ওয়েব ডেস্ক:
ঘরের ‘শচীন’ ঘরে ফিরল। সবচেয়ে বড় কথা সে যেমন নিজেই গাছ বেয়ে এনক্লোজার টপকে খাঁচা জীবন ছেড়েছিল, তেমনি চারদিন পর স্বেচ্ছায় ফিরল নির্দিষ্ট এনক্লোজারে। চিতাবাঘটি ফিরে আসায় নিশ্চিন্ত বেঙ্গল সাফারি পার্কের কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, নতুন বছরের প্রথম দিন এনক্লোজার থেকে চম্পট দেয় চিতাবাঘটি। ৪ দিন ধরে তাকে ফিরে পেতে নাকানিচোবানি খায় বেঙ্গল সাফারির কর্মী থেকে কর্তা ব্যক্তিরা। লোক লাগিয়ে, কুনকি হাতি নামিয়ে, ড্রোন উড়িয়েও এতদিন তার হদিশ মেলেনি। শেষ পর্যন্ত স্বেচ্ছায় ঘরে ফিরল ‘শচীন’ কত্তা।
এদিকে চাপে পড়েছিলেন সাফারি কর্মীরা। ৩ দিন কেটে যাওয়ার পরেও ‘শচীনে’র খোঁজ না মেলায় কর্তৃপক্ষ ভেবে ছিল, সম্ভবত মহানন্দা অভয়ারণ্য বা বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলে ঢুকে পড়েছে চিতাবাঘটি। সেইমতো ওই দুই জঙ্গলের নিরাপত্তা ও টহলদারি বাড়ানো হয়।পাশাপাশি, নতুন করে পায়ের ছাপ দেখতে পাওয়া না গেলে রবিবার থেকে সাফারি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তারপরেই চমক— তৃণভোজী পার্কে পায়ের ছাপ মেলে তার। অতএব, এটুকু বোঝা যায় যে পার্কের ভিতরেই রয়েছে ‘শচীন’। এরপরই নতুন করে শুরু হয় খোঁজ খোঁজ খোঁজ।
অবশেষে কর্তৃপক্ষ জানায় যে, নিজের এনক্লোজারেই নিজে থেকেই ফিরেছে সচিন। গতকাল রাতে কর্মীরা বুদ্ধি করে এনক্লোজার খুলে রাখেন। যাই হোক, আসল কথা হল দিন চারেকের ‘ছুটি’ কাটিয়ে ঘরে ফিরল ‘শচীন’। জানা গিয়েছে, সামান্য খুঁড়িয়ে হাঁটছে সে। চোখের কাছে নাকি একটা কাটা দাগও রয়েছে। তবে ফেরার পর খাওয়া-দাওয়া ভালোই মন দিয়েছে সে। ধরে নেওয়া যায়, দিন কতক একা থাকা পার্টনার ‘সৌরভ’ ‘শচীনে’র পুনর্গমনে নিশ্চয়ই খুশি।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news