নিজস্ব প্রতিনিধি:
গন্ধটা খুব সন্দেহজনক! বলছেন রন্তিদেব সেনগুপ্ত। রন্তিদেব সেনগুপ্ত সেই তাঁদের মধ্যে একজন যিনি একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অতি নিকটা বৃত্তে থাকা সত্ত্বেও কোনও দিন কোনও অন্যায় সুযোগ নেননি। সম্পর্কের ফায়দা তোলেননি। তাঁকে যাঁরা নিকট থেকে জানেন, তাঁরা এমনটাই বলেন। স্পষ্টভাষী, কখনও কখনও রুঢ় শোনালেও তাঁর কিছু যায় আসে না। বরুন সেনগুপ্তর প্রিয় ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। বিশেষ কোনও কারনে একদিন গুরুর প্রতিষ্ঠানও ছেড়েছিলেন। জীবনে অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন তবে আপোষ করেননি। তাঁকে যাঁরা দীর্ঘদিন চেনেন তাঁরা সকলেই তাঁর সম্পর্কে এমন কথাই বলেন।
বাইরে থেকে কংগ্রেস কিন্তু ভেতরে ভেতরে সিপিএম, এই ধরনের নেতাদের চিহ্নিত করতে বাংলা সাংবাদিকতায় জনপ্রিয় হয়েছিল তরমুজ উপমাটি। এই উপমার জন্ম রন্তিদেবের কলমেই। তাঁর আন্দোলন পর্বে যে কজন মানুষের কথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুত্ব দিতেন তাঁদের মধ্যে রন্তিদেব একজন।
এ হেন রন্তিদেব মমতার দিল্লি যাওয়ার বিষয়টি সন্দেহের চোখেই দেখছেন। তাঁর বক্তব্য, যিনি প্রধানমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে যান না, বলেন, মোদিকে প্রধানমন্ত্রী বলে মানি না, তিনি প্রধানমন্ত্রী সকাশে! বিস্ময় গোপন করছেন না রন্তিদেব। একদিকে রক্ষাকবচহীন রাজীব কুমারের শিয়রে সিবিআই এবং তিনি ঘোষিত পলাতক, অন্যদিকে দিদির দিল্লি দৌড়। দুটো পাশাপাশি রাখলে বিষয়টা খুবই সন্দেহজনক ঠেকছে বলেই অভিমত রন্তিদেবের।
অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেস মহল এই আশু অনুষ্টিতব্য ঘটনাটিকে মোদি (Modi) মমতা (Mamata ) আঁতাত বলেই দেখাতে চাইছেন। তবে বিজেপি বলছে আঁতাতের কোনও প্রশ্ন নেই। মমতাকে বিজেপির কোনও দরকার নেই। বিজেপিকে বা মোদিকে মমতার দরকার হতে পারে। তাছাড়া দুর্নীতির প্রশ্নে কোনও আপোষ হবে না। বিজেপির অন্দরে এরকম একটা বক্তব্য শোনা যাচ্ছে।
সব মিলিয়ে মোদির জন্মদিনে সরগরম রাজ্য রাজনীতির অলিন্দ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news