সূর্য সরকার।
রাজ্যপালকে বড়লাট বলে কটাক্ষ পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterji)। পাশাপাশি রাজ্যপাল পদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন তিনি। সংবিধান দিবস উপলক্ষে রাজ্য বিধানসভায় দুদিন ধরে আলোচনা সভা বিতর্ক। দুদিনের এই অনুষ্ঠানে আগাগোড়া রাজ্যপাল জাগদীপ ধনখড়কে (Jagdeep Dhankhar) একাধিক ইস্যুতে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছে শাসক পক্ষ। সংবিধান দিবসের দ্বিতীয় দিনে এবার পরিষদীয় মন্ত্রীর তরফেও কড়া ভাষায় রাজ্যপালের নাম না করে তাঁকে আক্রমণ করা হল।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, রাজভবন পরিচালনার খরচ গত ২৩ বছরে আড়াই গুণ বেড়ে গিয়েছে। আগে শহরের এই অঞ্চলকে বলা হতো বড়লাটের অঞ্চল। এখনো সেই লাটসাহেব দেখা যাচ্ছে।পরিষদীয় মন্ত্রী প্রশ্ন সেই লাট সাহেব একি এখনও থেকে গিয়েছে মনোনীত ব্যক্তি জনপ্রিয় সরকারের ওপর ছড়ি ঘোরাবে তাহলে এই পদের প্রয়োজনীয়তা কি তা নিয়ে অবশ্যই আলোচনার দরকার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজ্যপাল পদে নিয়ে বরাবরই ভারতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর থেকেই মূলত বামেরা রাজ্যপাল তুলে দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন তা নিয়ে জ্যোতি বসু হোক কিংবা সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক অনিল বসু এমনকি সংসদ বরাবর রাজ্যপাল তুলে দেওয়ার পক্ষে নিজেদের বক্তব্য রেখেছেন। বিগত বাম সরকারের সময় সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম ইস্যুতে প্রসঙ্গে তৎকালীন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর সঙ্গে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের সংঘাত তৈরি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একাধিক ইস্যুতে রাজ্যপালের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। কিন্তু জল কখনো এতটা গড়ায়নি। বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে রাজ্য সরকারের তিক্ততা এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এড়িয়ে সংবিধান দিবস উপস্থিত থেকেও তাঁর সঙ্গে বাক্যালাপ করেনি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। পাল্টা টুইট করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যপাল।
পরিষদীয় মন্ত্রী ছাড়াও, প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও তালড্যাংরার বিধায়ক সমীর চক্রবর্তীও বিধানসভায়
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news