নিজস্ব প্রতিনিধি।
রাজ্যসভার (Rajyasabha) নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই, একঝাঁক নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে তৃণমূলের (TMC) অন্দরমহলে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে এবার পাঁচটি আসন খালি হচ্ছে। কেডি সিং, যোগেন চৌধুরী, মণীশ গুপ্ত ও আহমেদ হাসান ইমরান তৃণমূলের প্রতীকে সাংসদ ছিলেন। আগামী ২ এপ্রিল তাদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ২০১৪ সালে বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সিপিএম থেকে বহিষ্কারের পর বর্তমানে তৃণমূল শিবিরে এই ঝুঁকে রয়েছেন। রাজ্যসভায় একাধিক বক্তৃতায় তৃণমূল নেত্রীর প্রশংসা করে সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদীর সরকারের। তাই তাঁর টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না কেউ।
কেডি সিংয়ের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। মণীশ গুপ্ত, যোগেন চৌধুরী ও আহমেদ হাসান ইমরান এখনও সক্রিয় ভাবে তৃণমূল করলেও, তাদের কাকে প্রার্থী করা হবে। তা নিয়ে ধন্দে খোদ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। কারণ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ প্রসঙ্গে এখনও একটি শব্দও ব্যয় করেননি। ২০১৬ সালের যাদবপুর বিধানসভায় পরাজয়ের পর, অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ছেড়ে যাওয়া রাজ্যসভার আসনে দিল্লি যান তিনি। তৃণমূলের অন্দরে আলোচনা, মাত্র সাড়ে তিন বছর রাজ্যসভার কাটানোয় মণীশ গুপ্তকে ফের একবার সুযোগ দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
চিত্রকর যোগেন চৌধুরীকে নিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ থাকাকালীন কোনরকম বিতর্ক জড়াননি। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণেই যোগেন চৌধুরী ফের প্রার্থী হবেন কিনা তা নিয়ে ধন্দে রাজনৈতিক মহল। আহমেদ হাসান ইমরানকে নিয়ে প্রথমদিকে বিজেপি নেতৃত্ব নিষিদ্ধ সংগঠন সিমির যুক্ত থাকার অভিযোগ করলেও। বরাবরই তিনি থেকেছেন অন্তরালে। তাই শেষ পর্যন্ত কে প্রার্থী হবে নাকি প্রার্থী হবেন না তা নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই তৃণমূলের অন্দরেই।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news