নীল রায়। এবার কংগ্রেস বিধায়ক শংকর সিংকে রাণাঘাট তৃণমূলের সভাপতি করে দিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। শনিবার কালীঘাটের বাসভবনে লোকসভা ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে সাংগঠনিক বৈঠক ডাকেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যেখানে সাতটি জেলার সভাপতি বদল করা হয়, বদল করা হয় বেশ কিছু জেলার পর্যবেক্ষকও। সেভাবেই নদীয়া জেলা কংগ্রেস তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে দিয়ে কৃষ্ণনগর ও রাণাঘাট পৃথক দুটি সাংগঠনিক জেলা তৈরি করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাতে রাণাঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হন বিধায়ক শঙ্কর সিং। যিনি তৃণমূলে যোগদান করলেও, খাতায়-কলমে এখনও কংগ্রেস বিধায়ক। এ প্রসঙ্গে বর্ষিয়ান কংগ্রেস নেতা তথা বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান বলেন, “নৈতিকতা বলে কোনও শব্দ তৃণমূলের অভিধানে নেই। আড়াই বছর আগে যাঁরা কংগ্রেস বা সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা এখনও বিধানসভা থেকে ইস্তফা দেননি। এবং অবাক কাণ্ড এ ব্যাপারে ওঁদের লজ্জাও নেই”। প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৭ জন বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তার মধ্যে কেবল মানস ভুঁইয়া, আবু তাহের খান ও অপূর্ব সরকার পদত্যাগ করলেও বাকিরা বহাল তবিয়তে রয়ে গিয়েছেন। এই সকল বিধায়কদের বিরুদ্ধেই দল বিরোধী আইনে বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রতিবাদপত্র দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। তাতে অবশ্য কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কিন্তু এদিন রাণাঘাটের সভাপতির সাংগঠনিক দায়িত্ব শংকর সিংকে দেওয়ায় সেই বিতর্ক আবারও নতুন করে মাথাচাড়া দিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, স্পিকার চাইলেই এই সমস্ত বিধায়কদের পদ খারিজ করতে পারেন। কিন্তু বিচার না পেয়ে বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাই দলত্যাগী বিধায়কদের ভাগ্য নির্ধারণ করছে আদালতের রায়ের ওপরে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news