নীল রায়।
বন্ধ হোক ‘পিসি ভাইপো ট্যাক্স’ ! বড়জোড়ার সিপিএম বিধায়কের এমন মন্তব্যে ধুন্ধুমার বেঁধে গেল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়। বুধবার বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের এলাকার সমস্যা নিয়ে বলতে ওঠেন সিপিএম (CPM) বিধায়ক সুজিত চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “বড়জোড়ার বিধানসভার দুর্গাপুর ব্যারেজের কাছে একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। ওই গাড়িতে শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সদাই মজুদ থাকে। রামপুরহাট থেকে যে সমস্ত গাড়ি পাথর সাপ্লাই করতে আসে। পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়াত সাপ্লাই করে। সন্ধ্যা থেকে সারা রাত ধরে একটি স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়। ১৬০০-১৮০০ প্রতিটি গাড়ি পিছু। ২০০-২৫০ গাড়ি প্রতিদিন।”

এরপরেই বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, “পুলিশ প্রশাসন সবকিছু জেনে চুপ। চালক ও খালাসি এবং লরি মালিকদের কথায়, কেন্দ্র যেমন জিএসটি নিচ্ছে। তেমনি রাজ্য পিভিটি ট্যাক্স (পিসি ভাইপো ট্যাক্স) নিচ্ছে। এই বেআইনি তোলাবাজি অবিলম্বে বন্ধ করা হোক।” একথা শুনে ক্ষেপে যান শাসকদলের মন্ত্রী বিধায়করা। সিপিএম বিধায়ক সুজিত চক্রবর্তী দিকে তেড়ে যান গোঘাটের তৃণমূল বিধায়ক মানস মজুমদার। সিপিএম বিধায়ককে জোর ধমক দিতে থাকেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যরা। ‘পিসি ভাইপো ট্যাক্স’ শব্দটি বাদ দেওয়ার দাবি জানায় তৃণমূল পরিষদীয় দল।
সিপিএম বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, “পিসি ভাইপো বলেছি। কারো নাম বলিনি। ঠাকুর ঘরে কে আমি তো কলা খাইনি। আমি কী বলেছি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপোর নামে অবৈধভাবে তোলাবাজি হচ্ছে।” পরে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পিসি ভাইপো ট্যাক্স’ বা ‘পিভি ট্যাক্স’ (P V Tax) বাতিল করা হোক। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল (TMC) বিধায়ক মানস মজুমদারের অভিযোগ, “ওই বিধায়ক নানা সময় মুখ্যমন্ত্রী ও আমাদের শীর্ষ নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে আক্রমণ করেন। যার না কোনও প্রমাণ আছে। না কোনও ভিত্তি। এই সিপিএম বিধায়ককে যেন আর বিধানসভায় বলতে না দেওয়া হয়।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news