ওয়েব ডেস্ক:
শিক্ষানীতির খসড়া মাত্র হয়েছে। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সোমবার এই বার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। রবিবার থেকে এই বিষয়ে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী টুইট করেন। প্রসঙ্গত, নয় মোদি সরকার গঠন হওয়ার পরপরেই প্রকাশিত হয়ছে জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়া। সেই খসড়ায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজি ও হিন্দি ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। যে নিদান মেনে নিতে পারেনি গোটা ভারতের অহিন্দি ভাষী রাজ্যগুলি। বিশেষত প্রতিবাদের ঝড় ওঠে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি থেকে। হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয় দক্ষিণের রাজ্যগুলি। তারপরই একাধিক কেন্দ্রী মন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, বিস্তারিত আলাপ আলোচনার পরেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসবে সরকার।
এদিন বিদেশ মন্ত্রী কে জয়শঙ্কর টুইট করেন, ‘সবে শিক্ষানীতির খসড়া তৈরি হয়েছে। তা জমা দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট মন্ত্রকে। এরপর এই বিষয়ে দেশের সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া নেওয়া হবে। এইসঙ্গে প্রত্যেক রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিষয়টিকে নিয়ে বৈঠকে হবে। তারপরেই এই বিষয়ে নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব হবে’।
উল্লেখ্য, দক্ষিণের রাজনৈতিক দল ডিএমকে আঞ্চলিক ভাষার রাজ্যগুলির উপর বল পূর্বক হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগে সরব হয়। এইসঙ্গে এই নীতির বিরোধিতা করেন অভিনেতা রাজনীতিবিদ কমল হাসান এবং তাঁর দল। তবে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকরেরও বক্তব্য, ‘খসড়া তৈরি হয়েছে, কোনও সিদ্ধান্তে যাওয়া হয়নি’। এবং অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সিতারমনের টুইট, ‘জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে যে খসড়া তৈরি তা দেশের মানুষের মতামত নেওয়ার পরেই কার্যকর হবে’। ক্ষোভ প্রশমণে একধাপ এগিয়ে সীতারমনের মন্তব্য, ‘তামিলদের উন্নতীতে সব রকম সাহায্য করবে কেন্দ্রীয় সরকার’। উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডুর মুখেও শোনা গেল এক সুর। তিনি বলেন, ‘অযথা জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়া নিয়ে চিন্তিত হবেন না’। তাঁর পরামর্শ, ‘আমার মনে হয় শিক্ষার মান উন্নয়নই হওয়া উচিত শিক্ষানীতির লক্ষ্য’।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news