নিজস্ব সংবাদদাতা:
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ‘ঢিল ছোড়া দূরত্বে’ ঘটে গেল গণধর্ষণের মতো ঘটনা! কালীঘাট পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ধর্ষিতা দুজনই নাবালিকা। শহর কলকাতায় এভাবে দুজন নাবালিকার গণধর্ষিত হওয়ার ঘটনায় স্তম্ভিত শহরবাসী। এবং প্রশ্ন উঠছে, যে অঞ্চলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি, ফলে যেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তার বন্দোবস্ত। সেখানে কীভাবে ঘটে যায় এমন ঘটনা? তাছাড়া কালীঘাট মন্দির চত্ত্বরে থাকত দুই ভিক্ষাজীবী নাবালিকা, সেখান থেকেই তাদের ভুলিয়েভালিয়ে আদিগঙ্গার নির্জন পাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এও বা কী করে ঘটে? মন্দির চত্ত্বরের আইনশৃঙ্খলার জন্যও তো রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশি প্রহরা! তাঁরা কী করতে আছেন তাহলে? পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ কালীঘাটে কী করে ঘটে এমন কাণ্ড!
ভিক্ষাজীবী নাবালিকাদের কি যৌনকর্মী ভেবেছিল ধর্ষকরা? এ অঞ্চলে তাও ভাবা সম্ভব। কিন্তু না, পুলিশি তদন্তে যারা অভিযুক্ত, সেই ৩জনের ২জনই নাবালক। তাছাড়া যৌনকর্মীকেও কী তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা যায়! এক্ষেত্রে স্পষ্ট, পরিবারহীন দুই নাবালিকা ভিক্ষাজীবীর অসহায়তারই সুযোগ নিয়েছিল ধর্ষকেরা। তারা নাবালক হলেও ধর্ষক। যাদের ২জন ইতিমধ্যে ধরা পড়েছে। অন্যজনকেও নিশ্চয়ই পুলিশ দ্রুত পাকড়াও করবে। হয়তো উপযুক্ত শাস্তিও হবে।
কিন্তু প্রশ্ন তুলছে কলকাতা, কালীঘাট মন্দির চত্ত্বর থেকে সামান্য দূরে, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে ‘ঢিল ছোড়া দূরত্বে কী করে ঘটে যায় গণধর্ষণের মতো ঘটনা? তাহলে কি যে পুলিশ মন্দির চত্ত্বরের ‘আইনশৃঙ্খলা’ সামলায়, এবং যে প্রশাসন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় সদা ব্যস্ত, তাদের কাছে পরিবারহীন নাবালিকা দুই ভিক্ষাজীবীর নিরাপত্তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়?
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news