জয় ঘোষ
১০ আগস্ট বিজেপির রাজ্য কমিটির বৈঠকের আগেই বিজেপির সাংগঠনিক স্তরে ফের বড় ধরণের রদবদলের সম্ভবনা। ইতিমধ্যেই ৮ জন জেলা সভাপতিকে তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার পরও আরও কিছু সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পরিবর্তন হতে পারে বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। ১০ আগস্ট রাজ্য কমিটির বৈঠক কলকাতায় হবে। এই বৈঠকে বিজেপি কার্যকরি সভাপতি জেপি নাড্ডাও উপস্থিত থাকবেন।
মূলত, যে যে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে লোকসভা নির্বাচণে কাজ না করার অভিযোগ উঠেছে তাদেরকেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন খোদ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। বিজেপির পদে থেকেও তারা দলের মধ্যে নিষ্কৃয় সদস্য। দলীয় কর্মসূচিতে যারা অংশ নিচ্ছে না। দলের কাজ ঠিক ভাবে করছে না। তাদের একটি তালিকাও ইতিমধ্যেই তৈরি করা হয়েছে।
বিজেপি সূত্রে খবর, ১০ জন সাংগঠনিক জেলা সভাপতিকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। বিজেপির সাংগঠনিক কাজে গতি আনতে নতুন মুখ আসতে চলেছে।
মূলত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠনকে আরও মজবুত করতেই এই সিদ্ধান্ত। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দশেই ১০ জন জেলা সভাপতির ঘাড়ে কোপ আসতে চলেছে। বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্য কমিটিতেও বড় ধরণের অদল- বদল হতে পারে। দুই জন সাধারণ সম্পাদক বাদ পড়তে পারেন। রাজ্য কমিটিতে নতুন মহিলা মুখ হিসাবে উঠে আসতে পারে ভারতী ঘোষ। ভারতী ঘোষ ছাড়াও বিজেপির সম্পাদক তুষার ঘোষ সাধারণ সম্পাদক হতে পারেন। বিজেপির সম্পাদক ও সহ সভাপতি পদে একাধিক বদল হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। যুব মোর্চা, মহিলা মোর্চায় কমিটিতে নতুন মুখও দেখা যেতে পারে।
বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ” অমিত শাহের নির্দেশে সাংগঠনিক স্তরে পরিবর্তন হবে। বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা দখল করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সেই জন্যই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যা নির্দেশ দেবেন। সেই নির্দেশ মেনে আমরা কাজ করব।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news
বাঁকুড়া জেলার সভাপতি কে আগে চেঞ্জ করা প্রয়োজন। কারণ উনি সকলকে নিয়ে চলতে পারেন না যোগ্য সভাপতি হিসাবে সমস্ত মানুষ ভালবাসেন একজন কে তার নাম সুপ্রভাত লোহার
মহাদেব সরকার কে অতি শীঘ্রই সরানো দরকার।
স্বজন পোষণ আর কেনা বেচা চরমে চালাচ্ছেন।
বসিরহাট জেলা টার একেবারে তৃনমুল স্তর থেকে জেলা সভাপতি, সমস্ত সাংগঠনিক পদে আমূল পরিবর্তন আনা দরকার বলে মনে করছি। বিশেষ করে হিংগলগঞজ বিধানসভা তো বটে।
নদীয়া উত্তর এর ঘুটিং বাজ মহাদেব সরকার কে আগে সরানো দরকার, উনি সমগ্র নদীয়া উত্তর জেলা জুড়ে লবি সৃষ্টি করে TMC ke সুবিধা করে দিচ্ছেন
শুধু জেলা সভাপতি চেঞ্জ করলে হবে না মন্ডল সভাপতি র নিষ্ক্রিয়তা এবং দূরদর্শিতার অভাব এ সংগঠনের কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে তাই মন্ডল সভাপতি পরিবর্তনের আবেদন জানায়. তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মাননীয় শ্রী নবারুণ নায়েক দাদার কাছে আমাদের আবেদন আপনি একবার হলে গ্রামীণ মন্ডল টু এর দিকে নজর দেন ধন্যবাদ
Arambagh er sovapoti vison boro opodartho.
Kustralia kuleri ramsharma7616@gmail.com
Hmmmm
বিবেক