Breaking News
Home / TRENDING / জুন থেকে সচল জীবন, মমতার ঘোষণা শুনে সোমেন-মুকুল-সুজন যা বললেন

জুন থেকে সচল জীবন, মমতার ঘোষণা শুনে সোমেন-মুকুল-সুজন যা বললেন

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

১ জুন থেকে পশ্চিমবঙ্গে সমস্ত মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদুয়ারা খোলার অনুমতি দেয় রাজ্য সরকার। সঙ্গে ৮ জুন থেকে রাজ্যে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করা যাবে বলেও জানানো হয়। শুক্রবার নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই ঘোষণা করে দিলেওঝন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু, তাঁর এমন ঘোষণায় সায় নেই রাজ্যের প্রায় কোনও রাজনৈতিক দলের। সকলেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তকে পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে আত্মঘাতী বলে তোপ দেগেছেন। এ প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র (Somen Mitra ( বলেছেন, “লকডাউন সারা জীবনের জন্য থাকতে পারে না এটা ঠিকই। তবে সব কিছু খুলে দিলে যে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকবে সেটা মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের আছে তো ? মহামারীর মত অবস্থা তৈরী হলে তার দায় ভার মুখ্যমন্ত্রী নেবেন তো ?” তিনি আরও বলেন, “করোনা এবং অর্থনীতি বিপর্যয় রোখার কাজ একসঙ্গেই করতে হবে। লক ডাউন রেখে কিভাবে অর্থনীতি সচল রাখা যায় তার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। পরিযায়ী শ্রমিকরা ঘরে ফিরছেন ,তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিশেষ ব্যবস্থা রাজ্য সরকারকেই করতে হবে। তাঁদের কাজ দিতে হবে। আমরা আশা করব, সরকার রাজ্যের মানুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকবেন। ধন্যবাদ।”

তুলনামূলক কম আক্রমণাত্মক শব্দের ব্যবহার করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায় (Mukul Roy)। তিনি বলেন, “পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনায় ভারতের অবস্থা তুলনামূলক ভাল। যতদিন না ভ্যাকসিন আবিষ্কার হচ্ছে ততদিন করোনাকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের চলতে হবে। তাই সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে আমাদের কর্মজীবনে প্রবেশ করতে হবে। ধর্মস্থান খোলা জরুরী। মনে রাখতে হবে এমন এমন মন্দির আছে যেখানে প্রতিদিন বহু মানুষ খেতে পান।” এ প্রসঙ্গে বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty) বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী ১ জুন থেকে মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদুয়ারা খোলার কথা বলেছেন। ৮ জুন থেকে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিস ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করার কথা বলেছেন। অথচ এখনও পুরোপুরি ট্রেন চলাচল শুরু হয়নি। সবরকম বাস পরিষেবাও শুরু করা যায়নি। আর এদিকে দেশ তথা রাজ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। এই সময় মুখ্যমন্ত্রী কেন সাধারণ মানুষকে কেন গিনিপিগ বানাতে চাইছেন ? আর যদি সত্যি সত্যিই মুখ্যমন্ত্রী সরকারী কাজ শুরু করতে চান, তাহলে সবার আগে বিধানসভা খুলে দিন। কারণ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণেই বিধানসভা অধিবেশন মাঝপথে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।”

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *