নিজস্ব সংবাদদাতা:
মমতাও কাটমানি খান! ইঙ্গিতে কি তেমনটাই দাবি করলেন সব্যসাচী দত্ত? সোমবার তাঁর দলে থাকা না থাকা নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া দেন বিধাননগর পুরনিগমের সদ্য প্রাক্তন মেয়র। সেখানেই একের পর এক বোমা ফাটান সব্যসাচী। প্রশ্ন তোলেন, ‘এই যে প্রশান্ত কিশোরকে নির্বাচনী কৌশলী হিসেবে রাখা হল, কাজ করানো হচ্ছে তাঁকে দিয়ে, শুনছি তার জন্য নাকি পাঁচশো কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। সেটা তো নিশ্চয় রাজ্য সরকার দিচ্ছে না। দিচ্ছে দল। তার মানে দলের কাছে পাঁচশো কোটি টাকা আছে, তাই না দিতে পারছে!’ এরপর উপস্থিত সাংবাদিকরা সব্যসাচীকে যখন বলেন, এটা তো আপনি সরাসরি দলের নেত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন!
সব্যসাচী পালটা দিলেন। বললেন, ‘দল কোথা থেকে পেল এত টাকা। নিশ্চয়ই মানুষের টাকা!’ সব্যসাচী এই কথা যে ঘুরিয়ে কাটমানিকেই ইঙ্গিত করে তা বলা বাহুল্য। অবশ্য শাসক দলের কাটমানি খাওয়ার একটা হিসেব সংবাদপত্রেও উঠে এসেছে। সেই হিসেব বলছে মোট কাটমানির পঁচাত্তর শতাংশই নাকি যায় দলের তহবিলে, বাকিটা পান ছোট নেতা কর্মীরা। তবে ঠগ বাছতে যে গা উজাড় হতে পারে, সে বিষয়েও কদিন আগেই সতর্ক করেছিলেন অভিনেত্রী সংসদ শতাব্দী রায়। এরই মধ্যে সব্যসাচী ইঙ্গিত করলেন—কাটমানির টাকায় পুষ্ট তৃণমূলের ফান্ড। আর সেই টাকার জোড়েই স্ট্রাটিজিস্ট প্রাশান্ত কিশোরকে ভাড়া করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘুরিয়ে কাটমানির বড় অংশটা যে মমতার কাছেই যায়, সেই কটাক্ষই করেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র। সব মিলিয়ে সব্যসাচী দত্তের নয়া মন্তব্য চূড়ান্ত অস্বস্তিতে ফেলেছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে।
প্রসঙ্গত, আজ সকালেই ফিরহাদ সব্যসাচীকে মীরজাফর বলে কটাক্ষ করেছেন। দুপুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, এসব মানা যায় না।
কিন্তু মানা যায় না যখন, তখন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন। কেন দল তাঁকে সরাসরি বহিস্কারের রাস্তায় হাঁটছে না, সেই লুচি-আলুরদম আমল থেকে! সে এক মহা ধাঁধাঁ বাংলার শাসক দলের রাজ্যের রাজনীতিতে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news
ভাববার কথা। ৫০০ কোটি কি সরকারী তোষাখানা থেকে দেওয়া ড়বে, না কি দলের অফুরন্ত ভান্ডার থেকে? যদি প্রথমটা হয়, তাহলে সিএজি দেখবেন। যদি পার্টির টাকা হয়, তাহলে প্রশ্ন হলো–কত টাকা ভান্ডারে থাকলে তবে এই খরচা করার কথা ভাবা যায়? আর, এই টাকা কোথা থেকে এল? আর একটা কথা। এটা তো কন্ট্রাক্ট, ফলে আয়কর আইনের সব ধারাই প্রযোজ্য–সুতরাং সবই চেকে লেনদেন করতে হবে। তাহলে টিডিএস-ও থাকবে! শেষে প্রশ্ন করি–প্রশান্ত নামক এই যাদুকরের সঙ্গে যে কন্ট্রাক্ট হয়েছে, তাতে কি কোন “মানি ব্যাক” সংক্রান্ত শর্ত আছে?
mukul roy ekta faltu lok, nije bachte b.j.p. korchhe
common sense o ovignota sob bujhiye dileo AAIN DIYE TAR PROTIKAR? EI DOSHOKE ? OSOMVOB! BRITISHER TOIRI AAIN JATE NISPOTTI NA HOY! SWADHINOTAR PORE EI AAIN I TO DESH CHALAY! PURO THOKANO LOKEDER!