ওয়েব ডেস্ক:
কাঁচড়াপাড়া, হালিশহরের যে কাউন্সিলররা ফের তৃণমূলমুখি, তাদের ছাড়াই যে লোকসভা ভোট জিতেছিল বিজেপি, তা এদিন মনে করিয়ে দিলেন মুকুল রায়। মুকুলের সাফ কথা, “আমি অর্জুনকে (পড়ুন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংহ) বলেছি কাউকে আটকানোর দরকার নেই। যে পারে যাক। শুভ্রাংশুকেও (পুত্র, বীজপুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়) তাই বলেছি”।
মুকুল এতটা নির্মোহ হতে পারছেন কী করে? মেনে নিচ্ছেন ব্যর্থতা? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিজেপির শক্তি বাড়াতে কাঁচড়াপাড়া, হালিশহরের কাউন্সিলরদের দলে নেওয়া হয়ছিল এমন নয়। এর পেছনে ছিল অন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। চাণক্য চেয়েছিলেন মমতার দল যে ক্রমশ রাজ্যে রাজনীতিতে জমি হারাচ্ছে, তা প্রমাণ করতে। সেক্ষেত্রে তিনি সফল। তবে কাঁচরাপাড়ার কাউন্সিলরদের যে ধরে রাখা যাবে না, সেই দেওয়াল লিখন আগেই পড়ে ফেলেছিলেন মুকুল রায়। সম্ভবত সেই কারণেই তিনি শুক্রবারই বলেছিলেন, “আমি অর্জুনকে (পড়ুন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংহ) বলেছি কাউকে আটকানোর দরকার নেই। যে পারে যাক। শুভ্রাংশুকেও (পুত্র, বীজপুরের বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়) তাই বলেছি”।
পাশপাশি এদিন মুকুল রায় আরও এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘কী ভাবে কাউন্সিলরদের ফেরানো হচ্ছে তাও দেখতে হবে।’ এবং বিজেপি নেতার মতে, ‘ওই সব কাউন্সিলরের সঙ্গে ভোট নেই। মানুষও নেই।” এরপরই তিনি বলেন, “লোকসভা ভোটে কাঁচরাপাড়ায় দশ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিল বিজেপি। তখনও এই কাউন্সিলররা তৃণমূলেই ছিল। সুতরাং ওঁদের সঙ্গে ভোট তথা মানুষ যে নেই তা পরিষ্কার। তাই কাউকে আর আটকাচ্ছি না”।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news