য এক তান্ত্রিকের উপরেও চড়াও হন। একটি শক্তিশালী সামাজিক বার্তা পাঠান এইসঙ্গে।
শ্রী এমের শূন্য উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে ওয়েস্টল্যান্ড প্রকাশনী। লেখকের মতে, “এটা আমার সচেতন প্রচেষ্টা। আমি এই বিশ্বকে একটি কাহিনীর আঙ্গিকে বলতে চাই। কাহিনীর শক্তিশালী প্রভাব আছে, অন্য অনেক কিছুর থেকে বেশি।”
উপন্যাসের প্রকাশ অনুষ্ঠানে লেখক শ্রী এম ছাড়াও ছিলেন শীর্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন রীতা ভিমানী, সপ্তর্ষি চক্রবর্তী, পণ্ডিত যশরাজ, আদিত্যনারায়ণ ব্যানার্জী প্রমুখ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news