নিজস্ব প্রতিনিধি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের দেড় দিনের মধ্যে বদলে গেল গেল সমীকরণ। ‘বাংলার গর্ব মমতা’ কর্মসূচি রূপায়ণের দায়িত্ব বেহালা পূর্ব এলাকায় দেওয়া হয়েছিল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের (Shovan Chatterjee) স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়কে। তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। শনিবার সকালে জানা যায়, সেই দায়িত্ব আর পালন করতে হচ্ছে না রত্নাকে। বেহালা পূর্বের দায়িত্ব দেওয়া হল ১২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ ওরফে বুয়াকে।
রত্না চট্টোপাধ্যায়ের (Ratna Chatterjee) কাঁধে আর কোনও দায়িত্ব রইল না। যদিও, রত্নার দাবি, তাঁর থেকে দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হয়নি, তিনি নিজেই ছেড়ে দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘বাংলার গর্ব মমতা এই কথাটা প্রত্যেক তৃণমূল কর্মীর হৃদস্পন্দনে রয়েছে। সুতরাং এই কর্মসূচির ঝান্ডা কার হাতে ছিল বা এখন কার হাতে থাকবে, সেটা বড় কথা নয়। স্লোগানটাই বড় কথা।’’ শোভনের সঙ্গে তৃণমূলের যে সব বিষয় নিয়ে তৃণমূলের মনোমালিন্য চলছিল, তার মধ্যে অন্যতম দলে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি।
প্রাক্তন মেয়র বিজেপিতে যোগ দিলেও, তাঁকে তৃণমূলে ফেরানোর চেষ্টাও চলছে। রত্না চট্টোপাধ্যায় দলে সক্রিয় হয়ে ওঠার কারণেই তা সম্ভব হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একাধিক বার বৈঠক করেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন বৈশাখী। প্রায় দেড় ঘণ্টার সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে কী কথা হয়েছিল, তা নবান্ন থেকে বেরিয়ে স্পষ্ট করেনি কোনওপক্ষই। কিন্তু এদিন রত্না চট্টোপাধ্যায়কে বেহালা পূর্ব বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর পদ থেকে সরাতেই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী সহ তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের রাস্তা মসৃণ হয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news