নিজস্ব সংবাদদাতা:
এবার প্রকাশ্যে একাধিক প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্বস্তিতে ফেললেন সব্যসাচী দত্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোখে চোখ রেখে বারাসতে বেআইনি ভাবে জলা ভরাট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সব্যসাচী। নিজের এলাকার ভেড়ি নিয়েও রাজ্যকে বিপাকে ফেলার মতো প্রশ্ন তোলেন তিনি। কার্যত যার উত্তর হাতড়াচ্ছিলেন মঞ্চে বসা সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রশাসনিক কর্তা। কিন্তু এদিন মধ্যমগ্রামের প্রশাসনিক বৈঠিকে কী হিসেবে হাজির হলেন সব্যসাচী দত্ত? তিনি কি বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র হিসেবেই উপস্থিত হন? জল্পনা তুঙ্গে।
এদিন নজরুল মঞ্চের বৈঠকে সব্যসাচী আচমকা উঠে দাঁড়িয়ে বলেন, বারাসতে বেআইনি জলা ভরাট হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী কতকটা ধমকের সুরে বলেন, এগুলো যার যার এলাকা তাকে দেখতে হবে। তুমি তোমার বিধানসভা এলাকার কথা থাকলে বলো। সব্যসাচী এরপর বিধাননগর এলাকার ভেড়ি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাজ্য মৎস দফতরকে বহুবার জানানো সত্ত্বেও কার নামে ভেড়ি (সব্যসাচীর কথায় এন অনেক ভেড়ি রয়েছে বিধাননগরে) তা জানা যায়নি বলে অভিযোগ করেন। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ মানতে চাননি। তিনি বলেন, ওয়েবসাইট করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে ‘জমি নথি’তে ক্লিক করলেই সব পাওয়া যাবে। মৎস দফতরের সচীবও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একমত হন। তবে সব্যসাচীও তাঁর বক্তব্য সরে আসেন না। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ধৈর্য্যচ্যূতি হচ্ছে বুঝে আরও কথা বাড়াননি।
উল্লেখ্য, আজ সকালেই সব্যসাচী দত্ত গেরুয়া শিবিরের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে ধোঁয়াশা রেখে দেন। অন্যদিকে বিধাননগরের বিদ্যুৎপর্ষদের কর্মীদের ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং শিক্ষকদের বেতন বাড়ানো হচ্ছে প্রসঙ্গে বলেন, সবই হচ্ছে কিন্তু ঢাক ঢাক গুরগুর করে করা হল। বড্ড দেরি হয়ে গেল! সব মিলিয়ে তৃণমূলের সব্যসাচী রহস্যের সমাধান আজ হল না। আজ মধ্যমগ্রামের বৈঠকে হাজির হয়ে সেই রহস্য যেন আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিলেন সব্যসাচী দত্ত।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news