নীল রায়।
লোকসভা ভোটের ফলাফলে তাঁর কেন্দ্রে বিজেপি ব্যবধান পেয়েছে। তবে এতটুকু বিচলিত নন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ১৯৯৮ সালের রাসবিহারী বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ের পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি শোভনদেবকে। লোকসভা কিংবা পুর নির্বাচন ফলাফল যাই হোক। বিধানসভা ভোটে রাসবিহারীর অভ্যাস কিন্তু শোভনদেব। কিন্তু আত্মতুষ্টিতে না ভুগে, দলের দেওয়া কর্মসূচি মেনে শুক্রবার রাত ৮৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মী আলো ভট্টাচার্যর কবীর রোডের বাড়িতেই নৈশাহারের পর রাত কাটালেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী। মুরগির মাংস ও হাতে করা রুটি দিয়ে রাতের খাবার খান তিনি।
গত ১১ এপ্রিল স্ত্রী সুপ্রিয়াকে হারিয়েছেন তিনি। তাতেও দমে না গিয়ে লোকসভা ভোটে দলের হয়ে প্রচার করে বেড়িয়েছেন সামাজিকভাবে অজাত শত্রু এই মানুষটি। দল আশানুরূপ ফল করতে না পারায় ২০২১ এর জন্য প্রশান্ত কিশোর এসেছেন রাজনৈতিক ঘুটি সাজাতে, দলনেত্রী নির্দেশেই। তাঁর সংস্থা আইপ্যাকের দেওয়ার প্রতিটি কর্মসূচি একেবারে তালিকা ধরে পালন করছেন প্রায় ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলন করে উঠে আসা এই প্রবীণ রাজনীতিক।
“দিদিকে বলো” কর্মসূচিতে দলীয় নেতাদের কর্মীদের বাড়িতে খাওয়া দাওয়া ও পরে থাকার বিষয়ে প্রসঙ্গে এই প্রবীণ মানুষটির বক্তব্য, “আমরা সকলেই মমতার সৈনিক। তাই নেত্রী যা নির্দেশ দেবেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করাই আমার কাজ। সে কথা মেনেই আমি চলেছি, চলবো। প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালের উপনির্বাচনের পর থেকে ২০০১,২০০৬, ২০১১ ও ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে পরপর পাঁচবার রাসবিহারী থেকে জয়ী হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের লোকসভা ভোটে রাসবিহারী কেন্দ্র থেকে সাড়ে চার হাজারের কিছু বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রকুমার বসু। শুধুমাত্র নিজের “ট্র্যাক রেকর্ডে”র ভরসা না রেখে এখন থেকেই নিবিড় জনসংযোগের কাজে মন দিয়েছেন এই প্রবীণ বিধায়ক।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news