নীল রায়।
কলকাতার পুরভোটে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে দলীয় কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীদের ক্ষোভের কথা জানতে উদ্যোগী হল প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishore) সংস্থা আইপ্যাক। সূত্রের খবর, কলকাতা পুর নিগমের ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে যে সমস্ত ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর রয়েছেন তাদের গত পাঁচ বছরের কর্মকাণ্ড জানতে চাইছে তারা। এক্ষেত্রে তৃণমূল নিচুতলার কর্মীদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রেখে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে নেমেছে টিম পিকে। সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতায় বেশকিছু নীচুতলার তৃণমূল কর্মীদের ডেকে বৈঠক করেছে প্রশান্ত কিশোরের দলের সদস্যরা। যেখানে নিচুতলার কর্মীদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কাউন্সিলর প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানালেও তাদের নাম কোনওভাবেই প্রকাশ করা হবে না।
এই শর্তে নিচুতলার তৃণমূল কর্মীরা কাউন্সিলর প্রসঙ্গে অনেক কিছুই জানিয়েছেন আইপ্যাকের সদস্যদের। জানা গিয়েছে, ১০টি ওয়ার্ড পিছু একজন করে কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করেছে আইপ্যাক। যারা নিচুতলার তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে কাউন্সিলরদের রিপোর্ট জমা দেবেন প্রশান্ত কিশোরের কাছে। সেই রিপোর্ট যাবে প্রশান্ত কিশোর মারফত তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও যুব সংগঠনের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতা পুর নিগমের ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়ে গেলেও। ঘোষণার আগে প্রশান্ত কিশোরের এই রিপোর্টের প্রভাব থাকবে ঘোষিত প্রার্থী তালিকা।
৬৯ ও ১২১ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন প্রার্থী দাঁড়ানো নিশ্চিত। কারণ রবিবার ৬৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুখদেব
চক্রবর্তী প্রয়াত হয়েছেন। গত বছরের নভেম্বরে মারা গিয়েছেন ১২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মানিকলাল চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গে কলকাতা পুরসভার যে ওয়ার্ডগুলিতে তৃণমূলের কাউন্সিলর নেই সেখানে নিচুতলার কর্মীদের থেকেই তিনজন করে বিকল্প প্রার্থীর নাম সংগ্রহ করেছে প্রশান্ত কিশোরের দল। যে সমস্ত ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর রয়েছেন, সেখান থেকে তিনজন করে বিকল্প প্রার্থীর নাম নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে এক তৃণমূল নেতার কথায়, “দিদি প্রশান্ত কিশোরকে যখন পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করেছেন। তখন তাঁর প্রস্তাব তো অবশ্যই ভেবে দেখা হবে বলেই আমার মনে হয়। তবে যে পরামর্শ পিকে দিন না কেন, নেত্রীই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আমার মনে হয়।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news