নীল রায়।
“দিদিকে বলো” কোনও বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠান নয় যে কাউকে আমন্ত্রণ জানাতে হবে।” এভাবেই বেহালা পূর্বের বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বেহালা পূর্ব বিধানসভার অধীন ১২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কার্যালয়ে “দিদিকে বলো” কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ও দক্ষিন কলকাতা তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। সেখানেই তাঁকে প্রশ্ন করা হয় এলাকার বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও কেন অনুপস্থিত শোভন? এমন প্রশ্নের উত্তরে পার্থ বলেন, “অনেক দিন ধরেই তিনি দলের কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন না। আমরা আশা করব তিনি আবার দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন” পাল্টা তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, বিধায়ককে কী আমন্ত্রণ জানানো হয়নি? জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “দলীয় কর্মসূচি কোনও বিয়ে বাড়ি নয়। যে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। পাড়ার শনিপুজোতে নিমন্ত্রণ না জানালেও মানুষ দেখলেই দাঁড়িয়ে পড়ে। রাজনীতিও অনেকটা তেমনি বিষয়।”
শোভনকে নিয়ে যদি এলাকাবাসী প্রশ্ন করেন? এমন প্রশ্নে খানিকটা বিরক্তই হন তৃণমূল মহাসচিব। তিনি বলেন, “বার বার এক প্রশ্ন করলে আমি উওর দেব না। আর কাল তো সবাই দেখেছে। খবরের কাগজে সব বেরিয়েছে। আবার এসব প্রশ্ন আসছে কেন? আর আমরা এলাকায় এলাকায় কাজ করি কাউন্সিলরদের নিয়ে। তাই কারো অনুপস্থিতিতে কোনও অসুবিধা হবে না। প্রসঙ্গত, বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে মিল্লি আল আমিন কলেজের অধ্যক্ষা পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী করলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে! সঙ্গে অভিযোগ করেন, তাঁকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার বিরুদ্ধে যে চক্রান্ত চলছে তাতে জেনে শুনেই মদত দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এমন ঘটনার পর বান্ধবী ও শোভন, উভয়ের ওপরেই ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী। তাই মনে করা হচ্ছে প্রতিক্রিয়া জানানোর নামে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক। প্রাক্তন মেয়র তৃণমূল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় যে দল বেহালায় একাট্টা রয়েছে, তা দেখাতে পার্থ-মালা ছাড়াও এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির করা হয়েছিল বেহালা পূর্বের অধীন সমস্ত কাউন্সিলরদের।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news